ঢাকা, বুধবার,১৭ জানুয়ারি ২০১৮

চট্টলা সংবাদ

‘মানবিক চেতনা জাগ্রত করাই ছিল সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর জীবনদর্শন’

চট্টগ্রাম ব্যুরো

২৮ ডিসেম্বর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

মাইজভাণ্ডার গাউসিয়া হক মনজিলের সাজ্জাদানশীন সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী বলেছেন, ভোগবাদিতা ও আত্মমুখিতা ছেড়ে মানুষের প্রতি কর্তব্যনিষ্ঠ হওয়া ও মানবিক চেতনা জাগ্রত করার দিকনির্দেশনাই প্রদান করে গেছেন সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)। জীবনভর তিনি মানুষের সেবা ও কল্যাণে নিবেদিত ছিলেন। মানবপ্রেম, দয়া, ভালোবাসা, মহানুভবতা, ত্যাগ ও বিনয় ছিল তার চারিত্রিক ভূষণ। ওই মানবিক গুণ রপ্ত করতে পারলে জীবনে শান্তি ও সুখ ধরা দেবে। গত ২৪ ডিসেম্বর সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর (ক.) ৮৯তম খোশরোজে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ আয়োজিত খোশরোজে বিশাল র‌্যালি নিয়ে গাউসিয়া হক কমিটি খণ্ড খণ্ড মিছিলসহ খোশরোজ শরিফে অংশগ্রহণ করে। বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল ছাড়াও দেশের দূর-দূরান্ত থেকে লাখো ভক্ত খোশরোজে অংশ নেন।
খোশরোজে সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী বলেন, পাশবিক চেতনা দমন, মানবতা ও মনুষ্যত্ববোধের চেতনা লালন, লোভ-স্বার্থবাদিতা ও অহঙ্কারের মতো মানবীয় দুর্বলতা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে নিজেকে আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা মানুষ হিসেবে পরিচয় দেয়া অর্থহীন হয়ে দাঁড়াবে।
খোশরোজ মাহফিলে অতিথি ও আলোচক ছিলেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব মাওলানা কারী সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মিনহাজুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল নর্থ হ্যাম্পটন ইউকের পরিচালক শাইখ সাইফুল আযম বাবর আল-আযহারী, মাওলানা মুহাম্মদ নজমুল হোসাইন নঈমী।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫