ঢাকা, মঙ্গলবার,২৩ জানুয়ারি ২০১৮

আরো খবর

পুলিশের ধাওয়া

ত্রিশালে বিলে ঝাঁপ দেয়ার পর এখনো খোঁজ মেলেনি সজীবের

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা

১৪ জানুয়ারি ২০১৮,রবিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

ময়মনসিংহের ত্রিশালে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে শুকনি বিলে ঝাঁপ দেয়া সজীব আহমেদ (১৮) নামে এক যুবক গত দু’দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় চলছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জেলার ভালুকা জমিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এনআরজি কম্পোজিট ইয়ার্ন ডাইংয়ে কর্মরত সজীব ছুটিতে বাড়ি আসেন। শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশে শুকনি বিলের পাড়ে বসে ক’জন বন্ধু মিলে তাস খেলছিলেন। খবর পেয়ে সন্ধ্যার ঘণ্টাখানেক আগে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধাওয়া করে ত্রিশাল থানা পুলিশ। ধাওয়া খেয়ে শুকনি বিলে ঝাঁপ দেন সজীব। এরপর আর পাড়ে উঠে আসতে পারেননি সজীব। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষার পর আটক ছয়জনকে নিয়ে থানায় ফিরে আসে পুলিশ। গতকাল শনিবার দিনভর স্থানীয় এলাকাবাসী ওই বিলে সজীবের খোঁজ করলেও তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ সজীব পৌর শহরের চরপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। এ খবর চার দিকে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ভিড় জমায় শুকনি বিলের পাড়ে। এমন ঘটনার পরও ডুবুরিদল না ডাকায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয় এবং চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বাকরুদ্ধ সজীবের বাবা কোনো মন্তব্য করতে পারলেন না। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাকে উদ্ধারের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু জাফর রিপন, উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, ভাইস চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফুন্নেছা বিউটি ও ওসি জাকিউর রহমান।
প্রত্যক্ষদর্শী নাজমুল জানান, পুলিশ তাদেরকে ঘিরে ফেললে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পেছন থেকে ধাওয়া করে পুলিশ। ধাওয়া খেয়ে শুকনি বিলে ঝাঁপ দেন সজীব। দুইজন বিল থেকে উঠে এলেও পাড়ে উঠে আসেননি সজীব।
চাচা মাসুদুল করিম পল্টন বলেন, পুলিশের ধাওয়ায় ভাতিজা বিলে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হলো অথচ কর্তব্যে অবহেলা করে প্রশাসন কোনো ডুবুরিদল আনল না।
এ ব্যাপারে ওসি জাকিউর রহমান জানান, পুলিশ জুয়া খেলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। ওখান থেকে ছয়জনকে আটকও করা হয়। নিখোঁজ ওই যুবককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫