সংসদ ভেঙে দিয়েই আগাম নির্বাচন সম্ভব
সংসদ ভেঙে দিয়েই আগাম নির্বাচন সম্ভব

সংসদ ভেঙে দিয়েই আগাম নির্বাচন সম্ভব

ইকতেদার আহমেদ

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আমাদের দেশে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি সংসদের বৈঠক অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি আগে সংসদ ভেঙে না দিয়ে থাকলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পাঁচ বছর অতিবাহিত হলে সংসদ ভেঙে যায়। মেয়াদ অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে দিতে হলে রাষ্ট্রপতির স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া রাষ্ট্রপতিকে সংসদ ভেঙে দেয়ার জন্য লিখিতভাবে পরামর্শ দেয়ার পর রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।

আমাদের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পরবর্তী সংসদ নির্বাচন বিষয়ে যে বিধান প্রবর্তিত হয়েছে তাতে উল্লেখ রয়েছে- মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভেঙে যাওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এবং মেয়াদ অবসান ছাড়া অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভেঙে যাওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উপরোল্লিখিত বিধানের পূর্বে সংসদ নির্বাচন বিষয়ে যে বিধান ছিল তাতে বলা ছিল- মেয়াদ অবসানের কারণে অথবা মেয়াদ অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনকালীন এ বিধানটি কার্যকর হয়।

সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী প্রবর্তন আগের সংসদের সাধারণ নির্বাচন বিষয়ে যে বিধান ছিল তা এ বিষয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী প্রবর্তন পরের প্রবর্তিত বিধানের অনুরূপ। সংবিধান প্রণয়নকালীন ৭২’র সংবিধানে প্রবর্তিত এ বিধানটি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী কার্যকর আগের ছয়টি সংসদের কোনোটিই মেয়াদ পূর্ণ করতে না পারার কারণে কার্যকর হতে দেখা যায়নি।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর পরে অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচন সংসদ তার নির্ধারিত মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ করবে এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে সংসদ বহাল থাকাবস্থায় অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ নির্বাচন বিষয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সর্বশেষ প্রবর্তিত বিধান কার্যকর থাকলে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন দশম সংসদ নির্বাচনের মতো সংসদ বহাল রেখে অনুষ্ঠিত হবে।

দশম সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল না। নবম সংসদের প্রধান বিরোধী দল দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। নবম সংসদের মাধ্যমে যে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করা হয়, তাতে তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সম্মত ছিল না। দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানকালীন যে গোলযোগ ও সহিংসতা হয় তা ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানকালীন গোলযোগ ও সহিংসতার অনুরূপ। এ দু’টি নির্বাচনের মধ্যে পার্থক্য হলো প্রথমোক্তটি কলুষতাপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সংসদ তার মেয়াদ পূর্ণ করতে যাচ্ছে, অপর দিকে শেষোক্তটি কলুষতাপূর্ণ এ বিষয়টি তৎকালীণ ক্ষমতাসীন বিএনপি মেনে নিয়ে ওই সংসদের মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন করে সংসদ ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ সুগম করে।

জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে হলে সবার আগে যে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন তা হলো, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর জন্য সমসুযোগ। সংবিধানের বর্তমান ব্যবস্থায় নির্ধারিত সময়ে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দশম সংসদে নির্বাচিত সদস্যরা সংসদ সদস্য পদে বহাল থাকা অবস্থায় নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হবেন। সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী একজন ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে বহাল থাকা অবস্থায় নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হলে সংসদ সদস্য হিসেবে তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় আগের প্রভাবকে অনেকটা অক্ষুণœ রেখে তার পক্ষে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো সম্ভব। এরূপ নির্বাচনে একজন প্রার্থী তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলে সেটি কখনো সমসুযোগ নিশ্চয়তা দেয় না। আর যে নির্বাচনে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য সমসুযোগ অনুপস্থিত, তা কখনো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেয় না।

একজন ব্যক্তিকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হলে যেসব অযোগ্যতা থেকে মুক্ত থাকতে হয় তার অন্যতম হলো- আইন দিয়ে পদধারীকে অযোগ্য ঘোষণা করছে না এমন পদ ছাড়া প্রজাতন্ত্রের কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকা। সংবিধানের অযোগ্যতা নির্ধারণকারী এ অনুচ্ছেদটিতে প্রজাতন্ত্রের যেসব পদ লাভজনক হওয়া সত্ত্বেও আইন দিয়ে পদধারীকে অযোগ্য ঘোষণা করছে না এমন পদগুলো হলো- রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী। এ অনুচ্ছেদটিতে স্পষ্টভাবে সংসদ সদস্যের পদকে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদ হিসেবে আখ্যায়িত না করলেও এ পদটি যে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদ সে বিষয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মধ্যে বিতর্ক চলমান।
আমাদের সংবিধানের কোথাও লাভজনক পদের ব্যাখ্যা দেয়া না হলেও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধনী এনে অনুচ্ছেদ ১২-এ লাভজনক পদ বিষয়ে বলা হয় ‘লাভজনক’ পদ অর্থ- প্রজাতন্ত্র বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ বা সরকারি শতকরা ৫০ শতাংশ বা তদোর্ধ্ব শেয়ার রয়েছে এরূপ পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে সার্বক্ষণিক বেতনভুক্ত পদ বা অবস্থান।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯; স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এ লাভজনক পদের যে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে তা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুরূপ। কিন্তু স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) অধ্যাদেশ, ২০০৮ এর লাভজনক পদের ব্যাখ্যায় ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এখানে বলা হয়েছে ‘লাভজনক’ পদ অর্থ প্রজাতন্ত্র কিংবা সরকারি সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষ কিংবা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে বেতন, সম্মানী কিংবা আর্থিক বা অন্য কোনোভাবে সুবিধা পাওয়া লাভজনক পদ বা অবস্থান। স্পষ্টত শেষোক্ত ব্যাখ্যায় বেতন ছাড়া সম্মানী বা আর্থিক অথবা অন্য কোনোভাবে সুবিধা পাওয়াকে লাভজনক বলা হয়েছে। যদিও সাধারণ অর্থে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদ বলতে এমন সব পদধারীকে বোঝায়- যারা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা ও সম্মানী নিয়ে থাকেন। এ অর্থে সব গণ-কর্মচারী (পাবলিক সার্ভেন্ট) প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত মর্মে গণ্য।

উল্লেখ্য, আমাদের সংসদ সদস্যরা ভ্রমণভাতা, আবাসন সুবিধা, করযুক্ত গাড়ি আমদানির সুযোগ প্রভৃতি ছাড়াও প্রতি মাসে অন্যান্য যেসব বেতন-ভাতা ও সম্মানী পেয়ে থাকেন তার পরিমাণ লক্ষাধিক টাকা।
আমাদের সংবিধানে বলা হয়েছে ‘প্রজাতন্ত্রের কর্ম’ অর্থ- অসামরিক বা সামরিক ক্ষমতায় বাংলাদেশ সরকার সংক্রান্ত যেকোনো কর্ম, চাকরি বা পদ এবং আইনের মাধ্যম্যে প্রজাতন্ত্রের কর্ম বলে ঘোষিত হতে পারে, এরূপ অন্য কোনো কর্ম। অপর দিকে, ‘সরকারি কর্মচারী’ অর্থ প্রজাতন্ত্রের কর্মে বেতনযুক্ত পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তি। সংবিধানে উল্লিখিত সরকারি কর্মচারীকে ইংরেজিতে বলা হয়েছে পাবলিক অফিসার। সংবিধানে উল্লিখিত পাবলিক অফিসার এবং দণ্ডবিধির ২১ নম্বর ধারায় উল্লিখিত পাবলিক সার্ভেন্ট একটি অপরটির সমার্থক কি না সে বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে।

দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত পাবলিক সার্ভেন্ট ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। দণ্ডবিধিতে অপরাধ হিসেবে উল্লিখিত উৎকোচ গ্রহণ, সম্পত্তি আত্মসাৎ এবং অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের জন্য একজন সরকারি কর্মচারীর মতো স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে নির্বাচিত ব্যক্তিদের অপরাধ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭, ফৌজদারি সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ সহ দণ্ডবিধির অধীন শাস্তিযোগ্য হওয়ায় স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে নির্বাচিত ব্যক্তিদের পাবলিক সার্ভেন্ট অর্থাৎ গণ-কর্মচারী বহির্ভূত বিবেচনার অবকাশ আছে কি না সে প্রশ্নটি এসে যায়।

দশম সংসদ নির্বাচনটি সংসদ বহাল থাকাবস্থায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে নবম সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তিরা পদে বহাল থাকাকালীন অবস্থায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন- এ যুক্তিতে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষের অনেকে বলতে চান বিষয়টি নজির হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপনের সুযোগ নেই। কিন্তু এ বিষয়ে এ দেশের সচেতন জনমানুষসহ অনেক সংবিধান বিশেষজ্ঞের অভিমত দশম সংসদ নির্বাচনে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের জন্য উন্মুক্ত ৩০০টি আসনের ১৫৩টি আসনের প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় এবং অবশিষ্ট ১৪৭টি আসনে ভোটার উপস্থিতি পাঁচ ভাগের নিচে হওয়ায় এটিকে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে আখ্যা দেয়ার অবকাশ নেই।

দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন ২৯ জানুয়ারি, ২০১৪ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমান দশম সংসদ তার মেয়াদ পূর্ণ করলে আগামী সংসদ নির্বাচন ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আগের ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর, ২০১৮ থেকে ২৮ জানুয়ারি, ২০১৯ সালের মধ্যবর্তী সময়ে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে। সে হিসাব মতে, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন যে নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে তা এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই শুরু হতে যাচ্ছে। এ বাস্তবতায় ধারণা করা যায় বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার আগাম নির্বাচনের পথে না হেঁটে সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বক্ষণে নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সচেষ্ট।

দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বর্তমান সংসদে যদিও প্রতিনিধিত্ববিহীন, দৃশ্যত তারা আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে আগের অবস্থান থেকে নমনীয় কিন্তু সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠান বিষয়ে ঘোরবিরোধী। এ অবস্থায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দশম সংসদ নির্বাচনের মতো একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে অগ্রসর হলে সেটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক হবে কি না এ বিষয়টি অনিশ্চয়তার দোলাচলে আবদ্ধ।

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজের প্রতিষ্ঠা যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হবে। আমাদের ৪৬তম বিজয় দিবস পালনের পর মুহূর্তে আমরা যদি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যর হিসেব খুঁজে পাওয়ার চেষ্টায় রত হই, তাহলে দেখা যায়- প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে এখনো ফারাক অনেক। আর তাই আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন আগাম নাকি নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এর চেয়ে বড় প্রশ্ন নির্বাচনটি দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করে দুর্নীতি ও অপশাসন রোধের মাধ্যমে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কতটা সহায়ক হবে?
লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক
E-mail: iktederahmed@yahoo.com

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.