ঢাকা, সোমবার,২২ জানুয়ারি ২০১৮

বাংলার দিগন্ত

তীব্র শীতে আগৈলঝাড়ায় পানগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা

১৪ জানুয়ারি ২০১৮,রবিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

আগৈলঝাড়ায় শীতের তীব্রতা ও ঘনকুয়াশার কারণে চরম ক্ষতি হয়েছে পানবরজের। কুয়াশায় পানবরজের পান বুড়িয়ে গেছে। লতা শুকিয়ে যাওয়ায় আর নতুন পাতা উৎপন্ন হচ্ছে না। ফলে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে চাষ করা পানবরজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এতে চাষিরা যেমন অপূরণীয় লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন, তেমনি বাজারে পানের দাম একলাফে বিড়া প্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে গেছে।
সাধারণ মানের গৃহস্থালি পান প্রতি বিড়া ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং খিলি দোকানের পান প্রতি বিড়া ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব পান কোনোভাবেই এক দিনের বেশি সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
উপজেলার পান চাষের এলাকা পতিহার, মুড়িহার, উত্তর শিহিপাশা, মধ্য শিহিপাশা, দক্ষিণ শিহিপাশা, ছয়গ্রাম, রতœপুর, টেমার, নাঘার, রাংতা, রাজিহার, তালতারমাঠ, দীঘিবালি, মোলাপাড়া, পাকুরিতা, বাকাল, ফুলশ্রী, কালুপাড়া প্রভৃতি গ্রামের কয়েক হাজার একর জমিতে চাষকৃত পান পাতা বুড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে ওই সব লতায় নতুন পাতা উৎপন্ন হবে না বলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা জানিয়েছেন। পরে এসব বরজে পুনরায় পানচাষ করতে হলে দূর-দূরান্ত থেকে পানের লতা কিনে এনে লাগাতে হবে। তবে তা বরিশাল কিংবা মাদারীপুর অঞ্চলে পাওয়া যাবে না। রাজশাহী, সিলেট কিংবা চট্টগ্রাম থেকে অত্যধিক মূল্যে সংগ্রহ করতে হবে। অপর দিকে মধ্যবিত্ত পানচাষিদের পুনরায় বিকল্প পথে পানচাষ করতে হলে তাদের নিজস্ব পুঁজি শেষ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে চড়াসুদে টাকা জোগার করতে হবে। তারা সরকারের কাছে সহজশর্তে পানচাষের জন্য কৃষিঋণের ব্যবস্থা করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

 

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫