ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৮ জানুয়ারি ২০১৮

নিত্যদিন

কিশোর মুসা রবিনের অভিযান

রকিব হাসান

০৩ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ০০:০০


প্রিন্ট

বিয়াল্লিশ.
কোনো বাড়ি পাবো কি না, যেখানে একটা টেলিফোন আছে। নাকি পুরো পাঁচ মাইল পথই আমাকে এই বৃষ্টির মধ্যে দৌড়ে তারপর শহরে পৌঁছতে হবে।
তবে ভাগ্য আবারো সহায় হলো। একটা ছোট পাকা বাড়ি চোখে পড়ল। সামনে অনেকখানি খোলা জায়গা। বুঝলাম, ওটা পেট্রলপাম্প। রাত বেশি হয়নি। তবু এত বৃষ্টির মধ্যে এ পথে কোনো যানবাহন চলাচলের সম্ভাবনা নেই বুঝে পাম্প বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঢুকে পড়লাম খোলা জায়গাটায়। টর্চের আলো পড়ল মুখে। বর্ষাতি গায়ে এগিয়ে এলো একজন দাড়িওয়ালা প্রৌঢ় লোক। নিশ্চয়ই পাম্পের দারোয়ান।
কিছুক্ষণ আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে প্রশ্ন করল, ‘কে তুমি? এই ঝড়-তুফানের মধ্যে এখানে কী করছ? কোনো বিপদে পড়েছ?’
লোকটার স্নেহমাখা কোমল কণ্ঠ মনে আশার সঞ্চার করল। বললাম, ‘আমার খুব বিপদ। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে এসেছি। আপনার কাছে মোবাইল ফোন আছে? একটা ফোন করব। খুব জরুরি।’
‘এসো, বারান্দায় এসো। এখানে বৃষ্টির মধ্যে কথা বলতে পারবে না।’
বারান্দায় উঠলাম। পকেট থেকে আমাকে মোবাইল ফোন বের করে দিলো লোকটা।
কাঁপা হাতে নম্বর টিপে কানে ধরলাম সেটটা। শঙ্কিত হয়ে ভাবছি, অচেনা নম্বর দেখে মুসা যদি না ধরে?
কিন্তু ধরল ও। ‘হ্যালো?’ ওর কণ্ঠ কানে যেন মধু বর্ষণ করল আমার।
‘মুসা!’ গুঙিয়ে উঠলাম। ‘আমি। জলদি এসে আমাকে নিয়ে যাও!’
‘রবিন? কোথায় তুমি?’
‘নটিংহ্যাম ভিলার বাইরে। তাড়াতাড়ি আসো। দেরি কোরো না।’
‘কোনো সমস্যা হয়েছে নাকি?’
(চলবে)

 

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
সকল সংবাদ

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫