বিপুল ক্ষতির মুখে জাকারবার্গ
বিপুল ক্ষতির মুখে জাকারবার্গ

বিপুল ক্ষতির মুখে জাকারবার্গ

নয়া দিগন্ত অনলাইন

জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকের নিউজফিড পরিবর্তন করে ক্ষতির মুখে পড়লেন মার্ক জাকারবার্গ। নিউজফিডে বদল আনতে গিয়ে ৩.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করেছেন ফেসবুকের এই সহকারী প্রতিষ্ঠাতা। তারপরেই তার ব্যক্তিগত উপার্জন প্রায় ৪.৪ শতাংশ কমে গেছে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

ফেসবুকে নিউজফিড পরিবর্তনের বিষয়টি ইউজাররা প্রথম দেখতে পান গত বৃহস্পতিবার। শুক্রবার মার্কিন বাজার খোলার আগেই ফেসবুকের শেয়ার মূল্য প্রায় চার শতাংশ পড়ে যায়। বৃহস্পতিবার শেয়ার মূল্য ছিল ১৮৭.৭৭ মার্কিন ডলার। শুক্রবার সেখানে ৪.৪ শতাংশ মূল্য পড়ে গেছে।

ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শেয়ার ট্রেডার শুক্রবারের বাজারের ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ১৭৯.৩৭ মার্কিন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে এই জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের শেয়ার মূল্য। ফেসবুকের শেয়ার মূল্য পড়ে যাওয়ার ছবিটি তুলে ধরেছে মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বস। এই শেয়ার ধসে জাকারবার্গের ব্যক্তিগত ক্ষতির তালিকাটি বেশ দীর্ঘ। নিউজফিড পরিবর্তনে খরচ হওয়া ৩.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ও ৪.৪ শতাংশ শেয়ার পড়ে যাওয়া।

ফেসবুকের এই পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন জাকারবার্গ। তিনি জানিয়েছেন, ফেসবুকে সারাদিন বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ব্যবসায়িক পরিষেবার খবর থাকে। ইউজারদের পরিবারের বন্ধুদের নিউজফিডগুলো তাতে চাপা পড়ে যায়। এই ব্যক্তিগত পরিসরকে অগ্রাধিকার দিতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই এই পরিবর্তন।

২০০৪ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকের সঙ্গে পৃথিবীর পরিচয় করিয়ে দেন মার্ক জুকারবার্গ।জনপ্রিয়তার নিরিখে ফেসবুক এখন অন্য সাইটগুলোর থেকে অনেকটাই এগিয়ে আছে। বেড়েছে ব্যবসাও। প্রায় ১৭ শতাংশ শেয়ার নিজের অধীনে রেখেছেন জাকারবার্গ।


চীনে স্কুলে যাওয়ার আগেই প্রতি ৩ শিশুর একজন অনলাইনে আসক্ত

চীনে স্কুলে যাওয়ার আগেই প্রতি ৩ শিশুর একজন অনলাইনে আসক্ত হয়ে পড়েছে। বিনোদনের জন্যে প্রতিদিন এরা ৩০ মিনিটের বেশি সময় অনলাইনে ব্যয় করে।

চলতি সপ্তাহান্তে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে। খবর সিনহুয়ার।
চায়না ন্যাশনাল ইয়ুথ প্যালেস অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় একটি শিক্ষা গবেষণা কেন্দ্র জরিপটি পরিচালনা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে তিন বছর থেকে ছয় বছর বয়সী প্রায় ২৯ শতাংশ শিশু দিনে আধা ঘন্টারও বেশি সময় অনলাইনে ব্যয় করে। এছাড়া ১৪ বছরের ৬০ শতাংশেরও বেশি শিশু একইসময় অনলাইনে সময় কাটায়।
অথচ অভিভাবক এ বিষয়ে খুব কমই সতর্ক বলে গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.