জয় উদযাপন ম্যানইউ'র
জয় উদযাপন ম্যানইউ'র

ইতিহাস গড়লো ম্যানইউ

নয়া দিগন্ত অনলাইন

প্রিমিয়ার লীগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ২-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপা দৌড়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে ম্যানচেস্টার সিটি। একইসাথে প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসে টানা ১৪ ম্যাচে জয়ের রেকর্ড স্পর্শ করেছে সিটিজেনরা। দিনের অপর ম্যাচে ওয়েইন রুনির গোলে লিভারপুলের সাথে ১-১ গোলে ড্র করেছে এভারটন।

এর আগে ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত টানা ১৪ ম্যাচে জয়ের রেকর্ড গড়েছিল আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধে নিকোলাস ওটামেন্ডির গোলে সিটির জয় নিশ্চিত হয়। এই জয়ে পেপ গার্দিওলারা দল ইউনাইটেডের থেকে ১১ পয়েন্ট এগিয়ে সুস্পষ্ট ব্যবধানে টেবিলের শীর্ষ স্থানটি ধরে রাখলো। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ৪১ ম্যাচ পরে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রথম জয় তুলে নিল সিটি।

ইউনাইটেড বস হোসে মরিনহো অবশ্য এই জয়ের মধ্য দিয়েই ম্যান সিটির শিরোপা প্রাপ্তি প্রায় নিশ্চিত করে দেখছেন। ম্যাচ শেষে মরিনহো বলেছেন, সম্ভবত, হ্যাঁ। আজকের জয়টা তাদেরকে অনেকখানি এগিয়ে দিল।

এ্যান্ডার হেরেরাকে ফাউলের অপরাধে ওটামেন্ডির বিপক্ষে ইউনাইটেডের ম্যাচ শেষের একটি পেনাল্টি আবেদন নাকচ করে দেন ইংলিশ রেফারী মাইকেল অলিভার। উল্টো মিডফিল্ডার হেরেরাকে ডাইভিংয়ের জন্য হলুদ কার্ড দিয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তকে অবশ্য নেতিবাচক হিসেবেই দেখেছেন মরিনহো। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘ম্যানচেস্টার সিটি ভাল দল, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু সবসময়ই ভাগ্য তাদের সহায় থাকে। একইসাথে ফুটবলের ঈশ্বরও তাদের সাথেই থাকে।’

যদিও গার্দিওলা মরিনহোর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, গত মৌসুমেই একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। আমরা এখানে জিতেছি ও এখানেও রেফারীকে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে। আজকেও তাই হলো। আজ আমরা ৭৫ শতাংশ বল নিজেদের কাছে রেখেছি। এর অর্থ হচ্ছে আমরা ভাল খেলতে চেয়েছি।

প্রথমার্ধে প্রায় পুরোটা সময়ই আধিপত্য বিস্তার করে খেলা সিটিজেনরা ৪৩ মিনিটেই তার ফল পায়। কেভিন ডি ব্রুইনের কর্ণার থেকে ডেভিড সিলভা পোস্টের খুব কাছ থেকে সিটিজেনদের এগিয়ে দেন।

প্রথমার্ধের স্টপেজ টাইমে অবশ্য মরিনহোর দল ম্যাচে সমতা ফেরায়। সিটি ডিফেন্ডার ফাবিয়ান ডেল্ফ বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ব্যর্থ হলে মার্কোস রাশফোর্ড এডারসনকে কাটিয়ে বল জালে প্রবেশ করান। কিন্তু ৫৪ মিনিটে আর শেষ রক্ষা হয়নি। সিলভার ফ্রি-কিক রোমেলু লুকাকু ক্লিয়ার করতে গেলে বেলজিয়ান এই স্ট্রাইকারের বল ইউনাইটেড সতীর্থ ক্রিস স্মলিংয়ের গায়ে লেগে ফেরত আসলে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ওটামেন্ডি জোড়ালো শটে সিটিজেনদের জয় নিশ্চিত করে।

এদিকে এ্যানফিল্ডে লিভারপুল মোহামেদ সালাহর কার্লিং শটে ৪২ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল। মিসরীয় এই উইঙ্গারের ১২ ম্যাচে এটি ছিল ১৩তম গোল। এই লিড দ্বিতীয়ার্ধেও বেশ কিছুক্ষণ পর্যন্ত ধরে রাখলেও শেষ পর্যন্ত তা রক্ষা হয়নি। ৭৭ মিনিটে স্পট কিক থেকে এভারটনকে এক পয়েন্ট উপহার দেন রুনি। জুলাইয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে এভারটনে যোগ দেয়ার পরে মার্সিসাইড ডার্বিতে ক্যারিয়ারে এটা রুনির প্রথম গোল।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.