ঢাকা, বুধবার,১৭ জানুয়ারি ২০১৮

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

'লতা'র মতো বাড়েননি জাপানি নভোচারী

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১০ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ১৫:০৬ | আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ১৫:২০


প্রিন্ট
নরিশিগে কানাই (বামে) ছয় মাসের জন্য আন্তর্জাতিক মাহাকাশ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন

নরিশিগে কানাই (বামে) ছয় মাসের জন্য আন্তর্জাতিক মাহাকাশ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে তিন সপ্তাহ থাকার পর জাপানের একজন নভোচারীর উচ্চতা নয় সেন্টিমিটার বা ৩.৫ ইঞ্চি বেড়ে গেছে বলে যে তথ্য জানা গিয়েছিল, তা ভুল উল্লেখ করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন ওই নভোচারী।

নরিশিগে কানাই জানিয়েছেন, বস্তুত তার উচ্চতা বেড়েছিল দুই সেন্টিমিটারের মত। ভুলটিকে তিনি 'মাপজোখের ভুল' বলে বর্ণনা করেছেন।

এক টুইটে তিনি লিখেছেন, "এমন একটি ভুয়া খবর টুইট করার জন্য আমি খুবই দুঃখিত।"

কিন্তু মহাকাশে গিয়ে তার উচ্চতা নয় সেন্টিমিটার বাড়ার খবরে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়।

মহাকাশে যাওয়ার পর সাধারণত নভোচারীদের উচ্চতা গড়ে দুই থেকে পাঁচ সেমি বেড়ে যায়।

এর কারণ মহাকাশে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অভাবে মানুষের মেরুদণ্ডের হাড় প্রসারিত হয়। তবে পৃথিবীতে ফেরার পর সেই বাড়তি উচ্চতা কমে নভোচারী স্বাভাবিক উচ্চতায় ফিরে আসেন।

জাপানি ভাষায় করা টুইটে কানাই প্রথমে জানিয়েছিলেন, "সবাইকে সুপ্রভাত। আমি একটি বড় ঘোষণা দিতে চাই। মহাকাশে আমাদের উচ্চতা মাপা হয়েছে। ওয়াও, আমি নয় সেমি লম্বা হয়ে গেছি।"

"আমি যেন লতার মতো বেড়ে গেছি। স্কুলের পর এমন হয়নি। আমার ভয় হচ্ছে ফেরার সময় সয়্যূজে আমি আঁটবো কিনা।"

 

কিন্তু পরে তিনি আরেক টুইটে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে তার কমান্ডার অ্যান্টন শাকাপ্লেরভ তার উচ্চতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করনে।

এরপরই তিনি দ্রুত আরেকবার নিজের উচ্চতা পরিমাপ করেন। তখন দেখতে পান নিজের উচ্চতার চেয়ে মাত্র দুই সেন্টিমিটার বেড়েছেন তিনি।

নিজের টুইটে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে তিনি লিখেছেন, "এটি তাহলে একটি 'মাপজোখের ভুল'।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে ইতোমধ্যেই অনেক মানুষ বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন।"

উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত কোনো পিঠে ব্যথা নেই উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন এর আগে গলা এবং কাঁধে যে ব্যথা ছিল তাও এখন আর নেই।

তিনি জানিয়েছেন, এখন তিনি বেশ স্বস্তি পাচ্ছেন, কারণ এখন তিনি "ফেরার সময় সয়্যূজে ঠিকঠাক এঁটে যাবেন।"

নরিশিগে তানাই প্রথম কোনো জাপানি, যিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে গেলেন।

এর আগে তিনি জাপানের সমুদ্র প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন। - বিবিসি

 

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫