ঢাকা, মঙ্গলবার,২৩ জানুয়ারি ২০১৮

নগর মহানগর

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পুরস্কার বিতরণ উৎসব সমাপ্ত

১৪ জানুয়ারি ২০১৮,রবিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণ উৎসবের শেষ দিনে রাজধানী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনসংলগ্ন মাঠে গতকাল ৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০১৭ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কার দেয়া হয়।
শনিবার সমাপনী পর্বে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো: সোহরাব হোসাইন, ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও মুক্তিযোদ্ধা স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, সরকারের সাবেক সচিব ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সম্মিনিত ট্রাস্টি খোন্দকার মো: আসাদুজ্জামান, শিশু সাহিত্যিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব আলী ইমাম, বিকাশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদির, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের শুভানুধ্যায়ী ও বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ খালিদ হাসান, গ্রামীণফোন লিমিটেডের ইনফ্রাক্টাকচার বিজনেস, করপোরেট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক মোহাম্মদ মাইনুর রহমান ভূঁইয়া এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণ উৎসবের সমাপনী দিনে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো জীবন। এ জীবনকে যে যত আনন্দ দিতে পারবে, সে ততই ভাগ্যবান। আর জীবনকে আনন্দ দেয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো বই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো: সোহরাব হোসাইন পুরস্কারপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, জীবনে সফল হতে হলে ভালো বই পড়তে হবে, তিনি বলেন, বই পড়ার মতো এই যুগোপযোগী কর্মসূচিকে সরকার সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে চায়।
ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে কলম ও জ্ঞানের শক্তি। আর এই শক্তি অর্জনের জন্য বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।
আলী ইমাম ছাত্রছাত্রীদের বলেন, বই মানুষকে সাহসী করে তোলে, তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বেশি সময় না দিয়ে বেশি বেশি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
গ্রামীণফোন লিমিটেডের ইনফ্রাক্টাকচার বিজনেস, করপোরেট অ্যাফের্য়াসের পরিচালক মোহাম্মদ মাইনুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই বইগুলো জ্ঞানার্জনে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
পুরস্কার বিতরণ শেষে সন্ধ্যায় কয়েক হাজার মোমবাতি জ্বালিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে গানটি গেয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পুরস্কার বইসহ উৎসব আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে গ্রামীণফোন লিমিটেড।
উল্লেখ্য, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আয়োজিত ঢাকা মহানগরীতে দুই দিনব্যাপী পুরস্কার বিতরণ উৎসবের তিনটি পর্বে মোট ৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছয় হাজার ১৯৪ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার দেয়া হয়। গতকাল দিনব্যাপী পুরস্কার বিতরণ উৎসবের দুইটি পর্বে মোট ৫৯টি স্কুলের চার হাজার ১৭৭ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫