ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৬ এপ্রিল ২০১৮

উপমহাদেশ

নিজের ঢোল পেটাতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যয় ৩ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা!

সংবাদ প্রতিদিন

১১ ডিসেম্বর ২০১৭,সোমবার, ১৫:৪৩ | আপডেট: ১১ ডিসেম্বর ২০১৭,সোমবার, ১৬:১১


প্রিন্ট
নিজের ঢোল পেটাতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যয়  ৩ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা!

নিজের ঢোল পেটাতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যয় ৩ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের ঢাক-ঢোল পেটাতে খরচ করেছেন ৩,৭৫৫ কোটি টাকা। ভারতীয় জনতা পার্টির নরেন্দ্র মোদি গত তিন বছরে নিজের ঢাক পেটাতে ব্যয় করেছেন ৩,৭৫৫ কোটি টাকা। সাড়ে তিন বছর কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা মোদি সরকার এইসব প্রচারে এই অর্থ ব্যয় করেছেন।

স্রেফ প্রচারের জন্য ২০১৪ সালের মে থেকে এপর্যন্ত ৩,৭৫৫ কোটি খরচ করেছে কেন্দ্র। আরটিআই-এ এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নিজেদের প্রচারে প্রিন্ট মিডিয়াতেই ভরসা বেশি কেন্দ্রের। খবরের কাগজে তারা ১,৬৯৮ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দিয়েছে।

ইলেকট্রনিক মিডিয়া হিসাবে কমিউনিটি রেডি, দূরদর্শন, ইন্টারনেট, টিভি ও এসএমএস করে কেন্দ্র খরচ করেছে ১,৬৫৬ কোটি টাকা। আউটডোর বিজ্ঞাপন হিসাবে হোর্ডিং, পোস্টার, ব্যানার, বুকলেট, ক্যালেন্ডারের নিজেদের প্রচারে কেন্দ্র দিয়েছে ৩৯৯ কোটি টাকা।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

গণ-পিটুনির শিকার 'মোদি'

ছিল সম্পদ, হলো বিপদ!
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাদৃশ্যই এত দিন তাকে সুখ্যাতি দিয়েছে। গত বছর তিনেক ধরে মোদি সেজে দিব্যি ছিলেন। নানা জায়গায় সেলাম-টেলামও জুটত। কিন্তু সেই মোদি-রূপই এ বার অভিনন্দন পাঠকের বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে! গুজরাত রাজ্যের নির্বাচনে স্থানীয় পাতিদার নেতা হার্দিক পটেলের দলের ছেলেপুলেদের কাছ থেকে বিস্তর গালাগাল! ঠ্যাঙানিও খেতে হয়েছে!

বিপাকে পড়ে এখন বিজেপির শরণাপন্ন হয়েছেন ৫১ বছর বয়সী অভিনন্দন। নরেন্দ্র মোদির রূপধারী অভিনন্দনের আর্জি, তার একটা জিপ চাই। সঙ্গে কিছু বিজেপি কর্মী। বকলমে তারা দেহরক্ষীর কাজ করবেন।

গুজরাতের বিজেপি নেতারা নরেন্দ্র মোদির কথায় ওঠাবসা করলেও তার রূপধারীর কথায় এখনো কান দেননি। ফলে বেশ বিপাকে ‘নকল’ মোদি।

কে ইনি? আদতে উত্তরপ্রদেশের মানুষ অভিনন্দন কর্মসূত্রে বহু দিন কাটিয়েছেন সাহারানপুরের। সেখানে একটি স্কুলে ছাত্রদের শরীরচর্চা শেখাতেন। বছর কয়েক আগে হরিদ্বারের গঙ্গায় ডুব মেরে উঠতেই কয়েক জন তাকে দেখে ‘আরে, নরেন্দ্র মোদি!’ বলে চিৎকার করে ওঠে।

প্রথমটা নিছক মজা ভেবেছিলেন। কিন্তু তার মধ্যেই একদিন সাহারানপুরের থানায় হাবিলদারেরা তাকে দেখে প্রায় স্যালুট ঠুকে ফেলেন! অভিনন্দন বোঝেন, তার সঙ্গে বেশ মিল মোদির। ২০১৪-র ভোটে মোদি-ঝড় উঠল। অভিনন্দনও ভোল পাল্টে পুরোপুরি মোদি সেজে বসেন। একই রকম চশমার ফ্রেম, কুর্তা, হাফ-জ্যাকেট, ডান হাতে উল্টো করে পরা কালো চামড়ার ঘড়ি।

ভোটে কয়েক জায়গায় বিজেপি তাকে প্রচারেও কাজে লাগায়। এ সব করতে গিয়ে স্কুলের চাকরিটা গেলেও গায়ে মাখেননি অভিনন্দন। উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটে বারাণসীর একটি কেন্দ্র থেকে আরপিআই টিকিটে প্রার্থীও হন। মোদি সেজে প্রচার করলেও অবশ্য হেরেই যান।

সেই তিনিই এ বার মোদির রাজ্যে গিয়ে মহা বিপাকে পড়েছেন। গত শুক্রবার রাজকোটের কাছে ধোরাজিতে হার্দিকের সমর্থকেরা তাকে ধাওয়া করেন। গালাগালিও জোটে। এর পর শাপারের কাছে মারধর খান। অভিনন্দনের অনুযোগ, ‘‘আমি যে নরেন্দ্র মোদি নই, তা বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ওরা খুব রেগে ছিল। বিজেপি একটা গাড়িও দিচ্ছে না। বাসে-অটোতে চেপেই আমাকে ঘুরতে হচ্ছে।’’

মোদিকে ‘বড় ভাই’ বললেও এখনো সামনাসামনি হননি তার। বার তিরিশেক প্রধানমন্ত্রীর দফতরে গিয়ে সাক্ষাৎ চেয়েও ব্যর্থ। যদিও তাতে তার মোদি-ভক্তি কমেনি। শুধু মোদি-রাজ্যে মোদি-সাজাটাই মাথায় উঠেছে অভিনন্দনের!

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫