ঢাকা, রবিবার,১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

থেরাপি

ডিজিটাল হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা কে বা কারা?

এস আর শানু খান

০৭ ডিসেম্বর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

বিউটি পার্লার
লেডিস ফার্স্ট এটা এখন আর কোনো গল্প বা প্রচলিত বুলি নয়। এটা এখনকার সময় টপ নম্বর চিরন্তন সত্যের ওপরের সিরিয়ালের একটি বাক্য। তাই এ খাতটি আগেই নিয়েছি। হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার বাঁশি বাজানো লাগলেও বর্তমানে আর সেটা করা লাগে না। বর্তমানের মেয়েরা বিউটিপার্লারের দিকে হ্যামিলন শহরের সেই শিশুদের মতো দৌড়াতে থাকে। কোনো বাধাই যেন তাদের এই মহাযাত্রা আটকাতে পারবে না।

মেয়েরা
কোথাকার হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা তার থেকেও শক্তিশালী বাঁশি আছে বর্তমানের মেয়েদের কাছে। আশপাশে চোখ খুলে একটু দেখুন না। পার্ক, রেস্টুরেন্ট আর মার্কেটগুলোর দিকে তাকিয়ে। একটা মেয়ের পেছনে ট্রেনের বগির মতো লেগে থাকে ছেলেরা। এ যেন বড়শি গিলিয়ে ছিপ ধরে ডাঙ্গায় মজা করছে। এটা যেনতেন ব্যাপার না কিন্তু, হ্যাঁ!

সেলিব্রেটিরা
সেলিব্রেটিদের নিয়ে সেলিব্রেটিরা কতটুকু স্বপ্ন দেখেন সেটা কোনো প্রশ্ন নয়। মেইন বিষয় হলো, তাদের ফেসবুকসহ এ রকম সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট করা নিয়ে কথা। কোন ছবি পোস্ট করলে বেশি লাইক পড়বে; কার সাথে ছবি তুললে লোকজনের কাছে নিজেকে বড়মাপের লোক হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে। তাদের কাছে সেলিব্রেটিরা হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো। কেননা ঠিক তেমনভাবেই কোথাও দেখতে পেলে সারির পরে পেছনে সারি ধরে শুধু একটু ক্যামেরাবন্দী করার জন্য।

খেলার মাঠের মাদবর
খেলা মানেই হাসিমুখে মহান এবং নিজেদের টিকে থাকার দক্ষতার যুদ্ধ। এখানে কেউই আসামি নন। আবার কেউ ফরিয়াদিও নন। তবে এখানে সবাই মহান। খেলার মাঠে ধরুন ফুটবল কিংবা ক্রিকেট যখন যারা ব্যাটে তখন তারা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যের বিচরণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শুধু ২২ গজের মাদবরি। আর ওদিকে মাঠের ওনায় কোনায় টাক পোকায় খাওয়া টাক মাথার মতো এক গ্রুপ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বল কুড়ানোর জন্য ব্যস্ত। বল দেখলেই নিজের অজান্তে উন্মাদের মতো দৌড়াতে শুরু করে। এখানে বল যদি হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হয়, তাহলে হ্যামিলনের সেই শিশু আর ইঁদুরগুলো কারা?

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫