ধর্মপাশায় ২ গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা

গিয়াস উদ্দিন রানা, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ)

ধর্মপাশা উপজেলার পল্লীতে একটি দোকান ঘরের জায়গাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা যায়, উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের গাভী গ্রামের লন্ডন প্রবাসী মোঃ আব্দুল লতিফ মিয়া গাভী গ্রামে এলজিইডির পাকা সড়কের পাশে গাভী মিনি বাজারে ২০ বছর আগে কোয়ার্টার শতক ক্রয় করে রেখে দেয়। বাজারটি পরিপূর্ণভাবে জমজমাট না হওয়ায় জায়গাটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সপ্তাহে গাভী গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্দনে একই গ্রামের সন্দেস (চিত্র রঞ্জন দাস) ওই মালিকানাধিন পরিত্যক্ত জায়গায় রাতের অন্ধকারে একটি ছাপটা ঘর তুলে। পরদিন সকালে জানাজানি হলে প্রবাসী লতিফ মিয়ার লোকজন ওই ঘরটি ভেঙ্গে ফেলে দিয়ে প্রবাসী আব্দুল লতিফ মিয়া কয়েক পাতা টিন দিয়ে একটি ছাপটা ঘর তুলে। এতে ওই দিন চিত্র রঞ্জন দাস ধর্মপাশা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে থানা পুলিশ জায়গাটির বৈধ কাগজ পত্র চাইলে প্রবাসী আব্দুল লতিফ, সেলবরষ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও উক্ত ইউপির আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন শাহ্ , বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর হোসেন সহ গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বৈধ কাগজপত্র দেখালেও চিত্ররঞ্জন দাস কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারলেও একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্দনে দখল ছাড়তে রাজি নয়। এ নিয়ে গাভী গ্রামের মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায় গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে গাভী গ্রামের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যে, কোনো মুহুর্তে সাম্প্রদায়ীক দাঙ্গার আসংখ্যা বিরাজ করছে।
ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) সুরঞ্জিত তালুকদার বলেন, জায়গাটি এখন এই ভাবেই আছে। চিত্ররঞ্জন দাস ওই জায়গার বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারায় চলতি মাসের ২৩ তারিখ পর্যন্ত সময় নিয়েছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.