ঢাকা, সোমবার,২২ জানুয়ারি ২০১৮

বাংলার দিগন্ত

চরফ্যাসনের সুগন্ধি ধান রফতানি হচ্ছে বিদেশে

কামরুজ্জামান চরফ্যাসন (ভোলা)

১৪ জানুয়ারি ২০১৮,রবিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

ভোলার চরফ্যাসনে উৎপাদিত সুগন্ধি ব্রি-৩৪ ধানের এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভালো ও বাজারে ধানের উচ্চমূল্য পেয়ে খুশি কৃষকেরা। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় সুগন্ধি ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। চরফ্যাসনে উৎপাদিত সুগন্ধি ধান রফতানি হচ্ছে দেশ-বিদেশে।
সরেজমিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চরফ্যাসনের নূরাবাদ, হাজারীগঞ্জ, এওয়াজপুর, আছলামপুর, মাদ্রাজ, চর মনোহর, চর ফকিরা, রসুলপুর, চর মানিকা এলাকায় ৩৬০ হেক্টরে সুগন্ধি ব্রি-৩৪ ধান আবাদ করেছেন প্রায় আট হাজার কৃষক। এ বছর বেশির ভাগ জমিতে ব্রি-৩৪ জাতের ধান চাষ হয়েছে। এক সময় মানুষ বছরজুড়ে পোলাও ও পায়েস খাওয়ার জন্য সামান্য জমিতে সুগন্ধি ধানের চাষ করতেন। সেই সময়ে কাটারী, কালনী, নেনিয়াসহ বিভিন্ন জাতের সুগন্ধি ধানচাষের প্রচলন ছিল। এই ধানের চাহিদা ছিল খুবই কম। এ কারণে প্রান্তিক কৃষকেরা ওই সব ধান চাষে তেমন আগ্রহ দেখাতেন না। ব্রি-৩৪ জাতের ধান কেবল সুগন্ধিই নয়, এই ধানের দাম বাজারে সবচেয়ে বেশি। ফলনও ভালো। ফলে কৃষকেরা বাণিজ্যিক ভিত্তিতেই এই ধানের চাষ করছেন। কৃষকের উৎপাদিত সুগন্ধি চাল ছাড়া এখন বড় ধরনের উৎসব হয় না।
সুগন্ধি ধানের আবাদে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় কৃষকেরা আধুনিক চাষাবাদের প্রশিক্ষণ নিয়ে অধিক লাভবান আশায় কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে এই ধান চাষে ঝুঁকছেন।
চরফ্যাসনের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানান, সুগন্ধি ধান ব্রি-৩৪ জাতের ধানের আবাদ পরিবেশসম্মত এবং এ ধান অপেক্ষাকৃত কম উর্বর জমিতে ফলে। উৎপাদন খরচ অনেক কম হওয়ায় এ জাতীয় ধান চাষে কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া এখন উপকূলীয় অঞ্চলের বেশির ভাগ কৃষক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এই ধানের চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫