ঢাকা, বুধবার,২৪ জানুয়ারি ২০১৮

আমেরিকা

জার্মানি ও চীনের ‘না’ : কী বার্তা পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১১ জানুয়ারি ২০১৮,বৃহস্পতিবার, ১৮:১৪


প্রিন্ট
জার্মানি ও চীনের ‘না’ : কী বার্তা পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

জার্মানি ও চীনের ‘না’ : কী বার্তা পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

কানাডার ভাংকুভারে অনুষ্ঠেয় উত্তর কোরিয়া বিষয়ক সম্মেলনে অংশ নেবে না চীন। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু ক্যাং বুধবার নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, চীন মনে করে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে সৃষ্ট সংকট সমাধানের লক্ষ্যে ভাংকুভারে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে অগ্রগতির চেয়ে পিছিয়ে পড়তে হবে।

লু ক্যাং আসন্ন এ সম্মেলনকে বাহুল্য বলে মন্তব্য করেন। কানাডা ও আমেরিকার উদ্যোগে আগামী ১৬ জানুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ সম্মেলনে কোন কোন দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কানাডা তা প্রকাশ করে নি। বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে এবং চীনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কিনা তাও পরিষ্কার নয়।

লু ক্যাং বলেন, সম্মেলনে চীনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কিনা তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কোরিয় উপদ্বীপের চলমান উত্তেজনা নিরসনের জন্য যখন সব পক্ষ কাজ করছে তখন এ ইস্যুর সঙ্গে জড়িত কিছু পক্ষ স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার নীতি অনুসরণ করছে। সে কারণে চীন প্রথম থেকেই মনে করে- কানাডায় অনুষ্ঠেয় সম্মেলন অর্থপূর্ণ কিছু হবে না এবং আমরা এর বিরোধিতা করছি। চীনা মুখপাত্র সুস্পষ্ট করে বলেন, এই সম্মেলন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে আরো বিভক্তি ডেকে আনবে।

অন্যদিকে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা রক্ষা করতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। একইসঙ্গে তিনি বহুজাতিক এ সমঝোতার সঙ্গে অন্য বিষয়কে জড়িত না করতে আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফের সঙ্গে বৈঠকের আগে তিনি এসব কথা বলেছেন। বৃহস্পতিবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এ বৈঠকে অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। বৈঠকে অংশ নেবেন ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোগারেনি।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমালোচক। তিনি বলেন, আমাদেরকে দুটি জিনিস পরস্পর থেকে আলাদা করতে হবে আর তা হচ্ছে- ইরানের সঙ্গে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা এবং অন্যটি হচ্ছে- আঞ্চলিক ইস্যুতে ইরানের কঠিন ভূমিকা ও তেহরানের পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি।

ব্রাসেলস বৈঠকের আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভস লা দ্রিয়াঁর সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এতে তিনি বলেন, সব পক্ষকে পরমাণু সমঝোতা মেনে চলার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে এবং এ সমঝোতার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জোরালো ভূমিকা থাকা উচিত। বৈঠকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরমাণু সমঝোতার প্রতি সম্মান দেখাতে তার দেশের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫