ঢাকা, শুক্রবার,২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ক্রিকেট

অর্ধেকের বেশি রান বাউন্ডারি হাঁকিয়ে

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৭ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ১৪:২৮ | আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ১৪:৩৭


প্রিন্ট

হ্যামিলটন মাসাকাদজা

 

চোখ ধাঁধানো ৭৩ রানের ইনিংস খেলে আসেলা গুনারত্নের বলে সাজঘরে ফিরলেন জিম্বাবুয়ের মারকুটে ওপেনার হ্যামিলটন মাসাকাদজা। ইনিংসে অর্ধেকের বেশি রান তিনি তুলেছেন বাউন্ডারি হাঁকিয়ে। ৭৩ রানের মধ্যে ১০ বাউন্ডারিতে ৪০ রান তুলেছেন। কোনো ছক্কা হাঁকাননি।

মিরপুর স্টেডিয়ামের ১০০তম ম্যাচে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩২তম অর্ধশত করে স্মরণীয় করে রেখেছেন মাসাকাদজা।

এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। আজকের ম্যাচ শুরুর আগেই তাই উচ্ছ্বসিত ছিলেন মাসাকাদজা।

বলেন, ‘ঐতিহাসিক কিছুর অংশ হতে পেরে আমার অসাধারণ লাগছে। প্রথম ম্যাচের অংশও আমি ছিলাম। এমন একটি মুহূর্তে অংশ হতে পারাটা দারুণ কিছু।’

২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর মিরপুরের অভিষেক ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে ৮ উইকেটে জিতেছিল টাইগাররা। ওই ম্যাচে অংশ নেয়া মাসাকাদজা, ব্রেন্ডন টেইলর ও ক্রিস এমপোফু বর্তমানের জিম্বাবুয়ে দলে আছেন।

 

মাসাকাদজার হাফসেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের সেঞ্চুরি

উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হ্যামিলটন মাসাকাদজার অর্ধশতের সুবাদে শত রান করল জিম্বাবুয়ে। ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ১০৩ রান।

৬৫ বলে আট বাউন্ডারিতে ৫৩ রান নিয়ে ব্যাট করছেন মাসাকাদজা। সাথে আছেন ব্রেন্ডন টেইলর। তার সংগ্রহ ১০ রান।

এর আগে দুই ব্যাটসম্যান সলোমোন মির (৩৪) ও ক্রেইগ এরভিন (২) সাজঘরে ফিরেছেন। উইকেট দুটি শিকার করেছেন থিসারা পেরারা ও সুরাঙ্গা লাকমল।

 

মিরপুর স্টেডিয়াম স্মরণীয় করে রাখছেন মাসাকাদজা

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলেছিলেন জিম্বাবুয়ের হ্যামিলটন মাসাকাদজা। সেদিন তাদের প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ। আজ মিরপুরে শততম ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর সৌভাগ্যক্রমে এ ম্যাচটিও খেলছেন মাসাকাদজা। তবে তাদের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ত্রিদেশীয় সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে। ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখছেন মাসাকাদজা। ব্যাট হাতে নেমেই একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকাচ্ছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫