সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলা রুখে দিল রাশিয়া
সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলা রুখে দিল রাশিয়া

সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলা রুখে দিল রাশিয়া

নয়া দিগন্ত অনলাইন

সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার বিমান ও নৌঘাঁটিতে উগ্র সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলার প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে রুশ সেনারা। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, শনিবার রাতে সন্ত্রাসীরা অন্তত ১৩টি ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার বিমান ও নৌ ঘাঁটির ওপর আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যে ১০টি ড্রোন সিরিয়ার উপকূলীয় প্রদেশ লাতাকিয়ার হেমেইমিম বিমানঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা করে। আর তিনটি ড্রোন তারতুস নৌ ঘাঁটিতে হামলার প্রচেষ্টা চালায়।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিরাপদ দূরত্বে থাকতেই বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোনগুলোকে শণাক্ত করা হয় এবং পানজির-এস ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাতটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। এছাড়া, রুশ ইলেক্ট্রেনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিটের সদস্যরা বাকি ছয়টি ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয় এবং সেগুলোকে নিচে নামিয়ে আনে। তবে এর মধ্যে তিনটি ড্রোন মাটিতে নামার সময় পড়ে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং তিনটি ড্রোন অক্ষত অবস্থায় ধরা হয়েছে। এ ঘটনায় রাশিয়ার কোনা ঘাঁটির ক্ষতি হয় নি বরং স্বাভাবিকভাবে কাজকর্ম চলছে।

সিরিয়ার সেনারা রাজধানী দামেস্কের কাছে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছে। ব্রিটেনভিত্তিক কথিত মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এ খবর দিয়েছে।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আহরার আশ-শাম গত নভেম্বর মাসে এ ঘাঁটিতে হামলা চালায় এবং ঘাঁটিটি অবরুদ্ধ করে রাখে। তবে সিরিয়ার এলিট ফোর্স বড় ধরনের অভিযান শুরুর কয়েকদিনের মধ্যে ঘাঁটিটি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হলো। ঘাঁটিটি দামেস্কের কাছে পূর্ব গৌতা এলাকায় অবস্থিত।

ধারণা করা হচ্ছিল- কমপক্ষে ২০০ সেনা ওই ঘাঁটির মধ্যে আটকা পড়েছিল এবং গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীরা ঘাঁটির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যাপক করে। সিরিয়ান অবজারভেটরি জানায়, একটি সুড়ঙ্গ পথে সেনারা ঘাঁটিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। পরে সরকারি সেনা ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষ শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে সেনারা ঘাঁটির দখল নিতে সক্ষম হয়। সংঘর্ষে বহু সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.