ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

আরো খবর

সাড়ে ৪ শ’ কোটি টাকার পাটপণ্য অবিক্রীত রয়েছে : সংসদে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

সংসদ প্রতিবেদক

১৮ জানুয়ারি ২০১৮,বৃহস্পতিবার, ০০:৪১


প্রিন্ট
বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) মিলগুলোতে প্রায় সাড়ে ৪ শ’ কোটি টাকার অবিক্রীত পাটপণ্য মজুদ রয়েছে। গতকাল সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহাম্মদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক এ তথ্য জানান। মন্ত্রী জানান, গত ৩০ নভেম্বর অবধি অবিক্রীত মজুদ পাটপণ্যের পরিমাণ ৪৩ হাজার ৪২৭ দশমিক ৫২ টন, যার মূল্য প্রায় ৪৩৬ কোটি ১২ লাখ টাকা। অবিক্রীত এই পাটপণ্য বিক্রয়ের লক্ষ্যে সরকার মূলত ৪টি পদক্ষেপ নিয়েছে। যার আওতায় অভ্যন্তরীণ বাজারে পাটজাত পণ্য ক্রয় ও ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসাথে অবিক্রীত মজুদ থেকে ৩৩ লাখ পিসসহ মোট ১৯ কোটি ৬০ লাখ পিস পাটজাতপণ্য বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএসএ) কাছে বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। সুদানের টেন্ডারের বিপরীতে সম্প্রতি এক লাখ বেল বিটুইল পণ্য রফতানি করা হয়েছে। অবশিষ্ট বিটুইল বস্তাও এলসি (ঋণপত্র) পাওয়ার ভিত্তিতে শিগগিরই রফতানি হবে। অন্যান্য মজুদ পণ্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। 
হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিদেশে পাট রফতানির জন্য কোনো দেশের সাথে আমাদের রফতানি চুক্তি নেই। তবু ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, চীন, আইভরিকোস্ট, এলস্যালভেদর, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, রাশিয়া, জিবুতি, ফিলিপাইন, যুক্তরাষ্ট্র, ইথিওপিয়া ও তিউনিসিয়ায় পাট রফতানি হচ্ছে।
সরকারদলীয় সদস্য বেগম মাহজাবিন খালেদের প্রশ্নের জবাবে পাটমন্ত্রী জানান, এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের বস্ত্র ও বস্ত্রজাত দ্রব্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রফতানি করে বিগত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার ৯২ দশমিক ৮৭ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। যার পরিমাণ ২৯ দশমিক ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওই অর্থবছরে বিজেএমসির পাটজাত দ্রব্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪৭ দশমিক ৫০ টন। যার আনুমানিক মূল্য ১ হাজার ২৬৩ দশমিক ৯৪ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ৮৮ হাজার ৫১২ দশমিক ৮৩ টন পাটজাত পণ্য বিদেশে রফতানি করে ৭৩৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, যা ছিল লক্ষ্যমাত্রার ৫৮ শতাংশ। রফতানি লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধির জন্য বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান। 
গোলাম মোস্তফা বিশ^াসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, বাংলাদেশ রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থবছরে ভোলাহাটে (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) দু’টি আইডিয়াল রেশম পল্লী স্থাপন করা হয়েছে। আগামী জুলাইয়ে শুরু হতে যাওয়া ৪৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার এ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। পুরো প্রকল্পটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের বিবেচনাধীন অবস্থায় আছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫