রাশিয়ার হাতে এখন পরমাণু অস্ত্রবাহী ‘ড্রোন সাবমেরিন’
রাশিয়ার হাতে এখন পরমাণু অস্ত্রবাহী ‘ড্রোন সাবমেরিন’

রাশিয়ার হাতে এখন পরমাণু অস্ত্রবাহী ‘ড্রোন সাবমেরিন’

নয়া দিগন্ত অনলাইন

রাশিয়ার কাছে রয়েছে এক গোপন ড্রোন সাবমেরিন, যা বিশ্বের সবথেকে বড় নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। পেন্টাগনের এক ফাঁস হওয়া রিপোর্টে এমনটাই জানা গেছে। এর আগে রাশিয়ার কাছে আন্ডারওয়াটার নিউক্লিয়ার কেরিয়ার আছে বলে জানা গিয়েছিল। তবে এবার পেন্টাগনের লিক হওয়া রিপোর্টে সেই তথ্যই আরো স্পষ্ট হলো।

রিপোর্টে জানা গেছে, ওই ড্রোন সাবমেরিন ১০০ মেগাটন ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। ‘হাফিংটন পোস্ট’-এ প্রথম প্রকাশিত হয় এই রিপোর্ট। পেন্টাগনের দাবি, একদিকে যখন আমেরিকা পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার কমানোর উপর জোর দিচ্ছে অন্যদিকে তখন রাশিয়া তাদের পরমাণু শক্তি বাড়িয়ে চলেছে।

রাশিয়ার পাঁচটি নতুন নিউক্লিয়ার ডেলিভারি সিস্টেমের মধ্যে একটি হলো ‘Status-6 AUV’. AUV-এর অর্থ হলো ‘autonomous underwater vehicle’, অর্থাৎ সাধারণ ভাষায় যাকে ড্রোন সাবমেরিন বলে বর্ণনা করা যেতে পারে। পেন্টাগনের দেওয়া কোড নেম হলো Kanyon. ২০১৬ থেকে এটি রাশিয়ার কাছে আছে বলে জানা গিয়েছে। এই সাবমেরিনের রেঞ্জ হল ৬২০০ মাইল। আমেরিকা পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এটি।

ওই নথিতে আরো বলা হয়েছে যে, রাশিয়া নতুন নিউক্লিয়ার ওয়াহেড ও লঞ্চার নিয়ে আসছে। এছাড়া তৈরি করছে দুটি রেঞ্জ সিস্টেম, হাইপারসনিক ভেইকল ইত্যাদি। অটোনমাস টর্পেডোও বানাচ্ছে রাশিয়া।

কোরীয় উপদ্বীপে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে ফোনালাপে ট্রাম্পকে শির আশ্বাস

এএফপি
কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়ে টেলিফোনে আলাপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এ সময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কোরীয় উপদ্বীপে ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা বলেছেন। এ দুই নেতার মধ্যে টেলিফোনে কথা হওয়ার পর মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ কথা জানায়।

এ সময় ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির কার্যক্রম বন্ধে তাদের রাজি করানোর আশায় পিয়ংইয়ংয়ের ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ জোরদারে শিকে চাপ দেন। উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোয় এবং দেশটির নেতা কিম জং-উন যুদ্ধের হুমকি ও ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করায় ওই অঞ্চলে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তবে বিগত দুই বছরের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো দুই কোরিয়া আলোচনার টেবিলে বসায় এবং পিয়ংচংয়ে অনুষ্ঠেয় শীতকালীন অলিম্পিক গেমসে পিয়ংইয়ং খেলোয়াড় পাঠাতে সম্মত হওয়ায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

টেলিফোনে শি উল্লেখ করেন যে কোরীয় উপদ্বীপ পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। শি’র বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়, কোরীয় উপদ্বীপের এমন শীতল পরিস্থিতি বজায় রাখার এবং আলোচনা আবারো শুরু করার পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে যৌথ প্রচেষ্টা চালানো উচিত হবে। উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি বিষয়ে দুই দিনের আলোচনা অনুষ্ঠানে ভ্যানকুভারে ২০টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একত্র হওয়ার পর তাদের মধ্যে টেলিফোনে এসব কথা হয়।

কাতারের প্রশংসা ট্রাম্পের

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কাতারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমকার কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আলে সানির সঙ্গে ফোনালাপে তাকে ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প।

কাতারি আমির সেসময় তুরস্কে অবস্থান করছিলেন। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। হোয়াইট হাউজ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ট্রাম্প সন্ত্রাসী হামলার হুমকি মোকাবেলায় আঞ্চলিক ঐক্য দেখতে চান। দুই বিশ্ব নেতার সঙ্গে এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে ক‚টনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলায় ভূমিকা রাখতে পারে। গত বছরের ৫ জুন সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসরসহ কয়েকটি দেশ। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে কাতার।

সর্বশেষ সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করে যে,কাতারের যুদ্ধবিমান তাদের বেসামরিক বিমান চলাচলে বাধা দিয়েছে। বিনা অনুমতিতে আমিরাতের সামরিক বিমান কাতারের আকাশসীমায় প্রবেশের অভিযোগ ওঠার পর পাল্টা এ অভিযোগ আনায় উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর মাঝেই ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হলো কাতারি আমিরের। হোয়াইট হাউজের বিবৃতিতে বলা হয়, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কাতারের প্রশংসা করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনতে ও ইরানি প্রভাব কমিয়ে সন্ত্রাস দমন করতে কিভাবে তারা পরস্পরকে সহায়তা করতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন দুই নেতা।’

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.