ঢাকা, মঙ্গলবার,২৩ জানুয়ারি ২০১৮

আরো খবর

আপিলের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে চিঠি

সাংবাদিক মানিক সাহা হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত, খুনিদের শাস্তি দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ জানুয়ারি ২০১৮,রবিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

মৃত্যুবার্ষিকীর প্রাক্কালে বিশিষ্ট সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধা মানিক সাহা হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তার সুহৃদরা। এ জন্য বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে অনুরোধ জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ‘সাংবাদিক মানিক সাহা হত্যার বিচারপ্রত্যাশী সংক্ষুব্ধ সাংবাদিক সমাজ’ এর ব্যানারে ঢাকার অনলাইন নিউজ পোর্টাল পিটিবিনিউজ.কমের প্রধান সম্পাদক আশীষকুমার দে স্বাক্ষরিত চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত আগামী ১৫ জানুয়ারি পূর্ণ হচ্ছে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত সাংবাদিক মানিক সাহা হত্যার ১৪ বছর।
মানিক সাহার খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, চাঞ্চল্যকর এই মামলায় ইতঃপূর্বে আদালতে দেয়া অভিযোগপত্রে হত্যার চক্রান্তকারী, অর্থের যোগানদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের নাম নেই। পুলিশের দায়সারা তদন্ত ও ত্রুটিপূর্ণ অভিযোগপত্রের কারণে প্রকৃত ঘাতকরা শনাক্ত ও গ্রেফতার হয়নি। এ কারণে অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরাও কেউ মৃত্যুদণ্ডাদেশ পায়নি। তাই পুনঃতদন্ত ছাড়া মানিক সাহা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য খলনায়ক ও ভাড়াটিয়া খুনিদের মুখোশ উন্মোচন করা সম্ভব নয়; সে জন্য উচ্চ আদালতের আদেশ অপরিহার্য। এ কারণে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা প্রয়োজন বলে সাংবাদিক আশীষকুমার দে তার চিঠিতে উল্লেখ করেন।
২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের অদূরে ছোট মির্জাপুর রোডে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় দৈনিক সংবাদ ও নিউ এজ পত্রিকার খুলনার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিবিসির খণ্ডকালীন সংবাদদাতা এবং খুলনা প্রেস ক্লাব ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মানিক সাহা নিহত হন।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫