জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে শুরুতেই ধাক্কা খেলো শ্রীলঙ্কা
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে শুরুতেই ধাক্কা খেলো শ্রীলঙ্কা

জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে শুরুতেই ধাক্কা খেলো শ্রীলঙ্কা

নয়া দিগন্ত অনলাইন

জিম্বাবুয়ের করা বিশাল স্কোরের সামনে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে শ্রীলঙ্কা। ৪৭ রানের মাথাতেই তারা দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ফেলে। অবশ্য এখন পেরেরা আর ম্যাথুজ হাল ধরার চেষ্টা করছেন। তাদের স্কোর এখন ২ উইকেটে ৭৭ রান।

এর আগে মিরপুর স্টেডিয়ামের শততম ওয়ানডে ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২৯১ রানের টার্গেট দেয় জিম্বাবুয়ে।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে সিকান্দার রাজার অপরাজিত ৮১ ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজার ৭৩ রানের সুবাদে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯০ রান করে জিম্বাবুয়ে।

২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে যাত্রা শুরু হয় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের। মিরপুরের অভিষেক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলো বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। ম্যাচটি ৮ উইকেটে জিতেছিলো টাইগাররা। তবে মিরপুরের শততম ম্যাচে খেলা নেই বাংলাদেশের। ত্রিদেশীয় সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি হচ্ছে মিরপুরের শততম ম্যাচ। এ ম্যাচে মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য হলেও, সৌভাগ্য জিম্বাবুয়ের। মিরপুরের প্রথম ওয়ানডের পর শততম ম্যাচেও রয়েছে জিম্বাবুয়ে।

মিরপুরের মাইলফলকের ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিং-এ নেমে দুর্দান্ত শুরু করে জিম্বাবুয়ে। ১৩ ওভারেই স্কোর বোর্ডে ৭৫ রান তুলে ফেলেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার মাসাকাদজা ও সোলেমন মির। মিরকে ব্যক্তিগত ৩৪ রানে থামিয়ে দিয়ে শ্রীলংকাকে ম্যাচে প্রথম সাফল্য এনে দেন শ্রীলংকার মিডিয়াম পেসার থিসারা পেরেরা। ৩৭ বল মোকাবেলায় ৫টি চারে নিজের ইনিংসটি সাজান মির।

তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন ক্রেইগ আরভিন। মাত্র ২ রান করে আউট হন তিনি। দলীয় ৮৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলরকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজটা ভালোভাবেই করেন মাসাকাদজা। দলের স্কোর সচল রাখার পাশাপাশি ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩২তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন মাসাকাদজা। তবে শ্রীলংকার বিপক্ষে এটি মাসাকাদজার চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরি।

মাসাকাদজার দুর্দান্ত ইনিংসের পথে কাটা হয়ে দাঁড়ান শ্রীলংকার মিডিয়াম পেসার আসলে গুনারত্নে। ব্যক্তিগত ৭৩ রানেই মাসাকাদজাকে থামিয়ে দেন তিনি। ৮৩ বল মোকাবেলা করে ১০টি চার মেরেছেন মাসাকাদজা। তৃতীয় উইকেটে টেইলরের সাথে ৫৭ রান যোগ করেন তিনি।

মাসাকাদজার বিদায়ের পর দলের ইনিংস বড় করার দায়িত্ব ছিলো টেইলরের। কিন্তু ৪টি চারে ৫১ বলে ৩৮ রানেই বিদায় নেন তিনি। তার বিদায়ের ক্ষত দ্রুতই ভুলে যায় জিম্বাবুয়ে। কারন ব্যাট হাতে শ্রীলংকার বোলারদের বিপক্ষে দাপটের সাথে লড়াই করেন রাজা। সাথে সঙ্গী হিসেবে পান ম্যালকম ওয়ালার ও পিটার মুরকে।

পঞ্চম উইকেটে ওয়ালারের সাথে ৬১ বলে ৫৭ ও ষষ্ঠ উইকেটে মুরের সাথে ৩৯ বলে ৬১ রান দলের স্কোরে যোগ করেন রাজা। ওয়ালার ৩৫ বলে ২৯ ও মুর ১৮ বলে ১৯ রান করে আউট হন। তবে ইনিংস শেষে ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন রাজা। দশম হাফ-সেঞ্চুরি পাওয়া ইনিংসে ৮টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন তিনি। এজন্য মাত্র ৬৭ বল খেলেন রাজা। শ্রীলঙ্কার পক্ষে গুনারত্নে ৩টি ও পেরেরা ২টি উইকেট নেন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.