জা ম্বি য়া র রূ প ক থা

কালুলু খরগোশের টাকার চাষ

রূপান্তর : হাসান হাফিজ

(গত দিনের পর)

না হলে দু’জনেরই বারোটা বাজবে এবার। রক্ষা নেই। মোড়ল মশাই ভীষণ রাগী লোক। আস্ত রাখবে না আমাদের।
বউয়ের কানে কানে সে ফন্দিটা বলে দিলো।
বেশখানিকটা পর মোড়লের পাইক পেয়াদারা লাঠিসোটা নিয়ে হাজির। কালুলু সেটা টের পেয়ে গর্তের ভেতর সেঁধিয়ে পড়ে। সৈন্যরা বাইরে থেকে হাঁক দেয়,
কালুলু, জলদি বের হয়ে এসো। বারবার তুমি আমাদের ধোঁকা দিচ্ছো। এবার তোমার খবর আছে। আমরা তোমাকে ধরে নিয়ে যেতে এসেছি। সেটাই মোড়ল মশাইয়ের হুকুম। এবার মজা টের পাবে।
কালুলুর বউ কাঁদতে কাঁদতে বলে,
কালুলু তো এখন বাড়ি নেই। কোথায় গেছে বলেও যায়নি। আমার ছোট বাচ্চাটা ভীষণ অসুস্থ। তোমাদের হাঁক ডাক চিৎকারে সে মারাত্মক ভয় পেয়েছে। হায়, হায়। বাছা বোধহয় ভয়ে আতঙ্কে মরেই গেল।
এ কথা বলে খরগোশের বউ হাত-পা ছুড়ে বিলাপ করতে থাকে। সে কী মাতম! শুনলে পাথরও বুঝি গলে যায়।
(চলবে)

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.