ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৬ এপ্রিল ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ট্রাম্পের যৌন কেচ্ছা : পর্নস্টারের মুখ বন্ধ করতে ১০৭ কোটি টাকা

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৩ জানুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ১৪:৪০


প্রিন্ট
ট্রাম্পের যৌন কেচ্ছা : পর্নস্টারের মুখ বন্ধ করতে ১০৭ কোটি টাকা

ট্রাম্পের যৌন কেচ্ছা : পর্নস্টারের মুখ বন্ধ করতে ১০৭ কোটি টাকা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর যৌন কেচ্ছা যেন সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে!‌ এবার ট্রাম্পের সঙ্গে জড়াল বিখ্যাত পর্নস্টার স্টেফানি ক্লিফোর্ডের নাম। যিনি নীল ছবির জগতে ‘‌স্টর্মি ড্যানিয়েলস’‌ নামেও বিখ্যাত। অভিযোগ, স্টেফানির সঙ্গে যৌন সম্পর্ক ছিল ট্রাম্পের। ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার শুরু হওয়ার পরে স্টেফানি যাতে আর এই বিষয়ে মুখ না খোলেন, তা নিশ্চিত করতে স্টেফানিকে মোটা টাকা দেয়া হয়েছে।

অর্থের পরিমাণ ১ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশী অর্থমূল্যে যা সাড়ে ১০৭ কোটি তিন লাখ তিন হাজার টাকার সমান। এই লেনদেন পুরোটাই হয়েছে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সহকারী মাইকেল কোহেনের তত্ত্বাবধানে।

২০০৬ সালে একটি গল্‌ফ টুর্নামেন্টে আলাপ হয়েছিল ট্রাম্প ও স্টেফানির। তখন ট্রাম্পের বয়স ৭১, স্টেফানির ৩৮। সেখানেই নাকি ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটিয়েছিলেন তাঁরা। তারপরে ২০১৬ সালে প্রচার শুরু হওয়ার সময় স্টেফানিকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য টাকা দেন ট্রাম্প।

যদিও স্টেফানি বলেছেন, ‘‌ট্রাম্পের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল ঠিকই, তবে তার সঙ্গে কোনো শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। আমি কোনো টাকাও নিইনি। ট্রাম্প অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি। একটি দেশের প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে এরকম জল্পনা রটানো অন্যায়।’‌

পুরো বিষয়টি নিয়ে তিনি একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেছেন।

ট্রাম্পের লন্ডন সফর বাতিলের জন্যে বিক্ষোভের হুমকিকে দায়ী করল যুক্তরাজ্য

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লন্ডন সফর বাতিলের জন্যে ব্রিটিশ সরকার গণ বিক্ষোভের হুমকিকে দায়ি করেছে। এ ব্যাপারে সরকার সতর্ক করে বলেছে, হোয়াইট হাউসের সমালোচনা যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্ককে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দূতাবাস খুলতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লন্ডন সফর করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শুক্রবার তিনি তার এ সফরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ান। খবর এএফপি’র।
ট্রাম্প বলেন, তিনি আগামী মাসে লন্ডন সফরে যাচ্ছেন না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দূতাবাস ভবনের স্থান ও ব্যয় তার পছন্দ হচ্ছে না।

তবে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন জানান, ব্রিটেনে ট্রাম্প বিরোধীদের অবস্থানের কারণে দ্রুত এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এক্ষেত্রে তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরণের সমালোচনা এ দু’দেশের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে হোয়াইট হাউস সফর করার সময় এক বছর আগে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ট্রাম্পকে লন্ডন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫