ঢাকা, রবিবার,১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অন্যদিগন্ত

দূতাবাস স্থানান্তর কেন, কবে?

আলজাজিরা

০৮ ডিসেম্বর ২০১৭,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট

গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় জেরুসালেমকে স্বীকৃতি দেয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের বুধবারের ঘোষণায় যারা সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চিত হতে পারেন তাদের মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের ধনকুবের শেলডন অ্যাডেলসন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় এই ক্যাসিনো ম্যাগনেট ট্রাম্প সমর্থিত গ্রুপকে আড়াই কোটি মার্কিন ডলার অর্থসহায়তা করেন। গত এপ্রিলে পলিটিকোর এক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, জেরুসালেম নিয়ে ট্রাম্প তার নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ না করায় অ্যাডেলসন ুব্ধ হয়েছেন।
১৯৯৫ সালে এই বিলটি পাস হয়েছে মার্কিন কংগ্রেসে। তবে ট্রাম্পের পূর্বসূরিরা ছয় মাস পরপর অস্থায়ী একটি আদেশে স্বাক্ষর করে এটি বাস্তবায়ন পিছিয়ে দিতেন। ট্রাম্পও গত জুনে ছয় মাসের স্থগিতাদেশে স্বাক্ষর করেন। এই সপ্তাহে ট্রাম্পের সেই স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হলে তিনি তা আর নবায়ন না করে বিলটি বাস্তবায়ন করলেন।
এ দিকে গত রোববার নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, জেরুসালেমের ওপর ইসরাইলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাবিষয়ক একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র। গত নভেম্বরে এই পরিকল্পনা মাহমুদ আব্বাসের কাছে উপস্থাপন করেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
তেল আবিব থেকে জেরুসালেমে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার কাজটি খুব দ্রুত হচ্ছে না, এতে কয়েক বছর সময় লাগবে। যুক্তরাষ্ট্র তার ব্রিটেনস্থ দূতাবাস উত্তর লন্ডন থেকে দক্ষিণ লন্ডনে স্থানান্তরের ঘোষণা দিয়েছিল ২০০৮ সালে। সেই নতুন দূতাবাস এখনো চালু হয়নি। আবার ২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় নির্বাচিত হতে না পারলে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে কি না সেই প্রশ্নও উঠেছে। তবে ওয়াশিংটনের কর্মকর্তার বলেছেন, স্থানান্তরপ্রক্রিয়া শুরু হলে তা শেষ হবেই। জেরুসালেমে ১৯৮৯ সালে ইসরাইল সরকারের কাছ থেকে একটি জমি লিজ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ৯৯ বছরের চুক্তিতে এর মূল্য ধরা হয়েছে প্রতি বছর এক মার্কিন ডলার। তবে এখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা হয়নি।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫