ঢাকা, বুধবার,১৭ জানুয়ারি ২০১৮

মতামত

এই সময়ের চ্যালেঞ্জ

মঈনুল আহসান

৩০ ডিসেম্বর ২০১৭,শনিবার, ১৭:১৫ | আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭,শনিবার, ১৭:৩৮


প্রিন্ট
এই সময়ের চ্যালেঞ্জ

এই সময়ের চ্যালেঞ্জ

বিশ্বজুড়ে আজ মানুষ মরছে পশুপাখির মতো। নির্যাতিত আর উৎপীড়িতের হাহাকারে যেন ফেটে পড়তে চাইছে আকাশ-বাতাস। সবচেয়ে মর্মান্তিক অবস্থা মুসলিম জনগোষ্ঠীর। বোধকরি, এ কারণেই নিশ্চুপ পুরো বিশ্ব। নির্বিকার জাতিসঙ্ঘ, নির্লিপ্ত সব পরাশক্তি। ভাবটা এমন যেন, মুসলমানদের কোনো দেশ থাকতে নেই। তারা থাকবে অন্যের অধীনে, অন্যের দয়ার ভিখারি হয়ে, থাকবে উদ্বাস্তু হয়ে। যাযাবরের মতো ঘুরবে দেশ দেশে আর মার খাবে পড়ে পড়ে, কিন্তু বলতে পারবে না কিছুই।

নির্মম এই মুসলিম নির্যাতনকে বিধিসম্মত করা হচ্ছে অতি চাতুর্যের সাথে। এ জন্য মুসলমানদের বানানো হচ্ছে সন্ত্রাসী। বর্বর প্রমাণ করতে তাদের নামে সুকৌশলে সৃষ্টি করা হচ্ছে বিভিন্ন উগ্র সংগঠন। এরা মুসলিম নামধারী, কিন্তু তাদের অর্থ ও অস্ত্রের উৎস ধূর্ত বিধর্মীরা। এদের দিয়েই বোমাবাজি ও সন্ত্রাস করিয়ে দায় চাপানো হচ্ছে পুরো মুসলিম জাতির উপর। এসবই এখন ওপেন সিক্রেট। এগুলো সুগভীর কোনো ষড়যন্ত্র চক্রের কারসাজি ছাড়া আর কিছু নয়। শুরুর দিকে রক্তাক্ত এই দমন-নিপীড়নের ক্ষেত্র ছিল মূলত ফিলিস্তিন আর কাশ্মির। সেই সাফল্যে উজ্জীবিত হয়েই বোধকরি মুসলিম নিধনক্রিয়া এখন প্রসারিত বিশ্বব্যাপী। এরই ধারাবাহিকতায় এখন নিয়মিতভাবে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে মুসলমানেরা। ইরাক, আফগান, লিবিয়া, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের মুসলমানরা আজ সর্বস্বান্ত। তার সাথে এখন যোগ হয়েছে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।

এসব যেন তেমন কিছুই না। মুসলমান মরলে যেন কিছুই যায়-আসে না। এদের যেন মরাই উচিত। মুসলমান হয়ে জন্মানোটাই যেন এদের আজন্ম পাপ। বাংলাদেশের অভ্যুদয়েও ঘটেছে একই ঘটনা, বসনিয়াতেও হয়েছে তা-ই। বিবিধ অজুহাতে মুসলমানদের রক্তক্ষয় আর সঙ্ঘাতকে উসকে দেয়া হয়েছে বারবার, এখনো হচ্ছে এবং তা দীর্ঘায়িতও করা হচ্ছে নিপুণ কৌশলে। রুয়ান্ডাও রক্তাক্ত হয়েছে সাম্প্রতিক সময়েই। মুসলিম দেশ না হয়েও তাকে পোহাতে হয়েছে অবিশ্বাস্য ভোগান্তি। মাত্র তিন মাসে সেখানে ১০ লাখ লোককে জবাই করে পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছে নগরপ্রান্তর কিন্তু নড়েনি জাতিসঙ্ঘ। তাকে নড়তে দেয়নি বিশ্ব মুরব্বিরা। কারণ সেখানে তাদের কারোরই কোনো স্বার্থ ছিল না। অনর্থক সম্পদ খোয়াতে কেউই রাজি হয়নি সেখানে যেতে।

এসব প্রমাণ করে যে, বিশ্বসঙ্ঘ আসলে একটা জি হুজুর সংস্থা মাত্র। বিশ্ব মাস্তানদের তল্পীবহনই তার জন্মগত আদর্শ ও দর্শন। তার মূল কাজ হলো এসি ঘরে বসে জগতের তামাসা দেখা আর বসরা যা বলে তাতেই জি জাঁহাপনা বলা। অতঃপর অতি দক্ষতার সাথে এমনভাবে বসদের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করা, যাতে সেই তৈলাক্ত বাঁশ বিশ্বসভ্যতা ধারণ করতে সক্ষম হয় আরামের সাথে, কোনো ব্যথা-বেদনা ছাড়াই। অথচ এটাই সেই সঙ্ঘ যা কি না গড়া হয়েছিল দুনিয়ার বুকে সঙ্ঘাত ঠেকাতে, মানুষের রক্তপাত আর কান্না বন্ধ করতে।

মাথারই যখন এ অবস্থা, তখন দেহ আর ভালো থাকে কিভাবে? তাই এর সদস্য দেশগুলোতেও চলছে একই রকম যথেচ্ছাচার। ‘জনগণই ক্ষমতার উৎস’ স্লোগানের আড়ালে আমজনতাকে প্রতারিত করা হচ্ছে দেশে দেশে, প্রকাশ্যে। জনতার দোহাই দিয়ে পর্দার আড়ালে হচ্ছে ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা, ভোটের আগেই নিশ্চিত হচ্ছে নির্ধারিতদের গদি। আর নিরীহ জনগণকে তা দেখতে হচ্ছে নীরবে। সব জেনে-বুঝেও তারা বলতে পারছে না কিছুই, কারণ রসুনের গোড়ার মতো সব জালিয়াতের গোড়াও একই জায়গায়, জগতের মাস্তানদের হাতে। জাতিসঙ্ঘের মতোই তাদেরও ক্ষমতার উৎস বিবিধ সব সাংবিধানিক ‘রাবার স্ট্যাম্প’ যা ব্যবহার করে দিনকে রাত বললেও সেটাই মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে সবাই। কারণ, সেটাই আইন। সেভাবেই লেখা হচ্ছে সংবিধান, সেভাবেই হচ্ছে আইনের ব্যাখ্যা।

এমন ভোটাভুটির গণতন্ত্রই সাদ্দাম-গাদ্দাফিকে ক্ষমতায় রেখেছিল যুগের পর যুগ। ক্ষমতায় রেখেছিল হোসনি মোবারক আর রবার্ট মুগাবেদের। ক্ষমতায় রেখেছে সৌদি শাহানশাহকে। সেই তন্ত্রই চলছে জগতজুড়ে। এই তন্ত্রের মূল কথাই হলোÑ ‘ক্ষমতা আমার এবং শুধুই আমার’ তা ভোটের বাক্সে যা-ই থাকুক না কেন। ভোটার ছাড়াও বাক্স উপচে পড়ে এই তন্ত্রে। এখানে বিচিত্র উপায়ে উল্টে ফেলা হয় মসনদ, উদ্ভব হয় ‘মিসর ও বাংলাদেশ মার্কা গণতন্ত্রে’র আর আবির্ভূত হয় সেই ‘তন্ত্রে’র নিত্যনতুন রক্ষকেরা। সামরিক একনায়কও এই ‘তন্ত্রে’র নায়কদের কাছে যেন নস্যি। এদেরও পার্লামেন্ট থাকে। ‘জি-জাঁহাপনা’ বলে মুখ ফেনায়িত করাই সেই পার্লামেন্টের একমাত্র কাজ। সেরকম ‘অভিজ্ঞরাই’ শুধু হতে পারে সেই পার্লামেন্টের সদস্য। সেখানে এমনও ‘স্বরচিত সদস্য’ থাকতে পারে, যার নামও হয়তো দেশবাসী শোনেনি কোনো কালে। থাকতে পারে এমন ‘নরখাদক সদস্য’ও যার বংশ ঐতিহ্যই হয়তো মানুষের রক্ত পান। পরম পরিতাপ ও আতঙ্কের বিষয়, পদাধিকার বলে এরাই হচ্ছে দেশের আইনপ্রণেতা, দেশের হর্তাকর্তা। তাই এদের অধীনেই কাজ করতে হচ্ছে দেশের অতি প্রশিক্ষিত জাঁদরেল সব আমলা, শিক্ষক, আদালত আর সামরিক কর্তাকে। পরিণতি হিসেবে জীবন হাতে ছুটতে হচ্ছে বিচারপতিদের, দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে ড: মুহম্মদ ইউনূসেরা আর চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তারা বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত হিতৈষীদের অবদান থেকে। এ এক মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি।

এমন ‘গণতন্ত্র’ আসলে ‘মেষের পোশাক পড়া নেকড়েতন্ত্র’ মাত্র। অথচ এদেরই লালন করে চলেছে আজকের জাতিসঙ্ঘ ও বিশ্ব গণতন্ত্রের মুরব্বিরা। ইচ্ছা করলেই এরা পারে এসব নেকড়েদের রুখতে, সেই ক্ষমতাও তাদের পুরোপুরিই আছে। কিন্তু নেই শুধু ঈমানের সততা, যা কি না অত্যাবশ্যক যেকোনো মহৎ কাজের জন্য। এ অবস্থায় অনেক পুরনো সঙ্গারই আশু পরিবর্তন আজ যেন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। গণতন্ত্রের ব্যাখ্যা ও মানবতার ধারণা পাল্টাতে শুরু করেছে এরই মধ্যে, সভ্যতাও চলতে শুরু করেছে উল্টো পথে।

এমন কলুষিত শাসক ও শাসনব্যবস্থার সামান্য স্পর্শই যথেষ্ট পুরো জগতসংসারকে অপবিত্র করার জন্য। এ কারণেই আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের শুরুতেই ‘সব মানুষ সমান (All men are created equal)’ লেখা থাকার পরও সেখানেই পদে পদে দেখা যাচ্ছে মর্মন্তুদ বৈষম্য। এদের টাকা-পয়সাজুড়ে ‘স্রষ্টার উপর বিশ্বাসের (In God we trust)’ কথাও লিখা আছে বড় হাতের হরফে কিন্তু তার চিহ্ন মাত্র দেখা যাচ্ছে না নেতাদের কাজকর্মে। বরং যে ধর্মগ্রন্থ হাতে তারা শপথ নিচ্ছেন, তার বিরোধিতাতেই শুরু করছেন দিন। যেমন করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ওবামা, শপথের পরপরই সমকামিতাকে সমর্থন করেছিলেন দীপ্তকণ্ঠে, যা ছিল বাইবেলের স্পষ্ট পরিপন্থী।

এদের কাছ থেকে বস্তুত জগতের সহজতম সত্যটাও আশা করা বৃথা। কারণ এই ‘তন্ত্রে’ ক্ষমতাই মোক্ষ, তাই ভোট বাড়ানোর দিকেই থাকে লক্ষ্য, এমনকি তা সরল-সত্য পথ বিকিয়ে হলেও। এ জন্যই এদের হাতে পড়ে ধর্মনিরপেক্ষতার অনুপম বাণীও আজ কেঁদে ফিরছে পথেঘাটে। নিরপেক্ষতার নামে দুনিয়াজুড়ে চলছে চরম ধর্মহীন উন্মত্ততা। ভিত্তিহীন ধর্মের নামে মানুষের খাবার থালাকে পর্যন্ত সরকারিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এখন। একের ধর্মীয় রীতিনীতি অন্যকে মানতে বাধ্য করা হচ্ছে শক্তি দিয়ে। এতে মানুষের অধিকারই শুধু দলিত হচ্ছে না, বরং নির্বিচারে জীবনও দিতে হচ্ছে তাদের। সেই জীবনটাও নেয়া হচ্ছে পিটিয়ে মারার মতো ভয়াবহ বীভৎসতার সাথে এবং তা করা হচ্ছে কথিত ধর্মেরই দোহাই দিয়ে। অথচ মুখে ফুটছে ধর্মনিরপেক্ষতার মহান বাণী। কি জঘন্য প্রতারণা, কি নির্লজ্জ মিথ্যাচার।

মানবতা আর নিরপেক্ষতার বর্তমান এই দুরবস্থার জন্য দায়ী মানুষ নিজেই, অন্য কেউ নয়। সব ডাকাতেরই লক্ষ্য থাকে লুটপাটের দিকে, খুনির থাকে রক্তের নেশা। এরা নিষ্পাপ ফুলকেও পিষে মারতে পারে নির্দ্বিধায়, তাদের জন্য সেটাই স্বাভাবিক। তাই ফুল রক্ষায় তাদের নয়, চাই সুন্দর মনের মানুষ, যারা বোঝে সৌন্দর্য, জানে পবিত্রতার মাহাত্ম্য। তেমন চেতনার অধিকারী হতে পারে শুধু শক্ত ঈমানের প্রকৃত মুসলমানেরাই, অন্য কেউ নয়। সভ্যতার ইতিহাস সে কথাই বলে।

কিছুকাল আগেও বিশ্ব ছিল ব্যাপকভাবে মুসলিমশাসিত, মূলত মুসলিম দর্শনে দীক্ষিত। সেই দীক্ষায় ভোটের কাছে নীতি-নৈতিকতা বিকিয়ে দেয়ার কোনো সুযোগ ছিল না কখনো। তাই একজন প্রকৃত মুসলিমশাসকের হাতে কখনো ধ্বংস হয়নি কারো কোনো অধিকার। তারা কখনো কাউকে পিটিয়ে মারেনি শুয়োর খাওয়ার অপরাধে। তাদের দ্বারা কখনো হয়নি অন্য ধর্মের অবমাননা বা অবদমন। বস্তুত তারাই ছিল প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ আর এ কারণেই বিশ্বের বুকে এখনো টিকে আছে মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডা। মুসলমানরা রক্ষা না করলে অন্য ধর্মের অস্তিত্ব থাকত না এই দুনিয়ায়।

মুসলমানরা রক্ষা করে থাকে অন্যের ধর্মকেও। কারণ, তেমন কার্যকর ধর্মনিরপেক্ষতার কথাই বলেন বিশ্বস্রষ্টা মহান আল্লাহ পাক, যা কিনা ইসলামি আদর্শ ও দর্শনের অন্যতম ভিত্তি। অতি কঠোর ভাষায় নির্দেশ দেয়া হয়েছে অন্যের ধর্মকে সম্মান করতে, ভিন্নধর্মীদের সুরক্ষা দিতে (মুসলিম ও আবু দাউদ শরিফের সংশ্লিষ্ট হাদিস দ্রষ্টব্য)। এটি প্রতিটি মুসলমানের জন্য অবশ্যই কর্তব্য। শুধু বক্তৃতাবাজি করে, মুখে সুন্দর কথার খৈ ফুটিয়ে আর কোরাস গেয়ে সেই দায়িত্ব শেষ করার কোনো শর্টকাট রাস্তা নেই মুসলমানদের জন্য। কারণ, প্রতিটি মুসলমান তার কাজকর্ম এমনকি কথাবার্তার জন্যও আল্লাহ পাকের কাছে দায়বদ্ধ। এমন কঠিন ধরপাকড়ের ব্যবস্থা ছাড়া শুধুই মুখের বুলিতে দুনিয়াকে ধর্মনিরপেক্ষ করার ভাবনা নিতান্তই কল্পনাবিলাস মাত্র। আর তাই প্রকৃত মুসলিম শাসন ছাড়া অন্য কোনোভাবেই সম্ভব নয় বিশ্বের বুকে সব ধর্মের অধিকার নিশ্চিত করা।

একজন প্রকৃত মুসলমান কখনো মিথ্যা বলে না, ভণ্ডামি করে না। তার পক্ষে সম্ভব নয় আইনের বাইরে যাওয়া, বেআইনি হওয়া। তাই তাদের হাতে মানুষ কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, জনতার অধিকার তারা তসরুফ করতে পারে না। এমন স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা দিতে পারে না অন্য কোনো শাসনব্যবস্থা। তাই আজকের জগতপ্লাবী সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় বিশ্বের বুকে সত্যিকারে মুসলিম শাসন। তবে সেই শাসনের আশু কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এ কালের প্রায় সব মুসলিম শাসকই মূলত শুধু নামেই মুসলিম, প্রকৃত বিবেচনায় তারা বস্তুত অমুসলিমদেরই ক্রীড়নক, তাদেরই তল্পীবাহক মাত্র। মুসলমানদের মধ্যে এরা এমনভাবে ছড়িয়ে রেখেছে বিষাক্ত বিভেদের বীজ যে, এ অবস্থায় প্রকৃত মুসলিম শাসনের সম্ভাবনা নিতান্তই সুদূরপরাহত। ব্যতিক্রম শুধু ইরান ও তুরস্ক। যদিও সর্বগ্রাসী ষড়যন্ত্রের জালে এরা বাঁধা পড়ে আছে। এদের জন্য টিকে থাকাটাই এখন মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। ঘটনা এমনই ঘটেছে কালের পর কাল, যুগের পর যুগ ধরে। বহুমুখী বিভক্তি আর ষড়যন্ত্রের কারণে প্রকৃত ঈমানদার মুসলমানরা ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমতায় যেতে পারেনি, যতক্ষণ না হস্তক্ষেপ করেছেন আল্লাহ পাক স্বয়ং। অসহায় গণমানুষের সহায় শুধুই এক আল্লাহ।

লস এঞ্জেলস থেকে

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫