পরিবার থেকেই মেয়েদেরকে প্রযুক্তিগত বিষয়ে উৎসাহিত করা হয় না

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) এবং মাসিক কম্পিউটার ম্যাগাজিন সি-নিউজের যৌথ উদ্যোগে গত ১০ জানুয়ারি কাওরানবাজারস্থ জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের সভাকক্ষে বাংলাদেশে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে মেয়েদের সংখ্যা বৃদ্ধি বিষয়ে একটি গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের অর্ধেক অংশ নারীকে অবহেলিত রেখে আমরা বেশি দূর এগিয়ে যেতে পারবো না। আমরা মেয়েদের সবসময় পেছনে টেনে ধরে রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু আমাদের উচিত তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর খাতে ছেলেমেয়ে সবাইকে সমানতালে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া। গোলটেবিল আলোচনার শুরুতে এ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের মরগ্যান স্টেট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. সামিনা এম সাইফুদ্দিন। তিনি তার আলোচনায় বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশে^ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে মেয়েদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কম এবং দিন দিন এই সংখ্যা কমছে। বাংলাদেশের মেয়েদের ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে মেয়েদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা এখানে সীমিত। তাই বেশির ভাগ সময়ই অভিভাবক, শিক্ষক এমনকি সহপাঠীদের নিরুৎসাহের কারণে মেয়েরা এই বিষয়গুলো থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
বিডিওএসএন সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসানের সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাসিক সি-নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশক রাশেদ কামাল, লিডস করপোরেশনের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল আজিজ, বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজির (বিডব্লিউআইটি) সভাপতি লুনা শামসুদ্দোহা, প্রগতি সিস্টেমস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শাহাদাত খান, ওরাকলের সাবেক সিনিয়র হার্ডওয়্যার প্রকৌশলী ড. ইফফাত কাজী, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের রোবটিক্স ও মেকাট্রনিক্স বিভাগের চেয়ারপারসন ড. লাফিফা জামাল, ডি-নেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, কাজী আইটি সেন্টার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইক কাজি প্রমুখ।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.