ঢাকা, শুক্রবার,১৯ জানুয়ারি ২০১৮

ক্রিকেট

অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ : বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ কারা, খেলা কবে-কখন

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৩ জানুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ১১:৫৬ | আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ১২:০১


প্রিন্ট
বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল (ফাইল ফটো)

বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল (ফাইল ফটো)

অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বাকাপে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশের যুবারা। গ্রুপ-পর্বের প্রথম ম্যাচেই নামিবিয়াকে ৮৭ রানে হারিয়েছে তারা।

গ্রুপ-সি'তে জুনিয়র টাইগারদের প্রথম প্রতিপক্ষ ছিল নামিবিয়া। বাকি দুই প্রতিপক্ষ কানাডা ও ইংল্যান্ড।

বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ সোমবার। প্রতিপক্ষ কানাডা।

তৃতীয় ম্যাচটি হবে বৃহস্পতিবার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নামবে জুনিয়র টাইগাররা।

দুটি ম্যাচই বাংলাদেশ সময় ভোর রাত সাড়ে ৩টায় শুরু হবে।

গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের সূচি :

তারিখ ------------------ ম্যাচ -------------- ভেন্যু
১৩-১-২০১৮ - বাংলাদেশ বনাম নামিবিয়া - লিঙ্কন
১৫-১-২০১৮ - বাংলাদেশ বনাম কানাডা - লিঙ্কন
১৮-১-২০১৮ - বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড - কুইন্সটাউন

 

নির্ধারিত পারিশ্রমিকে খেলোয়াড়দের অসন্তোষ!

প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটের প্লেয়ার বাই চয়েজের জন্য খেলোয়াড়দের গ্রেড ও প্লেয়ার্স ফি নির্ধারিত করেছে বিসিবি। এতে রাখা হয়েছে সাতটি গ্রেড। আইকন গ্রেডে রয়েছেন ১৫ ক্রিকেটার। এর সর্বাগ্রে মাশরাফি বিন মর্তুজা। এবার তার পারিশ্রমিক নির্ধারিত হয়েছে ৩৫ লাখ। একই পারিশ্রমিকে আছেন আরো চারজন। এরা হলেন মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। আইকন গ্রেডের দ্বিতীয় স্তরে রয়েছেন সাত ক্রিকেটার। যাদের পারিশ্রমিক ২৫ লাখ করে। এরা হলেন- ইমরুল কায়েস, মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসির হোসেন, লিটন কুমার দাস, এনামুল হক বিজয় ও রুবেল হোসেন।

গ্রেড ‘এ’ প্লাসে আছেন ২৪ ক্রিকেটার। যাদের পারিশ্রমিকেও রয়েছে পার্থক্য। এদের মধ্যে সর্বাগ্রে মুমিনুল হক, যার পারিশ্রমিক ২৩ লাখ। এরপর রয়েছেন ২২ লাখ করে তিনজন। এরা হলেন, মোহাম্মাদ সাইফুদ্দিন, মোহাম্মাদ মিথুন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। সৌম্য সরকার এর পরের স্তরে। তার পরিশ্রমিক ২০ লাখ করে। এখানে আরো রয়েছেন- জহুরুল হক অমি, শুভাগত চৌধুরী, শাহরিয়ার নাফিস, মোশাররফ হোসেন, জিয়াউর রহমান, অলক কাপালি, আরিফুল হক, ফরহাদ রেজা, সানজামুল, মার্শাল আইয়ুব, আল আমিন জুনিয়র, নাদিফ চৌধুরী, মেহেদী মারুফ, তাইজুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক রাজ, শফিউল ইসলাম, নাজমুল হোসাইন শান্ত, নাজমুল ইসলাম অপু। গ্রেড ‘এ’তে রয়েছে যারা তাদের মধ্যে রয়েছে কারো ১৮ লাখ কারো ১৭ বা ১৫।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, সোহাগ গাজী ১৮ লাখ, তাসকিন আহমেদ ১৮, নুরুল হাসান সোহান ২৮, তানভির হায়দার ১৮, কামরুল ইসলাম রাব্বি ১৮, আবু হায়দার রনি ১৮, মোহাম্মাদ আশরাফুল ১৫। মোট ২২৭ জন ক্রিকেটারকে এবার প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে খেলার জন্য মনোনীত করেছেন নির্বাচকেরা। এদের মধ্য থেকে ক্লাববগুলো বেছে নেবে তাদের প্রয়োজনীয় ক্রিকেটারদের। তবে সিসিডিএমের ঘোষণা অনুসারে এক ক্লাব তাদের গত বছরের দল থেকে পাঁচজন ক্রিকেটার রেখে দিতে পারবেন ঘোষিত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এবং প্লেয়ার বাই চয়েজ প্রোগ্রামের আগেই অর্ধেক টাকা পরিশোধ করে দিতে হবে ওইসব খেলোয়াড়কে।
উল্লেখ্য, এবারের প্লেয়ারস বাই চয়েজে যে তালিকা দেয়া হয়েছে তাতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৩৫ এবং সর্বনিম্ন সাড়ে তিন লাখ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

এ দিকে প্লেয়ার’স বাই চয়েজ নিয়ে এমনিতেই রয়েছে প্রচণ্ড আপত্তি। বিসিবি এরপরও তৃতীয়বারের মতো এ প্রথায় গেল। খেলোয়াড়দের দলবদলে একজন ক্রিকেটার সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকেন। কারণ ক্লাবের প্রয়োজনেই সেরা ক্রিকেটারদের চড়া মূল্যে দলভুক্ত করে থাকে। দুনিয়ার সর্বত্রই এমন নিয়ম চালু; কিন্তু বিসিবি সে প্রথা ভেঙে অনেকটা ক্লাবের স্বার্থ দেখে এমন সিস্টেম চালু করেছে। গত বছরও ছিল দলবদল সিস্টেম, যাতে ক্রিকেটাররা পছন্দসই ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন চাহিদা মোতাবেক পরিশ্রমিক নিয়ে। কিন্তু এবার তো সেটা সম্ভবপর নয়।

বিসিবির বক্তব্য অনেকটা এমন- ক্লাবগুলো দল গঠন করতে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে হিমশিম খাচ্ছে। ফলে তাদের একটু রিলিফ করার লক্ষ্যে খেলোয়াড়দের অমন বাইন্ডিংসের মধ্যে রাখা। যদিও এতে চরম আপত্তি ক্রিকেটারদের। নাম না প্রকাশ করার শর্তে বেশ ক’জন ক্রিকেটার এর আপত্তি করেছেন। তারা বলেন, ‘এটা আমাদের রুটিরুজি। এতে যদি হস্তক্ষেপ করা হয় সেটা আমাদের রুটিরুজির ওপরই হস্তক্ষেপ।’

বহু ক্রিকেটার সারা বছরে এ প্রিমিয়ার ডিভিশনে খেলারই সুযোগ পান। সারা বছরের অর্জনও তাদের এখান থেকে। সংসার খরচ চালানো থেকে নিজের খরচাও। এতে নিয়ন্ত্রণ হলে সেটা তাদের ফ্যামেলির ওপর যেয়েই পড়ে। এরপর ক্লাবগুলোর অর্থ প্রদান নিয়ে টালবাহানা তো আছেই। সর্বোপরি একটা অস্বস্তির মধ্যেই এখন তারা। এ ব্যাপারে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা বেশ কিছু দিন দৌড়ঝাঁপ করেছিলেন; কিন্তু নির্ধারিত পারিশ্রমিকে তার কোনো ছাপ পড়েছে বলে মনে হচ্ছে না।

সদ্য শেষ হওয়া এমসিসি সভায় খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা যে পরিমাপে পারিশ্রমিক পান, তার কাছাকাছিতে যাতে অন্য সব দেশের ক্রিকেটাররাও লাভ করেন সে ব্যাপারে যুক্তি তুলে ধরেন। কারণ ক্রিকেটের দুর্নীতি রোধ। সভার মূল বক্তব্য ছিল পর্যাপ্ত অর্থপ্রাপ্তি না হলে ক্রিকেটাররা দুর্নীতিতে জড়ানোর শঙ্কা থাকে। ওই সভার ক’দিনের মাথায় বিসিবি খেলোয়াড়রা অসন্তুষ্ট হয় এমন একটা খেলোয়াড় পারিশ্রমিক ঘোষণা দিলো। যেটা কারো কারো ক্ষেত্রে আগের বছরের চেয়ে অনেক কম পারিশ্রমিক!

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫