ঢাকা, শুক্রবার,১৯ জানুয়ারি ২০১৮

প্রবাসের খবর

মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে নেমে পর্যটক-ব্যবসায়ীরা বেকায়দায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জানুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ২০:৪১ | আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ২০:৫২


প্রিন্ট
কিছু সন্দেহজনক লোকের কারণে পর্যটক ও পেশাদার ব্যবসায়ীরা বিমানবন্দরে নামার পর হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।

কিছু সন্দেহজনক লোকের কারণে পর্যটক ও পেশাদার ব্যবসায়ীরা বিমানবন্দরে নামার পর হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।

মালয়েশিয়ার শিপাং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই বাংলাদেশী পর্যটক ও পেশাদার ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত হয়রানীর শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার দেশটির বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তারা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের বেশকিছু সন্দেহজনক যাত্রীকে এন্ট্রি না দিয়েই আটকে দেয়। তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা আজ শনিবার রাত পর্যন্ত জানা যায়নি।

তবে ওই ফ্লাইটের যাত্রী সজিব নামের একজন ব্যবসায়ী নয়া দিগন্তকে টেলিফোনে জানান, কিছু সন্দেহজনক লোকের কারণে আসল ভ্রমণপিপাসু পর্যটক ও পেশাদার ব্যবসায়ীরা এদেশে এসেই বিমানবন্দরে নামার পর হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। বিষয়টি কি মালয়েশিয়ায় থাকা আমাদের বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষে কিছুই করার নেই?

এর আগে শুক্রবার তিন ঘণ্টা বিলম্বে রাত সাড়ে ১২টায় বিমানের বোয়িং ৭৭৭ ফ্লাইটটি মালয়েশিয়ার উদ্দেশে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। ওই ফ্লাইটের কোনো সিটই খালি ছিলো না বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ফ্লাইটের যাত্রীরা মালয়েশিয়া এয়ারপোর্টে নেমে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে গেলে শুধু বাংলাদেশীদের সাথেই তারা রুঢ় আচরণ করেন। এক পর্যায়ে তারা ফ্লাইটের কিছু যাত্রীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এন্ট্রি সিল দিলেও অনেককেই দেশে ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে তাদের অফিসে পাঠিয়ে দেন। নিয়ম অনুযায়ী সেখানে দ্বিতীয় দফা জিজ্ঞাসাবাদের পর কাউকে কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে রেখে সুযোগমতো তাদের দেশে পাঠানোর লক্ষ্যে বিমানের ফিরতি ফ্লাইটে তুলে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, বেশকিছু দিন এয়ারপোর্টে হয়রানী বন্ধ থাকলেও আবারো ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা আগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন বলে তিনি মনে করছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি আদম পাচার সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থা। এরপরই ধরা পড়তে শুরু করে একের পর এক বাংলাদেশী। সর্বশেষ ‘এবং বাঙলা’ নামের এক গডফাদারসহ শতাধিক বাংলাদেশীকে ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রেফতার করে। এখন তারা চক্রের পুরো নেটওয়ার্ক ধরতে বাংলাদেশেও অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

যাত্রী রাজীব বলেন, যারা আদমপাচারকারী তাদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হউক। কিন্তু আসল ট্যুরিস্ট এবং ব্যবসায়ী যারা তাদেরকে কেনো একই কাতারে ফেলা হচ্ছে। এটার একটা পথ বের করা উচিত। মালয়েশিয়ায় থাকা আমাদের হাইকমিশনারকেই এই পথ বের করতে হবে একই সাথে যারা এখন ডিটেনশন ক্যাম্পে বিনা কারণে আটকে আছেন তাদের দ্রুত যাচাই বাছাই করে মুক্তি দেয়ারও দাবি জানান তিনি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫