ঢাকা, সোমবার,১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

টেলিভিশন

বিজ্ঞাপনে ফিরলেন ঐন্দ্রিলা

অভি মঈনুদ্দীন

২২ জানুয়ারি ২০১৮,সোমবার, ১৬:২১


প্রিন্ট

বিরতির পর অভিনয়ে ফিরেই দারুণ ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন প্রয়াত নায়ক বুলবুল আহমেদ’র যোগ্য উত্তরসূরী ঐন্দ্রিলা আহমেদ। এরইমধ্যে তিনি দুটি নাটক এবং একটি টেলিফিল্মের কাজ শেষও করেছেন। তার ফেরার যাত্রায় শুরু হলো বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করা।

এই সময়ের মেধাবী বিজ্ঞাপন নির্মাতা অমিতাভ রেজার নির্দেশনায় গ্রামীন ফোনের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করলেন তিনি। শুক্রবার দিনব্যাপী রাজধানীর কোক স্টুডিওতে বিজ্ঞাপনটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বেশ কয়েকবছর বিরতির পর বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করলেন ঐন্দ্রিলা।

ঐন্দ্রিলা বলেন,‘ অমিতাভ ভাই নিঃসন্দেহে এই সময়ের একজন মেধাবী নির্মাতা। এর আগেও তার নির্দেশনায় বিজ্ঞাপনে কাজ করার কথা ছিলো। কিন্তু সবমিলিয়ে কাজ করা হয়ে উঠেনি। অবেশেষ তার নির্দেশনায় প্রথম কাজ করলাম। খুউব ভালোলেগেছে কাজটি করে। তাছাড়া গ্রামীন ফোনের বিজ্ঞাপনে কাজ করতে পারটাও বড় বিষয়। সবমিলিয়ে মডেলিং-এ ফেরাটাও আমার বেশ ভালোভাবেই হলো। মহান আল্লাহর প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা।’

ঐন্দ্রিলা জানান শিগগিরই তার নতুন এই বিজ্ঞাপনটি প্রচারে আসবে। মাত্র চার বছর বয়সে প্রাইজবন্ডের বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেল হয়েছিলেন। বড় হয়ে তিনি আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় ‘সানক্রেস্ট’র বিজ্ঞাপনে মডেল হন। এরপর আরো ১৪/১৫টি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেন। তবে অমিতাভ রেজার নির্দেশনায় এবারই প্রথম মডেল হলেন তিনি।

এদিকে দশ বছর পর ঐন্দ্রিলা ফিরলেন রুবেল হাসানের নির্দেশনায় ‘বিলাভড’ নাটকে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে। এতে তার বিপরীতে ছিলেন অপূর্ব। পরে মাবরুর রশীদ বান্নাহ্’র নির্দেশনায় টেলিফিল্ম ‘সাংসারিক ভালোবাসা’তে অভিনয় করেন অপূর্ব’রই বিপরীতে। দীপু হাজরার নির্দেশনায় ‘ফেইক লাভ’ নাটকে অভিনয় করেন সজলের বিপরীতে। তিনটি নাটক টেলিফিল্মই ভালোবাসা দিবসে বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হবার কথা। এদিকে দীপু হাজরা, কাজী সাইফ এবং পৃথুরাজের নির্দেশনায় আরো তিনটি নাটকে তিনি অভিনয় করবেন শিগগিরই।

ঐন্দ্রিলা জানান এখন থেকে নিয়মিত অভিনয় করবেন তিনি। তবে সেক্ষেত্রে ভালো স্ক্রিপ্ট’র প্রতি গুরুত্ব দিবেন তিনি সবসময়ই।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫