ঢাকা, বুধবার,১৭ জানুয়ারি ২০১৮

বরিশাল

কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

কুয়াকাটা সংবাদদাতা

৩১ ডিসেম্বর ২০১৭,রবিবার, ১৭:৩২


প্রিন্ট

নতুন বর্ষকে স্বাগত জানাতে কুয়াকাটার সৈকতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে।
রোববারের সকালে ঝলমল করে উঠা সকালের সূর্যই ২০১৭ সালের শেষ সূর্য। আর সন্ধ্যায় সূর্যি মামার পশ্চিমাকাশে অস্ত যাওয়ার মধ্যে দিয়ে বিদায় নেয় স্মৃতিময় ২০১৭ সাল। আর পাশাপাশি নতুন করে শুরু হচ্ছে ২০১৮ সালের পথ যাত্রা।
দুঃখ কষ্ট হাসি মাখা দিনগুলি ভুলে গিয়ে নতুন করে জীবন গড়া ও নতুন সূর্যকে স্বাগত জানানোর জন্য হাজার হাজার পর্যটক এখন কুয়াকাটায়। প্রতি বছর এ উপলক্ষে সাগরকন্যাখ্যাত কুয়াকাটায় সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয় উপভোগ করার জন্য সমাগম হয় দেশী-বিদেশী পর্যটক। আর এবারো তাই হয়েছে। স্থানীয় ও বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটক সমাগম কুয়াকাটার সৈকতে।

হাজার হাজার পর্যটক সমাগম হলেও নেই পর্যটকদের বিনোদনে উম্মুক্ত কনসার্ট। যেকারণে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের মাঝে তেমন কোন আনন্দ দেখা যাচ্ছে না। আগত পর্যটকরা বিনোদনবিহীন কাটাবে ২০১৭ সালের শেষ দিনটি। প্রথমশ্রেণী দু’একটি হোটেলে নিজস্ব ইনডোরে কিছু বিনোদনের ব্যবস্থা করলেও সেখানে বহিরাগত পর্যটকদের অংশগ্রহণ করা নিষেধ রয়েছে।

কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ মোতালেব শরীফ বলেন, শীতকালীন ছুটিকে সামনে রেখে কুয়াকাটা এখন লোকে লোকারণ্য।
সিকদার রিসোর্ট এন্ড ভিলাসের অপারেশন ম্যানেজার মোঃ গোলাম মোর্শেদ বলেন, এবার থার্টি ফাস্ট নাইট উপলক্ষে খোলা কনসার্ট করার অনুমতি না থাকায় আমরা আমাদের ইনডোরে কালচারাল প্রোগ্রামের আয়োজন করেছি। পাশাপাশি হোটেলের বাইরের গেস্টদের জন্য স্বল্পমূল্যে বারবিকিউ ডিনার যাতে তারাও অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারে।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বিধিনিষেধ থাকায় এবার কুয়াকাটায় কোনো ওপেন কনসার্ট করতে দেয়া যাবে না। তারপরও আইন- শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে আমরা সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত থাকব।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫