সাউদাম্পটনের ডিফেন্ডার ভারজিল ফন ডিকেকে
সাউদাম্পটনের ডিফেন্ডার ভারজিল ফন ডিকেকে

ট্রান্সফার রেকর্ড গড়লেন ডিকেকে

নয়া দিগন্ত অনলাইন

সাউদাম্পটনের ডিফেন্ডার ভারজিল ফন ডিকেকে বুধবার রেকর্ড ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ডের (১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৮৪ মিলিয়ন ইউরো) বিনিময়ে দলে ভিড়িয়েছে লিভারপুল।

একজন ডিফেন্ডার হিসেবে এটা একটি বিশ্ব রেকর্ড। আর এর মাধ্যমে তারকা এই ডাচম্যান বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ট্রান্সফারের তালিকায় শীর্ষ ১০’এ জায়গা করে নিয়েছেন।

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ট্রান্সফার :

১. নেইমার, বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেই, ২০১৭, ২০৬.৬ মিলিয়ন পাউন্ড

২. ওসমানে ডেম্বেলে, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে বার্সেলোনা, ২০১৭, ৯৬.৯ মিলিয়ন পাউন্ড

৩. পল পগবা, জুভেন্টাস থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড,২০১৬, ৮৯ মিলিয়ন পাউন্ড

৪. গ্যারেথ বেল, টটেনহ্যাম থেকে রিয়াল মাদ্রিদ, ২০১৩, ৮৫.৩ মিলিয়ন পাউন্ড

৫. ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ম্যান ইউ থেকে রিয়াল মাদ্রিদ, ২০০৯, ৮০ মিলিয়ন পাউন্ড

৬. গঞ্জালো হিগুয়েইন, নাপোলি থেকে জুভেন্টাস, ২০১৬, ৭৫.৩ মিলিয়ান পাউন্ড

৭. রোমেলু লুকাকু, এভারটন থেকে ম্যান ইউ, ২০১৭, ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড

৮. ভারজিল ফন ডিক, সাউদাম্পটন থেকে লিভারপুল, ২০১৮, ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড

৯. লুইস সুয়ারেজ, লিভারপুল থেকে বার্সেলোনা, ২০১৪, ৬৫ মিলিয়ান পাউন্ড

১০. হামেস রদ্রিগেজ, মোনাকো থেকে রিয়াল মাদ্রিদ, ২০১৪, ৬৩ মিলিয়ন পাউন্ড

টানা ১৮তম জয় পেল সিটি

রাহিম স্টার্লিংয়ের একমাত্র গোলে বুধবার নিউক্যাসেলকে পরাজিত করে প্রিমিয়ার লীগে টানা ১৮তম জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। আর এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের থেকে ১৫ পয়েন্টের সুস্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে গেল সিটিজেনরা। শিরোপা দৌড়ে পেপ গার্দিওলার দল নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই যে বেশ খানিকটা এগিয়ে রয়েছে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

৩১ মিনিটে ইংলিশ মিডফিল্ডার স্টার্লিং জয়সূচক গোলটি করেন। সিটিজেনদের এই জয়ে মঙ্গলবার বার্নলির সাথে কোনরকমে ড্র করা ম্যান ইউ শিরোপা দৌড় থেকে আরো পিছিয়ে পড়লো। ২০১৩-১৪ সালে গার্দিওলার অধীনেই বায়ার্ন মিউনিখ ইউরোপে পাঁচটি বড় লীগে একমাত্র ক্লাব হিসেবে টানা ১৯টি জয়ের রেকর্ড গড়েছিল। আগামী ৩১ ডিসেম্বর ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ম্যাচে জয়ী হতে পারলে সিটি সেই রেকর্ড স্পর্শ করতে পারবে। এছাড়া অপরাজিত সিটি ইংল্যান্ডের শীর্ষ লীগে টানা ১১টি এ্যাওয়ে ম্যাচে জয়ী হয়ে ২০০৮ সালে চেলসির রেকর্ডকেও স্পর্শ করেছে। একমাত্র দল হিসেবে এভারটনই চলতি মৌসুমে সিটির কাছ থেকে এক পয়েন্ট নিতে সমর্থ হয়েছে।

গতকাল ঘরের মাঠ সেন্ট জেমস পার্কে লম্বা সময় ধরে নিউক্যাসেলের ১১জন খেলোয়াড়ই নিজেদের রক্ষণভাগ সামলাতে ব্যস্ত থাকলেও শেষ পর্যন্ত আর পেরে উঠেনি। সুযোগ সন্ধানী স্টার্লিংকে আটকানোর সামর্থ্য ছিলনা নিউক্যাসেলের। এই নিয়ে গত তিন ম্যাচে সিটির হয়ে চতুর্থ গোল করলেন ২৩ বছর বয়সী এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। যদিও বিরতির আগেই বেশ কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়া করেছে সফরকারীরা। বিশেষ করে আর্জেন্টাইন তারকা সার্জিও আগুয়েরো হ্যাটট্রিকের সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন। ফার্নানদিনহোর পাস থেকে গোলপোস্টের খুব কাছ থেকে আগুয়েরোর ভলি পোস্টে লেগে ফেরত আসে। কেভিন ডি ব্রুয়েনের ফ্রি-কিক থেকে আগুয়েরোর হেড দুর্দান্ত ভঙ্গিমায় রক্ষা করেন নিউক্যাসেল গোলরক্ষক রব এলিয়ট। এছাড়াও আরো বেশ কয়েকবার এলিয়টের দক্ষতায় ডেডলক ভাঙ্গতে পারেনি গার্দিওলার দল।

তবে ৩১ মিনিটে ডি ব্রুয়েনের লফটেড পাস থেকে স্টার্লিংয়ের লো শট আর আটকাতে পারেনি এলিয়ট। কিছুক্ষণ পরে ইংলিশ ফুল-ব্যাক কাইল ওয়াকারের ভুলে জোসেলু নিউক্যাসেলের পক্ষে সমতা আনতে ব্যর্থ হন।

স্বাগতিকরা পুরো ম্যাচেই তেমন কোন সংঘবদ্ধ আক্রমণ গড়তে পারেনি। তার উপর তাদের নেতিবাচক কৌশল দলকে ঘরের মাঠে টানা পঞ্চম পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ দিয়েছে। সেন্ট জেমস পার্কে ৬৪ বছরে ক্লাবের সবচেয়ে বাজে পারফরমেন্সে নিউক্যাসেল এখন রেলিগেশন জোন থেকে মাত্র এক পয়েন্ট উপরে রয়েছে।

ম্যাচের ১১ মিনিটেই দীর্ঘদিনের কাফ পেশীর সম্যায় আবারো অধিনায়ক ভিনসেন্ট কোম্পানীর মাঠ ত্যাগ ছিল সিটিজেনর জন্য একমাত্র দুঃশ্চিন্তার বিষয়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.