ইসরাইলি বাহিনীর সাথে সংঘর্ষের সময় মুখ ঢেকে আছেন এক ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীর
ইসরাইলি বাহিনীর সাথে সংঘর্ষের সময় মুখ ঢেকে আছেন এক ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীর

ইসরাইল-ফিলিস্তিন সমঝোতা প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে রাশিয়ার আহবান

নয়া দিগন্ত অনলাইন

জাতিসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভাসিলি নাবেনজিয়া শুক্রবার বলেছেন, মস্কো দুই জাতির জন্য পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সঙ্ঘাত নিরসনের উপায় খুঁজে বের করতে জরুরি ভিত্তিতে একটি ‘অর্থবহ রাজনৈতিক প্রক্রিয়া’ পুনরায় শুরু করার আহবান জানিয়েছে। খবর তাসের।

ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে জেরুসালেমকে স্বীকৃতি দেয়ার ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পর জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি অধিবেশন আহবান করে।

এ অধিবেশনে নাবেনজিয়া আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপ ফিলিস্তিন-ইসরাইল সম্পর্কের ক্ষেত্রে এবং এমন কি এটি পুরো অঞ্চলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্বি-রাষ্ট্র সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ফিলিস্তিন-ইসরাইল সঙ্ঘাতের চূড়ান্ত ও টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার উপায় হিসেবে একটি অর্থবহ রাজনৈতিক প্রক্রিয়া জরুরিভাবে আবারো শুরু করার বিষয়টি একেবারে অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

জেরুসালেমে আরো ১৪ হাজার বসতি নির্মাণ করবে ইসরাইল

ফিলিস্তিনের পবিত্র নগরী জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পরেই জেরুসালেমে ১৪ হাজার হাউজিং ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন ইসরাইলের নির্মাণ ও আবাসন মন্ত্রী যুভ গালান।

জেরুসালেমের উত্তরাঞ্চলীয় আতারোটে পাঁচ হাজার আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে ইসরাইল। অপর দিকে পিসগ্যাট জেভে এক হাজার, কাটামোনে তিন হাজার এবং রেচেস লাভেনে আরো পাঁচ হাজার বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। রামাল্লাহর খুব কাছেই বসতিগুলো নির্মাণ করা হবে।

গালান এক বিবৃতিতে বলেন, ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক ঘোষণার কারণে আমি জেরুসালেমে বসতি নির্মাণকে উন্নত এবং আরো জোরদার করতে চাই।

মন্ত্রী পরিষদের অন্যান্য মন্ত্রীও গালানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এখন আর কোনো অজুহাতই নেই। ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে জেরুসালেমকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বীকৃতির পর সেখানে আমাদের বসতি নির্মাণ না করার ক্ষেত্রে আর কোনো কারণই নেই।- আনাদোলু

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.