গ্রুপ পর্বে আবাহনী প্লে-অফে সাইফ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

আরামবাগের সাথে মোহামেডানের ড্রই রাস্তা পরিষ্কার করে দেয়। বাকি ছিল আনুষ্ঠানিকতা। গত পরশু শেখ রাসেলের বিপক্ষে সাইফ স্পোর্টিংয়ের ২-১ গোলের জয় অবসান ঘটায় সব জল্পনা-কল্পনার। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ স্থান নিশ্চিত হওয়ায় সাইফ স্পোর্টিংই এখন এএফসি কাপে ঢাকা আবাহনীর সঙ্গী। তবে সাইফের পক্ষে চলমান লিগে আবাহনীকে টপকানো সম্ভব নয়। শিরোপার রেসে থাকা ঢাকার আকাশী-নীল শিবির লিগ টেবিলে সবার ওপরে। ২০ খেলায় ৪৮ পয়েন্ট তাদের। সাইফের ৩৮। দুই দলেরই আর দু’টি খেলা বাকি। ফলে লিগে সাইফের ওপরে থাকায় ২০১৮ এএফসি কাপের সরাসরি গ্রপ পর্বে খেলছে ঢাকা আবাহনী। বিপরীতে সাইফকে পার হতে হবে প্লে-অফ কোয়ালিফায়ার্স বা প্রিলিমিনারি রাউন্ড। ২৩ জানুয়ারি সাইফের প্রথম প্লে-অফ কোয়ালিফায়ার্সের ম্যাচ মালদ্বীপের টি সি স্পোর্টসের বিপক্ষে। এ খেলাটি হবে ঢাকায়। দুই দলের ফিরতি খেলা ৩০ জানুয়ারি মালদ্বীপে।

সাইফ ও টি সি স্পোর্টসের মধ্যে জয়ী দল ভুটানের ট্রান্সপোর্ট ইউনাইটেড ও ভারতের জে এস ডব্লিউ ব্যাঙ্গালুরু এফসির মধ্যকার ম্যাচে জয়ী দলের বিপক্ষে প্লে-অফ খেলবে। এই প্লে-অফ ১৩ ও ২০ ফেব্রুয়ারি। আর গ্রুপ পর্বে ঢাকা আবাহনী পড়েছে ‘ই’ গ্রুপে। তাদের প্রথম খেলা ৭ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। প্রতিপক্ষ মালদ্বীপের নিউ রেডিয়েন্ট ক্লাব। সাইফ কোয়ালিফাই করলে খেলবে ‘ই’ গ্রুপেই। ২০০৬ সালের পর আবার এএফসি কাপে খেলার সুযোগ হলো বাংলাদেশের দুই ক্লাবের। সেবার খেলেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও মোহামেডান। গত বছরও দুই দলের জন্য কোটা ছিল। কিন্তু শেখ জামাল না খেলায় শুধু ঢাকা আবাহনীই এ আসরে অংশ নেয়।

ঢাকা আবাহনী ও সাইফ উভয় দলেরই এএফসি কাপের ক্লাব লাইসেন্স আছে। লিগে উভয় দল সেরা চারে থাকা নিশ্চিত করায় ফেডারেশন কাপের হিসাব বিবেচনায় আসেনি। উল্লেখ্য, ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আবাহনী আগেই এএফসি কাপে খেলার টিকিট পেয়েছিল। লিগে তারা সেরা চারে থাকতে ব্যর্থ হলে তখন বিবেচনায় আসত ফেডারেশন কাপের সাফল্যটি। সে ক্ষেত্রে আবাহনীকে খেলতে হতো প্লে-অফ। চারে থাকলে সরাসরি গ্রুপে খেলত সাইফ বা মোহামেডান। মোহামেডান সব শেষ করেছে লিগের ফিরতি পর্বে খারাপ করে। তাদের পয়েন্ট ২৯।

‘ই’ গ্রুপের দু’টি দল এখনো চূড়ান্ত হয়নি। একটি আসবে সাইফ, টি সি স্পোর্টস, ব্যাঙ্গালুরু ও ট্রান্সপোর্ট ইউনাইটেডের মধ্য থেকে। অন্য সরাসরি খেলা দল কে হবে, ভারতের মোহনবাগান নাকি আইজল এফসি, সেটার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

প্লে-অফ কোয়ালিফায়ার্স জেতার জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছে সাইফ স্পোর্টিং। ক্লাবের এমডি ইঞ্জিনিয়ার নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, আমাদের ৮-১০ জন খেলোয়াড় ইনজুরিতে আছে। এদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো জামাল ভূঁইয়া, আল আমিন, শাকিল ও রাফি। এদের বিকল্প হিসেবে চট্টগ্রাম আবাহনী থেকে খেলোয়াড় নেয়া হবে। বিদেশীর বিষয়েও নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সবই ৭ জানুয়ারির পর।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.