ঢাকা, রবিবার,২২ এপ্রিল ২০১৮

ক্রিকেট

মাশরাফিদের জন্য বড় অঙ্কের প্রাইজমানি

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৩ ডিসেম্বর ২০১৭,বুধবার, ১২:৪০


প্রিন্ট
এই শিরোপা জয়ে মাশরাফিদের আনন্দের সঙ্গে যোগ হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থও।

এই শিরোপা জয়ে মাশরাফিদের আনন্দের সঙ্গে যোগ হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থও।

অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার এটা চতুর্থ জয়। তবে রংপুরের অধিনায়ক হিসেবে এবারই প্রথম। আর ২০১৩ সালে আত্মপ্রকাশের পর রংপুরের এটাই প্রথম শিরোপা। তাই এই শিরোপা জয়ে মাশরাফিদের আনন্দের সঙ্গে যোগ হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থও।

ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ মানেই টাকার ঝনাঝনানি। দলের পেছনে মালিকপক্ষের বিনিয়োগও নেহাত কম নয়। সে তুলনায় লাভ কতটুকু, সে প্রশ্নটা থাকেই। তবে প্রাইজমানিটা রংপুরের ফ্র্যাঞ্চাইজির মুখে হাসি ফোটাচ্ছেই। শিরোপা জয়ের সন্তুষ্টিটা অন্য মাত্রারই। সেটি টাকার অঙ্কে রূপান্তর করাটা বেশ কঠিনই।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য প্রাইজমানি হিসেবে ২ কোটি টাকা পাচ্ছেন মাশরাফিরা।

মাশরাফিদের সাফল্যের পেছনে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করেছে মাশরাফি বিন মুর্তজার রংপুর রাইডার্স। তাদের প্রতিপক্ষ ছিল বিপিএলের পাঁচ আসরের তিনবারেরই শিরোপা জয়ী দল ঢাকা ডাইনামাইটস। কিন্তু কোন জাদুতে রংপুরের এ সাফল্য?

একজন অধিনায়ক হিসেবে মাঝে শুধু এক মৌসুম শিরোপা তুলে ধরতে পারেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা। যে দলটির শেষ চারে ওঠা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছিল সেই রংপুর রাইডার্সকে নিয়েই আবারও সেই শিরোপা এল তার হাতে। বিপিএলের পাঁচ আসরের মধ্যে চার আসরের শিরোপা জয়ী দলের অধিনায়ক তিনি। ধুকতে থাকা একটি দলের এমন সাফল্যের রহস্য কী? সেই গোপন রহস্য জানালেন অধিনায়ক মাশরাফি নিজেই।

১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যেন ছয়ের বৃষ্টি হচ্ছিল। ১৮টি ছক্কা হাঁকিয়ে ক্রিস্টোফার হেনরি গেইলের বিধ্বংসী ১৪৬ রানের ইনিংসের পর ম্যাচ অনেকটাই হেলে পড়েছিল রংপুরের দিকে। আর বাকিটা সম্ভব করলেন বোলাররা।
সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ৫৭ রানের জয়ের পর ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিজয়ী অধিনায়ক মাশরাফি জানালেন পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ভাগ্যটাও অনেকটা সহায়তা করেছে দলের সাফল্যে, তাছাড়া খেলোয়াড়দের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘চতুর্থ দল হিসেবে যখন গ্রুপ পর্ব পার করলাম, একটিই বার্তা ছিল, আমরা যে সুযোগ পেয়েছি, সেটা কাজে লাগাতে হবে। আমরা যেন অলআউট ক্রিকেট খেলি, স্বাধীনতা নিয়ে। যেটা করতে মন চায়, সেটা যেন পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে করি। কোনো দোষাদোষী নেই। দায় চাপানো নেই। কেউ কাউকে দোষ দেয়নি। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কেউ কাউকে দোষারুপ না করে স্বাধীনভাবে খেলেছি, সফল হয়েছি।’

শেষ চার থেকে শুরু করে ফাইনালে এসে শিরোপা জয়ে প্রধান ভূমিকে পালন করেছেন দলের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। আগে থেকেই তাদের উপর আস্থা ছিল অধিনায়কের। আগেও বলেছেন এরা কিছু করে দেখাবেই। আবারও বললেন, ‘আমরা জানতাম আমাদের দুই তিন জন বড় ক্রিকেটার আছে। তারা যদি বিধ্বংসী ব্যাট করতে পারে, তাহলে অন্য দলের জেতা কঠিন। ওরা ওটাই করেছে। আমরা যা চাচ্ছিলাম তারা সেটাই করেছে।’

দলের এই সাফল্যে ক্রিকেটারদের দলগত পারফম্যান্সের পাশাপাশি ভাগ্যকেও কারণ হিসেবে মনে করেন রংপুর অধিনায়ক। বলেন, ‘আগেরবার তো সেমিফাইনালে উঠিনি। আসলে কোনো রহস্য নেই। ভাগ্য সাথে না থাকলে তো কোনো কিছুই পাওয়া সম্ভব না। আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি। ভাগ্য সমর্থন করছে তাই পারছি। অবশ্যই প্রচেষ্টা বড়। শুধুমাত্র ভাগ্যের উপর বসে থাকলে চলবে না। আপনি চেষ্টা করলেন না কিন্তু ভাগ্যের উপর বসে থাকলেন তাহলে চলবে না। আপনাকে চেষ্টা করতে হবে।’

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫