ঢাকা, বুধবার,১৭ জানুয়ারি ২০১৮

রংপুর

জমজ তিন বোনের চমক

দিনাজপুর সংবাদদাতা

০১ জানুয়ারি ২০১৮,সোমবার, ১৪:২৪


প্রিন্ট
জমজ তিন বোনের চমক

জমজ তিন বোনের চমক

দিনাজপুরে জেডিসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা তিন জমজ বোন পাস করেছে। জমজ তিন বোনের একসাথে পাস করার খবরে পরিবারে ও প্রতিবেশীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

তাদের মা ফাতেমা বেগম জানান, ছোট মেয়ে ফাইমা আকতার সাথী পেয়েছে জিপিএ ৪.৩৩, হেনা আফরিন রিভা পেয়েছে জিপিএ-৩ ও লেবেকা তাবাসুম লিজা পেয়েছে জিপিএ-৩.১১।

দিনাজপুর শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা মহল্লার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হবিবর রহমান ও ফাতেমা বেগমের জমজ তিন মেয়ে শহরের বালুবাড়ি বালিকা আলিয়া মাদরাসা থেকে এবার জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। সদর উপজেলার নুর জাহান কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে তাদের পরীক্ষ হয়।

নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা আমরণ অনশনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা পাঁচ দিন অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর গতকাল আমরণ অনশন শুরু করেছেন নন-এমপিও শিাপ্রতিষ্ঠানের শিক-কর্মচারীরা। জাতীয় প্রেস কাবের সামনে অনশনরত শিকেরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন। তারা বলেন, এমপিওভুক্ত শিাপ্রতিষ্ঠানের মতো নন-এমপিও শিা প্রতিষ্ঠানও একই নিয়মনীতিতে পরিচালিত হয়। এসব প্রতিষ্ঠান একই শিাক্রম, পাঠ্যক্রম ও প্রশ্নপদ্ধতি অনুসরণ করে। শিার্থীরাও বোর্ড থেকে একই মানের সনদ অর্জন করে। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানের শিকেরা বেতন পান না। তাদের একটাই দাবি, স্বীকৃতপ্রাপ্ত শিা প্রতিষ্ঠানের শিক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করতে হবে। অন্যথায় তারা ঘরে ফিরে যাবেন না।

গত পরশু শিক্ষামন্ত্রী অবস্থান ধর্মঘটরত শিক্ষকদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানালে শিক্ষক-কর্মচারীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ২৬ হাজার এমপিওভুক্ত শিাপ্রতিষ্ঠান আছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কম বেশি পাঁচ লক্ষাধিক শিক-কর্মচারী রয়েছেন। এর বাইরে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান আছে পাঁচ হাজার ২৪২টি।

এগুলোতে শিক-কর্মচারীর সংখ্যা ৭৫ থেকে ৮০ হাজার। ২০১০ সালে সর্বশেষ দফায় এক হাজার ৬২৪টি শিাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবিতে গত মঙ্গলবার থেকে জাতীয় প্রেস কাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন এসব প্রতিষ্ঠানের শিক-কর্মচারীরা। নন-এমপিও শিাপ্রতিষ্ঠান শিক-কর্মচারী ফেডারেশনের ডাকে এ কর্মসূচি চলছে। গত শুক্রবার ফেডারেশনের নেতারা বৈঠক করে রোববার থেকে অনশন কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেন।

নন-এমপিও শিাপ্রতিষ্ঠান শিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্য গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার নয়া দিগন্তকে বলেন, ২০১১ সাল থেকে সরকার শুধু আশ্বাসই দিচ্ছে। তাই এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রাণ গেলেও তারা অনশন থেকে সরবেন না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা চান তারা। অনশনে যোগ দিতে বিভিন্ন স্থান থেকে এক হাজারের বেশি শিক-কর্মচারী ঢাকায় আসছেন বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, টানা পাঁচ দিন আন্দোলন চালিয়ে গেলেও আমাদের দিকে কেউ মুখ তুলে দেখছেন না।

শিক-কর্মচারীরা নিজেদের অধিকার আদায়ে টানা পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পরও আমাদের দাবি আদায় হয়নি। তাই আজ থেকে আমরা আমরণ অনশন পালন করতে বাধ্য হয়েছি।

বিকেলে অনশনরত একাধিক শিক্ষকের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত থাকবে। এসব শিক্ষক বলেন, অনশন থেকে নেতারা চলে গেলেও আমরা ঘরে ফিরে যাবো না। কী নিয়ে ফিরব? ঘরে ফিরে সন্তান ও স্ত্রীকে কী জবাব দেবো? তাদের বলে এসেছি ঢাকা যাচ্ছি বেতন-ভাতা আনতে। এখন খালি হাতে ফিরে গেলে তাদের কী দিয়ে আশ্বস্ত করব? অনশন করে যদি জীবন যায় তা হলে লাশ হয়েই ঘরে ফিরব।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫