ঢাকা, মঙ্গলবার,১৬ জানুয়ারি ২০১৮

নারী

মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি মুক্তিযুদ্ধের ছবি আঁকি

আঞ্জুমান আরা বেগম

১৮ ডিসেম্বর ২০১৭,সোমবার, ০০:০০


প্রিন্ট

রংধনু আর্ট একাডেমির খুদে শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের ছবি আঁকে যুদ্ধের গল্প শুনে শুনে । তাদের মধ্যে দেশকে ভালোবাসার, দেশের মানুষকে ভালোবাসার বোধ এভাবেই তৈরি হচ্ছে। আসলে আজকের শিশুরাই এ দেশের ভবিষ্যৎ। তারাই একদিন গড়ে তুলবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। তাই শিশুদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলা, যুদ্ধের ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া প্রতিটি মায়েরই কর্তব্য। এসব নিয়ে লেখাটি তৈরি করছেন আঞ্জুমান আরা বেগম
ছোট্ট ‘আযান’ বয়স ছয় বছর। খুব সুন্দর একটা মুক্তিযুদ্ধের ছবি আঁকছে। কাছে গিয়ে জানতে চাইলামÑ এই যে সোনামণি, তুমি কিসের ছবি আঁকছ? খুব শান্ত স্বভাবের ছেলে আযান বললÑ মা আমাকে সবসময়ই মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলেন। কারণ আমার নানা মো: জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি টাঙ্গাইলের ১১ নম্বর সেক্টরে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নিজস্ব বাহিনীতে থেকে নয় মাস পাকসেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। আযান একটু থেমে আবার বলতে শুরু করল, নানা তখন ১৫-১৬ বছর বয়সের কিশোর। চার দিকে যুদ্ধের ডামাডোল। পাকসেনারা তখন ঢাকা আক্রমণ করে ফেলেছে। আমার নানার বাবা ও তার তিন ভাই, এক বোনও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। আমি বললাম, আযান তুমি তো মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। সে জন্য কি মুক্তিযুদ্ধের ছবি ভালো আঁকতে পারো? মুচকি হেসে আযান বলল, জি মিস। আযানের মা মিসেস আজমিরি আফরোজ (স্বত্বাধিকারীÑঅৎশ উবংরমহ ধহফ ঋধংযরড়হ। ছেলের অত পাকা কথা শুনে অবাক হয়ে বললেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। আমাদের শরীরে বইছে বাপ-দাদার অসীম সাহসী রক্তের প্রবাহ। ৪৬ বছর আগে আমার কিশোর মুক্তিযোদ্ধা বাবা তার কঠিন দেশপ্রেম, সত্য, সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে যখন প্রাণের ভয় না করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, তখন দেশ ও জাতির কল্যাণ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে চাননি। চেয়েছিলেন সবুজ পতাকাটা এই শ্যামল সুন্দর দেশে উত্তোলন করতে, নিজের পলিমাটিতে ফসল ফলাতে, মা-বোন-ভাইয়ের প্রিয় দেশে সুখেশান্তিতে বাস করতে। ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল পুরো শত্রুমুক্ত হয়ে স্বাধীন হয়। আমার বাবা ৪৬ বছর আগে যেমন অকুতোভয় বীর কিশোর যোদ্ধা ছিলেন, আজো তেমনি প্রতিটি দিন জীবনের পরতে পরতে নানাভাবে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। আমার মা মারা গেছেন ১৯৯৭ সালে। আমরা চার বোন খুবই ছোট ছিলাম তখন। বাবা শুধু আমাদের নিরাপদে রাখার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ে করেননি। মুক্তিযুদ্ধের জয়ী সৈনিক আবার ছোট ছোট চার মেয়েকে মানুষের মতো মানুষ করেছেন একা নিজের আদর স্নেহে। আমি আমার বাবার সাহসী ও ত্যাগের জীবনকে শ্রদ্ধা করি। বাবা তার জীবনটা সত্যিই উৎসর্গ করেছেন দেশ, মা ও এ মাটির জন্য। তাইতো এখনো অসহায়-পীড়িত মানুষের পাশে তার সাহসী পদক্ষেপ প্রশংসার যোগ্য। মুক্তিযোদ্ধার ভাতাটা পর্যন্ত গ্রামের অসহায় এক পরিবারকে দান করেন। পাশাপাশি তরুণ, যুবা আগামী প্রজন্মের যুবকদের নিয়ে নানা উন্নয়ন মূলক কাজ করেন। আমার বাবা আমার অহঙ্কার। এমনি শত হাজার লাখো যুবকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীন বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে আমিও চাই আমার একমাত্র সন্তান আযান হয়ে উঠুক সৎ, সুন্দর, সাহসী তীক্ষè বোধশক্তির মানুষ। যাতে তার পূর্বপুরুষদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই দেশ ও মাটির প্রতি তার ভালোবাসা দৃঢ় হয়। কারণ আমাদের পূর্বপুরুষদের অর্জিত ইতিহাস যদি আমরা ভুলে যাই, তাহলে আগামী প্রজন্মের সন্তানেরা এই দেশকে এতটুকু মূল্যায়ন করবে না। ভালোবাসবে না। তাহলে তারা একসময় নিজেকেও ভালোবাসতে পারবে না। যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায় তাকে তো কোনোভাবেই সেই জাতির উত্তরসূরি বলা যায় না। নয় কি? আমি আমার মুক্তিযোদ্ধা বাবার গর্বিত কন্যা, এটা আমার অহঙ্কার।
এক কোনায় বসে হিজাব পরা কিশোরী একটি মেয়ে মুক্তিযুদ্ধের ছবি আঁকছে। ছবিতে একটি মেয়ে বই খুলে পড়ছে, পেছনে স্মৃতিসৌধে ফুল ছিটানো। পাশে মুক্তিযুদ্ধরত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বিজয় পতাকা উড়াচ্ছে। আরেক পাশে পাকিস্তানি ও মিত্রবাহিনী একটি টেবিলে বসে একটি বড় খাতায় সাইন করছে। আর পেছনে সৈন্যবাহিনী। ছবিটি সম্পর্কে জানতে চাইতেই মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী আদিনা হাসান বলল, আমি মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের বিজয়, মিত্রবাহিনীর কাছে পাকসেনা প্রধানের আত্মসমর্পণ, আমরা ইতিহাস পড়ে যেভাবে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারছে সেটাই এই ছবিতে তুলে ধরেছি। আমি জানতে চাইলামÑ তুমি মুক্তিযুদ্ধের গল্প কোথায় শুনেছ? আদিনা বলল, এই গল্প তো আমির আমার আর্ট ক্লাসের মিসের কাছ থেকে শুনেছি। মা, নানুমণি ও নানাভাইদের কাছেও শুনেছি। আদিনা আরো বলল, গেল বছর আমরা আর্ট ক্লাসের বন্ধুরা মিলে সাভারের স্মৃতিসৌধে বেড়াতে গিয়েছিলাম। তখন দেখেছি কিছু লোক হুইল চেয়ারে বসে সাভার স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসেছেন। তাদের বয়স ৬০-৬৫ অথবা ৭০ হবে। আমি মনে মনে ভাবলাম এই অসীম সাহসী যোদ্ধা এই মানুষগুলো কী মানবেতর জীবনই না কাটাচ্ছেন, যা হয়তো আমরা জানিই না। মাকে বললাম, মা, ওমা, আমি কাছ থেকে ওই মুক্তিযোদ্ধা ভাইদের ছুঁয়ে দেখতে চাই। ওরা কী করে যুদ্ধ করে এই সুন্দর স্বাধীন দেশটা আমাদের উপহার দিয়েছে সেই গল্প আমি শুনতে চাই। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য সেটা আর সেদিন সম্ভব হয়নি। কারণ বিজয় দিবস বলে কথা। সাভারে পা ফেলার মতো তিল পরিমাণ জায়গা ছিল না। কথা বলা তো দূরের কথা।’ সে দিন থেকে ‘আদিনা’ যুদ্ধের এত সুন্দর সুন্দর চমৎকার সব জীবন্ত ছবি আঁকে যাতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে বর্তমান ও অতীত। যাতে বর্তমানে বসে বই পড়ে, গল্প শুনে মুক্তিযুদ্ধের পুরো ইতিহাস ছবিতে জ্বলজ্বল করছে। ওর আঁকা ছবিটা আজ দেখলেও মনে হবে বর্তমান, ৫০০ বছর পর দেখলেও মনে হবে বর্তমানেরই কোনো শিশু এঁকেছে। কথা প্রসঙ্গে জানলাম আদিনার নানুর দুই ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা আকমল হোসেন ও আলতাফ হোসেন কুষ্টিয়ার আট নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। কিন্তু চরম দুর্ভাগ্যবশত যুদ্ধ চলাকালীন জুলাই মাসের দিকে আলতাফ হোসেন শহীদ হন। ১৮ ভাই-বোনের মধ্যে এক ভাইয়ের আত্মত্যাগ পুরো পরিবার এখনো ধারণ করে আছে পরম শ্রদ্ধাভরে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রতœগর্ভা মা আশরাফুন নাহার (৯৮) ছেলেকে ভেবে ভেবে কেঁদেছেন।
নাজমুন নাহার ‘আন্ নাজাহ্’ ফ্যাশন হাউজের মালিক। তিনি নানান ডিজাইনের বোরখা অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করেন। আদিনা ও জান্নাতের গর্বিত মা। তিনি অত্যন্ত মার্জিত পরহেজগার ভদ্রসন্তান হিসেবে গড়ে তুলছেন তার দুই মেয়েকে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গল্প তথা এ দেশের জন্মের ইতিহাস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি জানান, আমি আমার সন্তানদের নৈতিকতাবোধের ভালো মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আর সেই জন্যই মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে যত রকম গল্প, ইতিহাস, বুদ্ধিজীবী, বীরাঙ্গনাদের গল্পগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে শোনাই। কারণ আমার দুই মামা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। একজন শহীদ হয়েছেন। সুতরাং বুকের ভেতর সেই কষ্টটা আমরা আজো বয়ে বেড়াচ্ছি পুরো পরিবার। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের এই অর্জনের কথা বর্তমান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়া এটা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তা না হলে ওরা ভুল ইতিহাস শিখবে। আমি মনে করি, যে জাতির ইতিহাস যত বেশি সত্য সুন্দর সে জাতি তত বেশি শক্তিশালী।
ছোট জান্নাত মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। ও একমনে ছঁবি আঁকছে। কী ছবি আঁকছে জানতে চাইলে বলল, ‘আমি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ছবি আঁকছি। যারা নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত। আমি বললাম, এসব ছবি তুমি কেন আঁকছো? আর কিভাবে আঁকতে শিখলে? জান্নাত বলল, সামনে ডিসেম্বরের শেষের দিকে আমাদের একটা আর্ট এক্সিবিশন হবে। আমরা আর্ট ক্লাসে বসে ৫০-৬০ জন স্টুডেন্ট যে যার মতো মুক্তিযুদ্ধের, রোহিঙ্গা শরণার্থী মহিলা, শিশু, বৃদ্ধাদের ছবি আঁকছি। ওরা কষ্ট করে বাংলাদেশের বর্ডার পার হয়ে কাঁটাতারের বেড়া, নদী-খাল পাড় দিয়ে দলে দলে রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশের কক্সবাজারের দিকে ও আশপাশের এলাকাগুলোতে বসতি করছে। মিস বলেছে, ওরা আমাদের মতো মুসলমান। ওরা মানুষ ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’। সব মানুষই সমান এ শিক্ষা আমরা ছবি আঁকতে আঁকতে শিখেছি।
মিস আরো বলেছেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের দুই লাখ শরণার্থী পাশের দেশ ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। সেই সময় পাকসেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম। সুতরাং রোহিঙ্গাদের জন্য কিছু একটা করা আমাদের জন্য কর্তব্য। তাই আমাদের আঁকা ছবি বিক্রি করে যে টাকা আমরা পাবো সেগুলো ওদের দান করব। তাহলে ওদের জন্য অন্তত কিছু করা হবে। প্রতিদিন টিভি, ফেসবুক, ইউটিউব, নিউজপেপার থেকে নানা রকমের রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে যে গল্প ছাপা হচ্ছে, সেইগুলো শুনে শুনেই আমরা রোহিঙ্গাদের ছবি আঁকছি।
বনানী ২ নম্বর রোডে অবস্থিত রংধনু আর্ট একাডেমির অধ্যক্ষ রুমা ইসলাম বললেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আমরা যদি এই ছোট্টবেলা থেকে আমাদের দেশের জন্মের ইতিহাস, এত ত্যাগতিতিক্ষা, লাখো প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া দেশের ইতিহাস তথা শেকড়ের কথা না বলি, তাহলে ওরা দেশকে ভালোবাসতে পারবে না। আমি গর্বভরে বলি, ‘আমরা সমৃদ্ধিশালী এক বাঙালি জাতি, যাদের নিজস্ব একটা ভাষা আছে, সার্বভৌম ভূখণ্ড আছে, আমাদের লাল-সবুজ পতাকা আছে, আমাদের সংস্কৃতি কৃষ্টি সব কিছু অনেক বেশি সমৃদ্ধিশালী। যা দিয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি।’ তিনি আরো বলেন, ‘ছবি আঁকা, আবৃত্তি ও বক্তৃতা শেখার মাধ্যমে শিশুরা শুধু পুরস্কার পাবে এটা শুধু নয়, বরং মানুষ হিসেবে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার একমাত্র উপায় হচ্ছে সংস্কৃতিচর্চা। এতে শিশুদের পড়াশোনা ও ধর্মচর্চার পাশাপাশি, জীবনবোধসম্পন্ন ভালো মানুষ হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়। চার দিকে অপসংস্কৃতি, ড্রাগ, মাদকাসক্তি মিথ্যাচারে ভরে গেছে। একটি শিশুকে ভালো মানুষ করতে হলে তাকে এক্সট্রা কারিকুলামের অ্যাক্টিভিটিজে জড়িত থাকা ভালো। এতে খারাপ, দুষ্টু চরিত্রের মানুষ হবে না বলে আমার বিশ্বাস। আমার স্টুডেন্টদের ৯৯ শতাংশই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রছাত্রী। ওরা খুবই ভদ্র শান্ত, ব্রিলিয়াট, কিন্তু ওরা নিজস্ব কালচার, ভাষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চায় একেবারেই আগ্রহী নয়। আর বাবা মায়েরা যেহেতু অনেক বেশি ব্যস্ত তাদের অফিস-আদালত নিয়ে সুতরাং শিশুদের কোয়ালিটি টাইম পার করানোর জন্য আমার স্কুলে দিয়ে যায় যাতে ১০টি শিশুর সাথে মিশে ভালো কিছু অর্জন করতে পারে। আমি আমার ছাত্রছাত্রীদের দেশ জাতি ধর্ম সংস্কৃতি ভাষা যুদ্ধ নিয়ে গল্প করি, ভালো মন্দের পার্থক্য শিখাই। প্রত্যেককে আগে একজন ভালো মানুষ হতে হবে। তারপর বিখ্যাত শিল্পী, সাহিত্যিক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, জজ, ব্যারিস্টার, শিক্ষক, সাংবাদিক, পুলিশ অফিসার, মন্ত্রী, এমপি, চেয়ারম্যানÑ যা খুশি হতে পারবে। কারণ ভালো, সৎমানুষ হওয়ার পরই অন্য পেশাগুলো একজন মানুষের জীবনগুলো অনেক সমৃদ্ধ করতে পারে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫