ঢাকা, শনিবার,২০ জানুয়ারি ২০১৮

ঢাকা

দক্ষিণাঞ্চলের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে শাজাহান খান

‘আপনারা কেউ পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকা যাবেন না, নেত্রীর কথা একটু শুনুন’

এস.এম. রাসেল, মাদারীপুর থেকে

১৪ জানুয়ারি ২০১৮,রবিবার, ১৫:২৮


প্রিন্ট
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান

‘আমি দক্ষিণাঞ্চলের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে বলছি, আপনারা কেউ পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকা যাবেন না। এবার আপনাদের নেত্রীর কথা একটু শুনুন।’

শনিবার সন্ধ্যায় মাদারীপুরে উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, একটি রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রের যতটুকু উন্নয়ন সম্ভব আমাদের রাষ্ট্রপ্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়নে মাহাথির মোহাম্মদ হয়ে ততটুকু করে যাচ্ছেন।

শাজাহান খান জানান, ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগোয়াট বিদ্যৎ উৎপন্ন হবে। তখন দেশে কোনো বিদ্যুতে ঘাটতি থাকবে না।

পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি পদ্মা সেতু। বিশ্বব্যাঙ্ক যখন পদ্মা সেতুর কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। তখন জননেত্রী শেখ হাসিনা কারো কাছে মাথা নত না করে, কারো কাছে হাত না পেতে নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করছেন।’

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে শাজাহান খান বলেন, ‘তিনি নাকি ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী, অবশ্য একবার ১২ দিনের। বিএনপি নেত্রী তার নেতা-কর্মীদের মাঠে নামতে বললে কেউ এখন আর মাঠে নামে না। সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও কেউ আর বিশ্বাস করে না।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ জোড়াতালি দিয়ে চলছে। আপনারা কেউ এ সেতু দিয়ে পারাপার হবেন না। আমি দক্ষিণাঞ্চলের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে বলছি, আপনারা কেউ পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকা যাবেন না। এবার আপনাদের নেত্রীর কথা একটু শুনুন। মাদারীপুর দিয়ে যখন ঢাকা থেকে ফিরবেন তখন জিজ্ঞেস করবো আপনারা পদ্মা সেতু পার হলেন কেন।’

ফোর লেন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী বরিশালে ফোর লেন নেই। মাদারীপুরে যখন ফোর লেন প্রস্তাব দেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার প্রস্তাবে রাজি হলেন। ৮ কি.মি. রাস্তা ফোর লেন করা হলো আর এই ফোর লেন রাস্তার নামকরণ করা হবে শেখ হাসিনা ফোর লেন। কারণ তিনি না হলে ফোর লেন হতো না।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো: সরোয়ার হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো: মিয়াজ উদ্দিন খান, মাদারীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খান, মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র মো: খালিদ হোসেন ইয়াদ, মাদারীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খান, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সাকিলুর রহমান সোহাগ প্রমুখ।

পরে মেলায় অংশ নেয়া স্টলগুলোর মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

১১ দফা দাবী আদায়ে শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির মাদারীপুরে সমাবেশ ও স্মারকলিপি
মাদারীপুরে ১১ দফা দাবিতে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ করেছে।

রোববার সকালে মাদারীপুরে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করনসহ ১১ দফা দাবীতে শিক্ষক কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। এর আগে আচমত আলী খান উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুল ইসলামের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় মাদারীপুর জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি সৈয়দ আকমল হোসেন পিলু, সাধারণ সম্পাদক আ: কুদ্দুস হাওলাদার, মাদারীপুর সদর উপজেলার সভাপতি হুমায়ন কবীর, সাধারণ সম্পাদক কাজী মো: ওবায়দুর রহমান, খলিলুর রহমান, মস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: মিজানুর রহমান খান, সিনিয়র শিক্ষক জবাহের মোল্লা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খান শিক্ষক নেতাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫