ঢাকা, রবিবার,২১ জানুয়ারি ২০১৮

উপসম্পাদকীয়

খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন সরকারের অ্যাজেন্ডা

সৈয়দ আবদাল আহমদ  

১৪ জানুয়ারি ২০১৮,রবিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। গত ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে বক্তৃতায় তিনি এ ইচ্ছার কথা জানান। নেতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে টানা তিনবার জয়ী হওয়া কঠিন। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষে সম্ভব। আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনেও ক্ষমতায় আসবে।’ (প্রথম আলো, ৮ জানুয়ারি)।
প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ববাদী শাসন দীর্ঘায়িত হতে যাচ্ছে। যেকোনো উপায়ে তারা ক্ষমতা ধরে রাখতেই চেষ্টা করবে।
নির্বাচন নিয়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে আওয়ামী লীগের নেতারা যেসব মন্তব্য করছেন তাতেও এটা স্পষ্ট যে, ক্ষমতায় থাকার সব কলাকৌশল নিয়েই দলটি এখন ব্যস্ত। ৮ জানুয়ারি প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিকল্পনা : আগেভাগেই মাঠ দখল’ শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়, তিনটি বিষয় মাথায় রেখে আওয়ামী লীগ আগাম প্রার্থী ঠিক করে তাদের মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছে। এর অন্যতম হচ্ছেÑ বিরোধী দলকে অপ্রস্তুত রেখে আগেভাগে মাঠ দখল এবং ভোটারদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ প্রসঙ্গে পত্রিকাটিকে বলেছেন, ‘নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করাই হচ্ছে আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য। এ জন্য সব কৌশলই নেয়া হচ্ছে।’ এতে আরো উল্লেখ করা হয়, সব আসনে জোর না দিয়ে আওয়ামী লীগ ২০০ আসন টার্গেট করে সর্বশক্তি নিয়োগের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। বাকি ১০০ আসন শরিক জোট-মহাজোটকে ছেড়ে দেয়া হবে। কারণ, সরকার গঠন করতে ১৫১ আসনই যথেষ্ট। এই ১৫১ আসন আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে জেতার চেষ্টা করবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের এসব বক্তব্য খতিয়ে দেখলে অনুধাবন করা যায়, ক্ষমতায় থাকার জন্য ‘নির্বাচন টেম্পারিং’ করার সব কৌশল হয়তো প্রয়োগ করা হবে। তাদের ‘নির্বাচনে জয়ী’ হওয়ার অর্থ হচ্ছে, কোনো মতে নির্বাচনের আয়োজন করে আসন ভাগাভাগি করে ক্ষমতায় থেকে যাওয়া। আওয়ামী লীগ ভালো করেই অবহিত যে, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তাদের লাভ নেই। বাংলাদেশের জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসা তাদের পক্ষে সুদূরপরাহত। ক্ষমতার জন্য তাদের কূটকৌশল করা ছাড়া বিকল্প নেই। তাই দেখা গেছে, যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ আন্দোলন করে প্রতিষ্ঠা করেছিল, সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাদের জন্য বুমেরাং হওয়ায় তা বাতিলে তারা মরিয়া হয়ে ওঠেন। প্রথমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বিতর্কিত করা হলো এবং পরে দলীয় অনুগত বিচারপতি দিয়ে তা বাতিল করা হয়। এ দেশের জনগণ আরো লক্ষ করেছে, ২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ‘লগি-বৈঠার’ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলে আওয়ামী লীগ জরুরি সরকারকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে। শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বলেছিলেন, এ সরকার তাদের আন্দোলনের ফসল। ওয়ান-ইলেভেনের এই সরকার দুই বছর ক্ষমতায় ছিল। পরে জরুরি সরকারের সাথে আঁতাত করে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় আসেন। ক্ষমতাসীন হয়ে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ এমন সব পদক্ষেপ তারা গ্রহণ করেছেন, যাতে আর কোনো দিন ক্ষমতা ছাড়তে না হয়। এরই অংশ হিসেবে নানা কূটকৌশলের মাধ্যমে বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রেখে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিনা ভোটের প্রহসন সম্পন্ন করে রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে যায় আওয়ামী লীগ। এরপর এমন কর্তৃত্ববাদী শাসন চালায়, যাতে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডই চালাতে না পারে। এই শাসনের মেয়াদও শেষ হওয়ার পথে। আরেকটি নির্বাচন অত্যাসন্ন। কিন্তু ক্ষমতায় থেকে ওই নির্বাচনটিও যাতে ম্যানেজ করা যায়, সেটাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিনা ভোটের নির্বাচনটি শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপীই চরম প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত নির্বাচন হিসেবে স্বীকৃত। এ ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি আর করা যাবে না, এটা ক্ষমতাসীনেরা বুঝতে পারছেন। তাই আসন্ন নির্বাচনটি হুবহু ৫ জানুয়ারির মতো না করে, এবার ভিন্ন কৌশলে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন ক্ষমতাসীনেরা। সেই ভিন্ন কৌশলটি হচ্ছে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে রাজনীতি থেকে বাইরে রেখে নির্বাচনটি সম্পন্ন করার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সেনাসমর্থিত জরুরি সরকারের সাথে আঁতাত করে ক্ষমতাসীন হয়েছিল। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনের বাইরে রেখে বিনা ভোটের নির্বাচন করে ক্ষমতা কব্জা করা হয়। আর এবার ২০১৮ সালের নির্বাচনে বেগম জিয়াকে নির্বাচনের বাইরে রেখে খালেদা জিয়াবিহীন বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চাইছেন ক্ষমতাসীনেরা। এক কথায় এবার সরকারের অ্যাজেন্ডা হচ্ছে, খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন করা।
আওয়ামী লীগ ভালো করেই জানে, এবার বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখা যাবে না। বিএনপি নির্বাচন করবেই। তা ছাড়া বিএনপি ছাড়া নির্বাচন আন্তর্জাতিক মহলেও বৈধতা পাবে না। সে কারণে বিএনপিকেও নির্বাচনে রাখতে হবে। আবার ক্ষমতা ছাড়া যাবে না। ‘সাপও মরে, লাঠিও বাঁচে।’ এই নীতির ভিত্তিতে একটা নির্বাচন করতে হবে। তার উপায় হলো, খালেদা জিয়াবিহীন নির্বাচন। নির্বাচনে খালেদা জিয়া না থাকলে বিএনপিকে কন্ট্রোল করা সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই বিএনপি যখন নির্বাচন করবেই, সে ক্ষেত্রে খালেদাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে দূরে রাখতে হবে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তিনিই। খালেদা জিয়া নির্বাচনে সক্রিয় থাকলে সেই নির্বাচন কারচুপি করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। আর খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে মাইনাস করতে পারলে কোনো ‘সমস্যা’ থাকে না। তখন বিএনপি নির্বাচন করলেও ক্ষতি নেই। বিএনপি বড়জোর ৫০ থেকে ৫৫টি আসন নিয়ে বিরোধী দলে থাকবেÑ এতটুকুই। সে জন্যই সরকার বেগম জিয়াকে টার্গেট করেছে।
সরকারের প্রাধান্য এখন বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে মাইনাস করা। এ লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে সরকারের সব পরিকল্পনা। ইতোমধ্যে দু’টি মামলার কার্যক্রম অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে দু-তিন দিন করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খালেদা জিয়াকে বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে হাজির থাকতে হচ্ছে। এই আদালতে তার আরো ১৪টি মামলা স্থানান্তর করা হয়েছে। তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন অভিযোগ করেছেন, খালেদা জিয়াকে হয়রানি করা, জাতির কাছে ছোট করা, রাজনীতি থেকে দূরে রাখা এবং নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সরকার এই অপকর্ম করছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এসব করা হচ্ছে। সত্তরোর্ধ্ব এ প্রবীণ রাজনীতিকের বিরুদ্ধে সরকার হয়রানিমূলক ৩৭টি মামলা দিয়েছে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট সংক্রান্ত মামলা দু’টি যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দুদককে দিয়ে করানো হয়েছে, সে সম্পর্কে বেগম জিয়ার আইনজীবীরা আদালতে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেছেন। তারা বলেছেন, যেখানে লেনদেনই হয়নি, সেখানে কী করে দুর্নীতি হয়? আদালতে খালেদা জিয়াও বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট গঠন, এর তহবিল সংগ্রহ, ট্রাস্ট পরিচালনা এবং কোনো ধরনের লেনদেনের সাথে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি কখনো পদের প্রভাব খাটাননি। রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই অনুমাননির্ভর কল্পিত অভিযোগে এ মামলায় তাকে জড়ানো হয়েছে। এই মামলায় অংশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট আবদুর রেজ্জাক খান যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন। তারা আদালতে জানান, এ মামলায় দুদকের পক্ষে এতিম তহবিলের যে নথিপত্র জমা দেয়া হয়েছে, তা হাতে লেখা, ঘষামাজা করা ও স্বাক্ষরবিহীন। কোনো মূল নথি পাওয়া যায়নি। আইনকানুনের তোয়াক্কা না করেই ছায়ানথি সৃজন করা হয়েছে। মামলার ৩২ জন সাক্ষীর কেউই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বলেননি। বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে করা এটি একটি সাজানো মামলা। অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ১৯৯৪ সালে কুয়েতের আমির ব্যক্তিগত অনুদান হিসেবে প্রায় চার কোটি ৬৭ লাখ টাকা দিয়েছিলেন এতিম তহবিলের জন্য। তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এস এম মোস্তাফিজুর রহমান অনুদানের এই টাকা আনার ব্যবস্থা করেছিলেন। ওই টাকার অর্ধেক একটি চেকের মাধ্যমে বাগেরহাটে মোস্তাফিজুর রহমান প্রতিষ্ঠিত জিয়া মেমোরিয়াল ট্রাস্টে দেয়া হয়। বাকি অর্ধেক টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের জন্য দেয়া হয়। দু’টি প্রতিষ্ঠানে এ টাকা দেয়ার ক্ষেত্রে বেগম জিয়ার কোনো ভূমিকা ছিল না। তা ছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টকে দেয়া টাকা থেকে একটি পয়সাও তছরুপ হয়নি, বরং সোনালী ব্যাংকে এফডিআর করে রাখা সেই টাকা এখন সুদ-আসলে প্রায় ছয় কোটি হয়েছে। তদুপরি, দু’টি প্রতিষ্ঠানকে সমানভাবে ভাগ করে দু’টি চেকে টাকা দেয়া হলেও মামলা হয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে। এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জাল নথিপত্র তৈরি করে মামলাটি করা হয়েছে। জাল নথিপত্র তৈরি করা অপরাধ। জাল নথিপত্র তৈরি ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার অভিযোগে খালেদা জিয়া ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ছয়জন সাক্ষীর বিরুদ্ধে শাস্তির আবেদন করেছেন আদালতে। আইনজীবীরা বলেছেন, ন্যায়বিচার হলে এ মামলায় বেগম খালেদা জিয়া খালাস পাবেন।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের এক অনন্য প্রতিষ্ঠানের নাম। তার আপসহীন আন্দোলনের কারণেই নব্বইয়ের স্বৈরশাসনের অবসান এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছিল। জাতীয় সংসদে বিল এনে তিনিই সংসদীয় গণতন্ত্র ও সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনেন। যমুনা সেতুর মতো বড় বড় উন্নয়নকাজের বেশির ভাগ হয়েছে তার হাতে। তিনিই দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। তিনি তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দুইবার সার্কের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মেয়েদের শিক্ষার ক্ষেত্রে যে বিপ্লব ঘটেছে, সেটা তারই অবদান। তিনি দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন। বাংলাদেশের সামাজিক খাতের উন্নয়ন এবং সামাজিক সূচকগুলোর ভালো রেকর্ডের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অতুলনীয়। খালেদা জিয়ার দৃঢ় মনোভাবের কারণেই এক-এগারোর মইন-ফখরুদ্দীনের জরুরিসরকার জরুরি আইন তুলে নিয়ে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিল। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রের ব্যাপারে জনগণের প্রধান আশ্রয়স্থল খালেদা জিয়া। আজ তাকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দিয়ে, নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে, ৩৭টি মামলায় আদালতের বারান্দায় রেখে এবং জেলে নেয়ার চক্রান্ত করে ক্ষমতাসীনেরা আবার নির্বাচন হাইজ্যাক করার ষড়যন্ত্র করলে সেটা তাদের জন্য কোনোভাবেই শুভ হবে না, বুমেরাংই হবে। কারণ, সব কিছুরই একটা শেষ আছে।
লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক,
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫