‘গৎবাঁধা চিন্তাধারা মুসলিম নারীদেরকে দুনিয়া থেকে আলাদা করে রেখেছে’
‘গৎবাঁধা চিন্তাধারা মুসলিম নারীদেরকে দুনিয়া থেকে আলাদা করে রেখেছে’

‘গৎবাঁধা চিন্তাধারা মুসলিম নারীদেরকে দুনিয়া থেকে আলাদা করে রেখেছে’

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২০১৬ সালের ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় ২৩ বছর বয়সী রাশিয়ান নারী কাতিয়া কোতোভা প্রথমবারের মতো মস্কোর ক্যাথেড্রাল মসজিদে প্রবেশ করেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি দাগেসস্তানের একটি হালাল ক্যাফেতে একজন ওয়েট্রেস হিসাবে কাজ করছেন। 

কাতিয়া বলেন, ‘মস্কোতে আমি নিরাপদ বোধ করি। হিজাব পরিধান নিয়ে আমি ভীত নই। এটা ঠিক যে হিজাবের কারণে প্রায়ই আমাকে মৌখিক অপব্যবহারের শিকার হতে হচ্ছে, তবে কোনো ধরনের শারীরিক আগ্রাসনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। আপাতত মস্কো ছেড়ে যাবার কোনো পরিকল্পনা আমার নেই। ভবিষ্যতে যদি মস্কো ছেড়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেই, তবে আমি তাতারস্থানে যেতে চাই; যেখানে অনেক বেশি মুসলমানের বাস। সেখানে অনেক বেশি হিজাবি নারী এবং অনেক হালাল প্রতিষ্ঠান রয়েছে।’

কাতিয়া বলছেন, ইসলামে নারীরা মুক্ত। ইসলামের গৎবাঁধা চিন্তাধারা মুসলিম নারীদেরকে দুনিয়া থেকে আলাদা করে রেখেছে। তাদেরকে বাড়িতে পাখির খাঁচার মতো আবদ্ধ করে রাখছে। আর এটি করছে প্রথমত তাদের বাবা-মা এবং তারপর তাদের স্বামীরা।

তিনি বলেন, ইসলাম অনুযায়ী, একজন স্ত্রী যদি চায় তবে, সে বাইরে কাজ করতে পারে এবং তা অবশ্যই হালালের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। সেক্ষেত্রে তার স্বামী তাকে সমর্থন করতে বাধ্য। আমি মনে করি একজন নারীর উদ্দেশ্য হল তার পরিবারে শান্তি আনয়ন করা।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.