'বিপজ্জনক' খাবারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সতর্কবাণী
'বিপজ্জনক' খাবারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সতর্কবাণী

'বিপজ্জনক' খাবারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সতর্কবাণী

নয়া দিগন্ত অনলাইন

চীনে বৈদ্যুতিক বাতির মতো আকৃতির মিষ্টি, বা ড্রিল মেশিনের মাথায় বসানো ভুট্টার ছড়া খাওয়া - এরকম বিচিত্র সব 'অনলাইন চ্যালেঞ্জের' হিড়িক পড়ার পর ডাক্তাররা লোকজনকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

শিবু অনলাইন নামে একটি সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটি বিপজ্জনক অনলাইন চ্যালেঞ্জ ছড়িয়ে পড়েছে।

সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা এক ধরণের টফি-জাতীয় মিষ্টি কিনছে যা চিনি দিয়ে তৈরি এবং এর আকৃতি বৈদ্যুতিক বাতির মতোই বড়, যার ব্যাস ছয় সেন্টিমিটার।

অনেকেই হাঁ করে এই মিষ্ট মুখে ভরার চেষ্টার ছবি বা ভিডিও পোস্ট করছে। তারা এই বাল্ব-আকৃতির মিষ্টি তাদের মুখে ভরতে পারে কিনা - এটাই হলো চ্যালেঞ্জ।

কিন্তু ডাক্তাররা এই চ্যালেঞ্জে অংশ না নেয়ার জন্য লোকজনের প্রতি সতর্ক্ববাণী উচ্চারণ করে বলছেন, এর ফলে এই মিষ্টি গলায় আটকে যাওয়া বা শ্বাসরোধের মত বিপদ ঘটতে পারে।

এ ছাড়া এতে এতো বেশি মাত্রায় চিনির রয়েছে যা ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ডা. ঝ্যাং জিনান নামে একজন চিকিৎসক বলছেন, সাধারণত মানুষের মুখ চার সেন্টিমিটার প্রশস্ত হয়। কিন্তু এই বাল্ব-আকৃতির ক্যান্ডির ব্যাস ৬ সেন্টিমিটার।

খাবার নিয়ে বিপজ্জনক অনলাইন চ্যালেঞ্জ বিষয়ে ডাক্তারের সতর্ক করে দেয়া এই প্রথম নয়।

২০১৬ সালের জুলাই মাসে 'ঘুরন্ত ভুট্টার ছড়া' নামে একটি চ্যালেঞ্জ চালু হওয়ার পর এটি নিয়েও মিডিয়ায় সতর্কবাণী দেয়া হয়েছিল।

চ্যালেঞ্জটা হলো, একটি চলন্ত ড্রিল মেশিনের মাথায় একটি রান্না-করা ভুট্টার ছড়া বসিয়ে দেয়া হবে - এবং সেই দ্রুতবেগে ঘুরন্ত অবস্থাতেই ভুট্টার ছড়াটি খেতে হবে।

ব্যবহারকারীরা বলেন, এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। একবার একটি ভিডিও বের হয় যাতে দেখা যায় যে ঘুরন্ত ভুট্টা খেতে গিয়ে ড্রিল মেশিনের খোঁচায় একজনের সামনের পাটির একটি দাঁত খসে পড়েছে।

আরেক ভিডিওতে দেখা গেছে, এক মহিলার চুল পেঁচিয়ে গিয়ে মাথা থেকে খানিকটা চুল উঠে গেছে।

উভচর বিমানের সফল উড্ডয়ন

চীনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বিশাল আকারের উভচর বিমান এজি৬০০ রোববার তার প্রথম যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডং প্রদেশে বিমানটি এ যাত্রা সম্পন্ন করে। স্থানীয় সময় ৯টা ৩৯ মিনিটে বিমান এজি৬০০ ঝুহাই নগরীর জিনওয়ান সিভিল অ্যাভিয়েশন এয়ারপোর্ট থেকে সফলভাবে উড্ডয়ন করে।

পরে ‘কুনলং’ কোড নামে এ বিমান প্রায় এক ঘণ্টা আকাশে ওড়ে। চীনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম উভচর এই বিমানের প্রধান ডিজাইনার হুয়াং লিংকাই বলেন, এ ধরনের বিমান তৈরির ক্ষেত্রে চীনের একটি বড় সফলতা। কেননা বিশ্বের হাতে গণা মাত্র কয়েকটি দেশের এ ধরনের বিশাল আকারের উভচর বিমান তৈরির সক্ষমতা রয়েছে।

বিমানটির প্রস্তুতকারক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন অব চায়না (এভিআইসি) জানায়, বিমানটির কাঠামো ৩৯.৬ মিটার দীর্ঘ এবং এটির পাখার দৈর্ঘ্য ৩৮.৮ মিটার।

এভিআইসি সূত্র জানায়, বিমানটি সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ৫৩.৫ টন। এটি প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে। বিমানটি টানা ১২ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম। এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় উভচর বিমান বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.