‘পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষ্ক্রিয়তায় পলিথিন নিষিদ্ধের আইন অকার্যকর’

নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্যের উপর পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে সরকার ২০০২ সালে আইন করে পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন, ব্যবহার, বিপণন ও বাজারজাতকরণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দলমত নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের জনগণ তা সানন্দে গ্রহণ করে। এই আইন বাস্তবায়নের ফলে পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। কিন্তু বর্তমানে সারা দেশে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার দেখে মনে হচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর হয়তো ভুলেই গেছে যে, আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে পলিথিন উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং সেই আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব তাদেরই। পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষ্ক্রিয়তায় বর্তমানে পলিথিন নিষিদ্ধের আইনটি সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনসহ (পবা) ১৭টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ‘পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধের আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন কর’ দাবিতে মানববন্ধনে পরিবেশবাদিরা এ ধভিযোগ করেন।

পবা’র সাধারণ সম্পাদক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, মডার্ন ক্লাবের সভাপতি আবুল হাসানাত, পবা’র সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, পবা’র সহ-সম্পাদক এম এ ওয়াহেদ, সদস্য মো. সেলিম, ক্যামেলিয়া চৌধুরী, স্থপতি জুবাইদা গুলশান আরা, নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চের সভাপতি আমির হাসান মাসুদ, নোঙর এর সভাপতি সুমন শামস, বানিপা’র সভাপতি প্রকৌ. মো. আনোয়ার হোসেন, বিসিএইচআরডি’র নির্বাহী পরিচালক মাহবুল হক, বিডি ক্লিক’র সভাপতি আমিনুল ইসলাম টুব্বুস, সচেতন নগরবাসী’র সভাপতি জি. এম. রোস্তম খান, নগরবাসী সংগঠনের সভাপতি হাজী শেখ আনসার আলী, শীতলক্ষ্যা নদী বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক বোরহান মেহেদী, সমন্বয়ক মাহাবুব সৈয়দ, পবা’র সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক, রতন মজুমদার, এলিজা রহমান, আদিবাসী যুব পরিষদের সভাপতি হরেন্দ্রনাথ সিং, নাসফের সদস্য প্রকৌশলী মো. কামাল পাশা মিয়া প্রমুখ।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.