ঢাকা, রবিবার,২২ এপ্রিল ২০১৮

শেষের পাতা

তাপমাত্রার উন্নতি হলেও শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ জানুয়ারি ২০১৮,রবিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

দেশব্যাপী নি¤œ তাপমাত্রার সামান্য উন্নতি হলেও এখনো অব্যাহত রয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। আজও তিন বিভাগে এবং কয়েকটি জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় কুয়াশার কারণে কাছের জিনিসও দেখা যাচ্ছে না। কনকনে শীতে এখনো জবুথবু সারা দেশ। কোথাও কোথাও বৃষ্টির ফোঁটার মতো পড়ছে কুয়াশা। তাপমাত্রার সামান্য উন্নতি হলেও শীতের অনুভূতি মোটেও হ্রাস পায়নি। মানুষ এখনো ঠাণ্ডায় কাঁপছে। তীব্র শীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে, শীত দ্রুত চলে যাক। রামপুরা এলাকার রিকশাচালক কামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ১৫-২০ দিন আগেও আফসোস করতাম কেন শীত আসছে না। আর এখন মনে প্রাণে চাচ্ছি শীতটা যেন চলে যাক। শীতের কারণে মানুষের চলাফেলা কমে গেছে। আমি সাধারণত বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত রিকশা চালাই। রাতের বেলায় যাত্রী পাওয়াই যায় না। ফলে সংসারে টানাপড়েন লেগে গেছে। শীতে দুর্বলও হয়ে গেছি।
গতকাল দেশের পাঁচ বিভাগে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চললেও আজ তা হ্রাস পাবে অনেক এলাকায়। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ রোববার কিছু অঞ্চল থেকে শৈত্যপ্রবাহ উঠে যাবে। আজ দিনের তাপমাত্রা গতকালের চেয়ে সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। রাতের তাপমাত্রার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে সামনের পাঁচ দিন।
গতকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনের বেশির ভাগ সময় সূর্য ঢাকা থাকে ঘন কুয়াশায়। যে কারণে বিকেল বেলা বেশ ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। তার পরও গত শুক্রবারের চেয়ে গড়ে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা বেশিই ছিল। নি¤œ তাপমাত্রাও ছিল শুক্রবারের চেয়ে উপরের দিকে। এটা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রার উন্নতি হবে।
এ ছাড়া জেট স্ট্রেম সংবলিত উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয় গতকাল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এটা আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ থেকে বিহারের দিকে উঠে যেতে পারে। গতকাল দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিল যশোর ও তেঁতুলিয়ায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ রোববার শৈত্যপ্রবাহ থাকবে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ বিভাগে এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল, সীতাকুণ্ড ও রাঙ্গামাটিতে। এসব এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকবে।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, কনকনে তীব্র শীতের কারণে ছেনোয়ারা নামের (৬০) এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দুপুরে ক্যাম্পাসের ফরেস্ট্রি ইনস্টিটিউট এলাকার পানির পাম্পের পেছনে টিলা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
হাটহাজারী থানার ডিউটি অফিসার এসআই রুহুল আমিন নয়া দিগন্তকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীর কাছ থেকে খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়। ছেনোয়ারার মানসিক সমস্যা ছিল। তিন দিন আগে বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হন তিনি। তীব্র শীতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছি। রাউজান উপজেলার দক্ষিণ গহরায় তার বাড়ি। এ ব্যাপারে হাটহাজারী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা জানান, কুড়িগ্রামে টানা শৈত্যপ্রবাহে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। কুড়িগ্রামের কৃষি আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাকির হোসেন জানান, গতকাল জেলার সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর শুক্রবার জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার তাপমাত্রা বেশি নিম্নগামী ও শৈত্যপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের। কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমেল হাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। বাড়ছে শীতজনিত রোগের প্রকোপ। বিশেষ করে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, হার্টের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে।
দুপুরের পর সামান্য সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও উত্তাপ ছড়াতে না পারায় দিনের বেলায়ও তাপমাত্রা বাড়ছে না। এ অবস্থায় সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টির ফোটার মতো টপটপ করে কুশায়া পড়ছে। কুয়াশার পানিতে ভিজে যাচ্ছে রাস্তাঘাট। এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চলছে সর্বত্রই। বিশেষ করে কৃষি শ্রমিকেরা কাজে যেতে না পারায়। খাদ্য সঙ্কটে পড়ার উপক্রম হয়েছেন তারা। চরম দুর্ভোগে রয়েছেন গত বন্যায় ঘরবাড়ি হারানো নদ-নদীর তীরবর্তী মানুষ। জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের কৃষক আমিন জানান, আমার জীবনে আমি এমন ঠাণ্ডা দেখিনি। হাত-পা বরফ হয়ে আসে। কাজে যেতে পারছি না। কাজে যেতে না পারায় ঘরের খাবারও শেষ হয়ে গেছে।
এ দিকে জেলা প্রশাসন থেকে ৫৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হলেও তা জুটছে না অনেক হতদরিদ্র পরিবারে। গরম কাপড়ের অভাবে দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে তাদের।
জেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখা সূত্রে জানা গেছে, আরো পাঁচ হাজার কম্বল বিতরণ প্রক্রিয়ায় আছে। নতুন করে আরো ৫০ হাজার কম্বল বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
নীলফামারী সংবাদদাতা জানান, রাত ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় আছন্ন হয়ে থাকছে গোটা নীলফামারী। সারা রাত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে। রাতে ঘন কুয়াশার কারণে কাছের জিনিসও দেখা যাচ্ছে না। অব্যাহত ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে জেলার অনেক এলাকার বোরো বীজতলায় কোল্ড ইনজুরি রোগ দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় আবার বীজতলা সাদা ফেকাসে রঙ ধারণ করে মরে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় বোরো আবাদ নিয়ে দুচিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। এ দিকে কয়েক দিন ধরে হাড় কাপানো শীত আর উত্তরের হিমেল বাতাসে এ জেলার জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) সংবাদদাতা জানান, তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস সূত্রে জানা যায়, গতকাল তেঁতুলিয়ায় সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিল ৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গত ৮ জানুয়ারি তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করায় বিগত ৫০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ হয়। প্রবীণ ব্যক্তিরা মনে করছে অন্যান্য শীত মওসুমের তুলনায় তেঁতুলিয়ায় এবার শীতের প্রকৌপ অনেক বেশি।
যশোর অফিস জানায়, টানা দশ দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের জনজীবন। কনকনে শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষসহ প্রাণিকুল। প্রতিদিনই ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকছে তাপমাত্রা। গতকাল সকালে যশোরে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। জানুয়ারির শুরু থেকেই যশোরে তাপমাত্রা কমতে থাকে। শুরু হয় শৈত্যপ্রবাহ। গত ৫ জানুয়ারি দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় যশোরে। এরপর তাপমাত্রা কমতে কমতে এ জেলায় ৫ দশমিক ২ ডিগ্রি পর্যন্ত নামে। গত ১১ জানুয়ারি তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় যশোরে।
কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা জানান, তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশায় মেঘনা উপকূলীয় লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কয়েকদিন ধরে কনকনে শীতের সাথে হিমেল হাওয়া বইতে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উপজেলার মেঘনা তীরবর্তী এলাকার মানুষেরা। শীতবস্ত্রের অভাবে মানবেতর জীবন কাটছে তাদের।
গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাবে উপজেলার চরকালকিনি, তালতলি, কাদিরপণ্ডিতের হাট, চরফলকন ও ডিএস ফলকনসহ বিভিন্ন এলাকার নদীভাঙা অসহায় মানুষেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। হাড়কাঁপানো শীতে হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি অনেক কমে গেছে। শীতে কাবু হয়ে কর্মজীবী মানুষেরা কাজে যেতে না পেরে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। তীব্র শীতের সাথে ঘনকুয়াশার কারণে হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি অনেক কমে গেছে। এ দিকে, শীতের তীব্রতার কারণে উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের মানুষের ঘরে ঘরে সর্দি, জ্বর ও নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে শিশু ও বৃদ্ধ শ্রেণীর রোগীদের সংখ্যা বেড়ে গেছে। হাসপাতালে আসনের চেয়েও রোগী বেশি হওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কমলনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো: বোরহান উদ্দিন জানান, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ছিন্নমূল মানুষের জন্য শীতবস্ত্র হিসেবে দুই হাজার ৯০০ পিস কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সেগুলো স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
শাহরাস্তি (চাঁদপুর) সংবাদদাতা জানান, শৈত্যপ্রবাহে ও কনকনে হিমেল বাতাসে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে শীত জেঁকে বসেছে। গত ক’দিন ধরেই হিমেল বাতাসে তীব্র শীত অনুভূত হওয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা জবুথবু হয়ে পড়েছে। দিনের বেলায়ও শীতের প্রকোপ কমছে না। সন্ধ্যা থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকছে গোটা জনপদ। গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে দুস্থ ও অভাবী কর্মজীবী মানুষ। শীতের দাপটে সন্ধ্যার পর হাটবাজারসহ শহরের কর্মচঞ্চল এলাকা ফাঁকা হয়ে পড়ছে। খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন নি¤œবিত্তরা। শীতের সাথে কনকনে বাতাসের কারণে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হচ্ছে না। দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনকে সড়ক পথে চলাচল করতে হচ্ছে।
সিএনজি অটোচালক মনির বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামলেই আতঙ্কের মধ্যে পথ চলতে হচ্ছে। গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়েও সামনের দশ গজ দূরে কিছু দেখা যাচ্ছে না।
শীতের প্রভাবে সকালবেলা বিদ্যালয়ে যেতে বেশ বেগ পেতে হয় কোমলমতি শিশুদের। শাহরাস্তি মডেল স্কুলের শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরিশা নূর জানায়, খুব ঠাণ্ডা পড়ায় গত দু’দিন সে স্কুলে যায়নি। একই বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: জহিরুল ইসলাম জানান, শীতের প্রকোপ বাড়ায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম। এ দিকে গোটা উপজেলায় দেখা দিয়েছে শীতজনিত রোগবালাই। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কন্সাল্ট্যান্ট ডা: মো: আহসানুল কবীর জানান, শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।
পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা জানান, বরগুনার পাথরঘাটায় উপকূলীয় এলাকার মানুষ কয়েক দিন ধরে তীব্র শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছেন। প্রচণ্ড শীতে উপকূলীয় নদী পাড়ের নি¤œ আয়ের মানুষগুলো রয়েছে চরম বিপাকে। টানা শৈত্যপ্রবাহ আর গরম কাপড় না থাকায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পাথরঘাটার ছিন্নমূল হতদরিদ্র মানুষ। কাজে যেতে পারছেন না রিকশাচালক, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। আরো বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন বেড়িবাঁধের হতদরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। শিশু ও বয়স্করা পড়ছেন চরম বিপাকে। তারা ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত শিশুদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে।
সরেজমিন বিষখালী নদীর পাড়ে গেলে শাহিন, রফিক, মনির, খাইরুলসহ বেশ কয়েকজন বলেন, আমরা যারা বিষখালী নদীর পাড়ে থাকি তাদের সবাইকেই জীবনের সাথে যুদ্ধ করে বাঁচতে হয়।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫