ঢাকা, মঙ্গলবার,১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

মধ্যপ্রাচ্য

ইসরাইলি জেলখানায় ফিলিস্তিনি নারীকে কাপড়-চোপড় নিতেও বাধা

আলজাজিরা

১৯ জানুয়ারি ২০১৮,শুক্রবার, ১৬:৪৯


প্রিন্ট
ইসরাইলি জেলখানায় ফিলিস্তিনি নারীকে কাপড়-চোপড় নিতেও বাধা

ইসরাইলি জেলখানায় ফিলিস্তিনি নারীকে কাপড়-চোপড় নিতেও বাধা

ইসরাইলের প্রিজন সিস্টেম ( আইপিএস) এর বন্দীদের পরিবার-পরিজনের সাথে কারারক্ষীরা দুর্ব্যবহার করে থাকে। স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ করতেও দেওয়া হয় না অনেক সময়। জেলখানায় অপ্রতুল ব্যবস্থা থাকায় বন্দিরা ঠিকভাবে থাকতেও পারে না। অনেক সময় অনেক বন্দীদের নির্যাতনের জন্য নিঃসঙ্গ করে রাখা হয়। এছাড়া তাদেরকে শিক্ষা, টেলিফোন এবং স্যাটালাইট টিভি চ্যানেল দেখার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত রাখা হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ অনেক সময় কারাগারে কাপড়-চোপড় নিতে দেয় না এবং বন্দীদেরকে আর্থিক জরিমানাও করে হর-হামেশা। সেখানে চিকিৎসাকে মারাত্মক অবহেলা করা হয়। মস্তিষ্কে টিউমার, মেরুদণ্ডে ব্যথা এবং কিডনি সমস্যাসহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হলেও প্রিজন হাসপাতালেও তাদের পাঠানো হয় না। কোনো রকম সুচিকিৎসা না দিয়ে আইপিএস অমানবিক আচরণ করে থাকে।

আলজাজিরায় দেয়া এক সাক্ষাৎকার ফিলিস্তিনি নারী ইসরা জাবিস এসব তথ্য জানিয়েছেন। ২০১৫ সালে ৩৩ বছর বয়সী জাবিসের গাড়িটি টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে বিস্ফোরিত হয়। তবে এ ঘটনায় তিনি ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেন। তার দাবি তাকে হত্যা করার জন্যই ইসরাইলিরা চেকপয়েন্টের কাছে তার গাড়িটি নষ্ট করে দেয়। এ ঘটনার পর থেকে জাবিস ইসরাইলের কারাগার হাশরুনে বন্দী আছেন তিনি। তার ১১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

গাড়ী বিস্ফোরণে তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার হাতের আঙ্গুলের মধ্যে আটটিই প্রায় গলে গেছে। প্রচণ্ড ব্যথায় সে তার হাত নড়াচড়া করতে পারছে না। তার ডান কান প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে এবং নাকের এক পাশ গলে গর্ত হয়ে পরেছে, পুরো মুখমণ্ডল বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গেছে।

ফিলিস্তিনের ইসরা জাবিস পেশায় ছিলেন একজন নার্সিং হোমের সেবিকা। এর পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং স্কুলেও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতেন। এছাড়াও তিনি পূর্ব জেরুজালেমের অগাস্টা ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে শিশুদের জন্য পোশাকও বানাতেন তিনি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫