ঢাকা, শুক্রবার,১৯ জানুয়ারি ২০১৮

রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে সংলাপের প্রয়োজন নেই : ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জানুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ২২:১৭


প্রিন্ট

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধান যে পথরেখা দেখিয়েছে, সেই পথ বাদ দিয়ে সংলাপ করতে হবে কেন? সংবিধানেই তো আছে কিভাবে নির্বাচন হবে। নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির রাজনৈতিক অধিকার, এটা সুযোগ নয়। সরকারের দয়া-দাক্ষিণ্যের ওপর বিএনপি কেন নির্বাচন করবে, তাদের আরো একবার সাধতে হবে কেন? আমাদের তো সব কিছুই ঠিক আছে। এখানে জটিলতা আছে বলে জনগণ মনে করে না। তিনি বলেন, সংলাপ কেন হবে না? প্রয়োজন হলে অবশ্যই হবে; কিন্তু আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা দেখছি না।

আজ শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ফরিদুন্নাহার লাইলী, দেলোয়ার হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, রোকেয়া সুলতানা, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে সমবেদনা জানাতে গেলে খালেদা জিয়া দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে সংলাপের পরিবেশ নষ্ট হয়েছিল। সে দিন ঘরের দরজা বন্ধ করে খালেদা জিয়া নিজেই সংলাপের দরজা বন্ধ করেছেন। তিনি আরো বলেন, টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে অসৌজন্য আচরণ করেছিলেন। অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। সে দিন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে গণভবনে এলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ অন্য রকম হতে পারত। তারপরও সংলাপের দরজা চিরদিনের জন্য বন্ধ করতে চাই না, আমরা একটা রাজনৈতিক দল। প্রয়োজনে সংলাপ হতে পারে।

সরকারের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ভাষণ নিয়ে বিএনপির সমালোচনার জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের চার বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশে যে ভাষণ দিয়েছেন তাতে সাধারণ মানুষ খুশি হয়েছেন; কিন্তু বিএনপি হতাশ হয়েছে। এ ভাষণ পরবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়, পরবর্তী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫