ঢাকা, শনিবার,১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

বাংলার দিগন্ত

শিবগঞ্জে আলুর বস্তা দেড় শ’ টাকা : ক্রেতা মিলছে না

খলিলুর রহমান আকন্দ শিবগঞ্জ (বগুড়া)

০৮ ডিসেম্বর ২০১৭,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট

এবারের আলু যেন কৃষকের গলায় ফাঁস হয়েছে। দেড় শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ১০০ কেজির এক বস্তা আলু। এভাবেই মাইকিং করে আলু বিক্রির অভিনব দৃশ্য চোখে পড়ল বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলাসহ বিভিন্ন হিমাগারে। আলু ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মাইকিং করেও দেখা মিলছে না ক্রেতার। এমতাবস্থায় চরমবিপাকে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। লোকসান গুনতে হচ্ছে কোল্ড স্টোরের মালিকদেরও।
জানা যায়, উপজেলায় কোল্ডস্টোরেজগুলোতে বস্তাপ্রতি ৩২০ টাকা ভাড়ায় আলু সংরণ করেন চাষিরা। কিন্তু এক মাস ধরে বগুড়ায় আলু বাজারে ব্যাপক ধস নামায় ক্রেতাসঙ্কটে পড়েছেন কৃষকেরা। ব্যবসায়ীরাও কিনছেন না আলু।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিবগঞ্জ উপজেলায় ১৪টি হিমাগারের প্রতিটির ধারণ মতা গড়ে দেড় লাখ বস্তা। এসব হিমাগারে তিনভাগের এক ভাগ আলু এখনো পড়ে আছে।
মোকামতলা এলাকার আলুচাষি আনিছুর জানান, ‘হামরা ৩২০ টাকা বস্তা ভাড়া ঠিক করে আলু স্টোরত থুছি। এখন হামরা আলু তুলে কি করমো এক বস্তা আলুর দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। আর স্টোরত দেওয়া লাগবি ৩২০ টাকা। তাই হামরা আলু তুলিচ্ছিনে’।
মোকামতলা আর অ্যান্ড আর পটেটো কোল্ডস্টোরের কর্মকর্তা নুরুল আমিন জানান, এখনো স্টোরে প্রায় ৪৫ হাজার বস্তা আলু আছে।
বলরামপুর শাহ সুলতান-১ হিমাগারের ম্যানেজার আব্দুল আশাহীন বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার বস্তা আলু পড়ে আছে হিমাগারে। দাম না থাকায় আলু তুলছেন না কৃষকেরা।
শিবগঞ্জ কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: মাসুদ আহমেদ জানান, গত মওসুমে ল্যমাত্রার চেয়ে এক লাখ টন আলু বেশি উৎপাদন হওয়ায় এ সঙ্কটে পড়তে হয়েছে চাষিদের।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫