ঢাকা, মঙ্গলবার,২৪ এপ্রিল ২০১৮

ঢাকা

কুলিয়ারচরে কাজে আসছে না ৩২ লাখ টাকার সেতু : দুর্ভোগে পথচারীরা

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

০৩ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ১৩:৫৯


প্রিন্ট

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নে সরকারের ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুটি সেতু সংযোগ সড়কের অভাবে কোনো কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। দুটি সেতু নির্মাণের ফলে পথচারীরা উল্টো দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, সেতু নির্মাণের আগে রাস্তা নির্মাণ হওয়ার দরকার ছিল। তা না করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস কর্তৃক সরকারি টাকা ব্যয়ে দুটি সেতু নির্মাণ করে। যা এলাকাবাসীর কোনো কাজেই আসছে না। সেতু নির্মাণ হওয়ার কারণে এই রাস্তা দিয়ে এলকাবাসীর যাতায়াতে বিঘœ ঘটছে।

জানা যায়, গত অর্থবছরের ৩০ জুন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস কর্র্তৃক উপজেলার উছমানপুর ডিসি রাস্তা হতে ছিনাইপুরী কুলিয়ারচর-বাজিতপুর রাস্তা পর্যন্ত রাস্তায় মুসলিম মিয়ার বাড়ির জমির পাশে ১৫ লাখ ৯১ হাজার ৭৬৮ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির দু’পাশে রাস্তায় সিটিউল অনুযায়ী মাটি ভরাট না করায় সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না।

সেতুটি নির্মাণের কাজ করে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স শহীদুল ইসলাম জেমস। এ ব্যাপারে শহীদুল ইসলাম জেমসের দায়িত্বে থাকা বিশম্বর বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কিছুদিনের মধ্যেই সেতুর দু’পাশে সংযোগ রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ শুরু করা হবে।

অপরদিকে একই ইউনিয়নের উছমাপুর ডিসি রাস্তা নয়নের দোকানের মোড় হতে রেললাইনের পাশে ঈদগাহ নিকট পর্যন্ত রাস্তায় ১৫ লাখ ৯১ হাজার ৭৬৮ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির দু’পাশে রাস্তায় সিডিউল অনুযায়ী মাটি ভরাট না করায় ওই সেতুটিও কোনো কাজে আসছে না।

এ সেতুটি নির্মাণের কাজ করে কুলিয়ারচর উপজেলার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সামিয়া এন্টারপ্রাইজ। এ ব্যাপারে সামিয়া এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার শাহ নবীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যতটুকু জায়গায় মাটি ভরাট হয়নি উক্ত জায়গায় মাটি ভরাটের কাজ কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে।

সেতুর দু’টির ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মাটি ভরাট না করার কারণে দু’টি সেতুর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়নি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫