ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৬ এপ্রিল ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ধরা পড়ে গেলেন ট্রাম্প! (ভিডিওসহ)

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১০ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ১৩:২০ | আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ১৩:২৯


প্রিন্ট
শুধু ঠোঁট মেলানোর চেষ্টা করছিলেন ট্রাম্প

শুধু ঠোঁট মেলানোর চেষ্টা করছিলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছেন অথচ তিনি জানেন না দেশের জাতীয় সঙ্গীত! এমন এক ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি আটলান্টায় জর্জিয়া ও অ্যালাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল ম্যাচের আগে বাজানো হয় জাতীয় সঙ্গীত। সেখানে গানের কথায় ঠোঁট মিলিয়েছিলেন উপস্থিত প্রায় সবাই।

আয়োজকদের সাথে মাঠের মধ্যে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও গান গাইছিলেন; কিন্তু গানের কথা না জানায় সেই চেষ্টা যে তার সফল হচ্ছিল না, তা টিভি স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে মাঠে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শকের বুঝতে কষ্ট হয়নি।

তার পাশে যারা দাঁড়িয়ে গানে সুর মেলাচ্ছিলেন, তারাও খুব কাছ থেকেই বুঝতে পারেন গানের কথা আদতেই জানেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু ঠোঁট মেলানোর চেষ্টা করছিলেন।

ফলে ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, যার দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ভাগ্য, তার কিনা দেশাত্মবোধের এমন হাল? কারো কারো মতে, ট্রাম্পের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার এই নজির ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি’ বইটিকে পাঠকের কাছে আরো গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।

এখন দেখার বিষয়, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত না জানার বিষয়টিকে ট্রাম্প কিভাবে সামাল দেবেন!

দেখুন সেই ভিডিও -

 

এলসালভাদরের ২ লাখ অভিবাসীকে বহিষ্কারের নির্দেশ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্র সরকার সোমবার এলসালভাদরের প্রায় দুই লাখ অভিবাসীকে দেয়া বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া শিশু নিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত হাজার হাজার সালভাদর পরিবার দেশ ছাড়ার হুমকির মুখে পড়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টজেন নিলসেন মধ্য আমেরিকার এ দেশে বড় ধরনের দু’টি ভূমিকম্পের ঘটনায় ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সালভাদরের নাগরিকদের দেয়া ‘সাময়িক সুরক্ষা ব্যবস্থা’ (টিপিএস) তুলে নেয়ার ঘোষণা দেন।

যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য তারা ১৮ মাস সময় পাবেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এ নিয়ে সৃষ্ট আইনগত জটিলতা নিরসনে এ সময় যথেষ্ট। মধ্য আমেরিকার দেশ এলসালভাদরে ২০০১ সালে কয়েকদফা ভয়াবহ ভূমিকম্পে এক হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক কর্মসূচি ‘টেম্পোরারি প্রটেকটেড স্ট্যাটাস’ (টিপিএস)-এর আওতায় অবস্থানের সুযোগ পেয়েছিল ওই দেশের নাগরিকেরা। ২০০১ সাল পরবর্তী প্রায় ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এসে এলসালভাদোরের অবনতিশীল পরিস্থিতির বিবেচনায় তাদের জন্য টিপিএস বহাল রাখেন।

কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন সোমবার এলসালভাদোরের অভিবাসীদের জন্য এ সুরক্ষা বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দেশটিতে সেই ২০০১ সালের প্রাকৃতিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতি এখন আর নেই। ফলে টিপিএস’ও বন্ধ হতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর জন্য ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় ধার্য করেছে। এর মধ্যে তাদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে অথবা দেশটিতে থাকার বৈধ কোনো পথ খুঁজে নিতে হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের আগে হাইতি এবং নিকারাগুয়ার অভিবাসীদের জন্যও টিপিএস সুবিধা বাতিল করেছে।

১৯৯০ সালে টিপিএস কর্মসূচি চালু করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল সশস্ত্র সঙ্ঘাত, প্রাকৃতিক বিপর্যয় কিংবা মহামারীতে বিপর্যস্ত দেশগুলোর নাগরিকদের সুরক্ষা দেয়া। বিপর্যস্ত ওই সব দেশের নাগরিকেরা যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ বা অবৈধ যেভাবেই প্রবেশ করে থাকুক না কেন তাদের এ কর্মসূচির আওতায় দেশটিতে বসবাস করা এবং কাজ করার অনুমতি দেয়া হতো। টিপিএস কর্মসূচির শুরু থেকে ১০টি দেশের তিন লাখের বেশি মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হয়েছে। এর মধ্যে এলসালভাদোরের মানুষের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫