ইবনে তুলুন মসজিদ

আজ তোমরা জানবে ইবনে তুলুন মসজিদ সম্পর্কে। ঐতিহাসিক এ মসজিদ ইটের তৈরি। এতে রয়েছে দু’টি গম্বুজ এবং একটি মিনার। মিনারটির কাঠামো পেঁচানো ঘরানার। তার মানে এ কাঠামো ঘিরে সিঁড়িধার ওপরের দিকে উঠে গেছে। ইরাকের বিখ্যাত সামারা মসজিদের মিনারের সাথে এ মিনারের সাদৃশ্য দেখা যায়।
লিখেছেন মুহাম্মদ রোকনুদ্দৌলাহ্

মিসরে আব্বাসীয় শাসনের যুগের অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন ইবনে তুলুন মসজিদ । এ আরব স্থাপত্য খুবই আকর্ষণীয়, যা ১১৩৮ বছর আগের মুসলিম সোনালি যুগের উন্নত নির্মাণশৈলীর গৌরব বহন করছে। এর অবস্থান কায়রোতে। আদি কাঠামো বা নকশা টিকে থাকার যুক্তিতে একে গণ্য করা হয় নগরীর সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ হিসেবে। জমির আয়তনের ভিত্তিতে এটি কায়রোর সবচেয়ে বড় মসজিদ। মিসরে আব্বাসীয় রাজ্যপাল (গভর্নর) আহমদ ইবনে তুলুনের নেতৃত্বে মসজিদটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ৮৭৯ সালে। এ মসজিদ একটি ছোট পাহাড়ের ওপর নির্মিত হয়, যার নাম জেবেল ইয়াশকুর (ধন্যবাদ দেয়ার পাহাড়)। স্থানীয় এক রূপকথা অনুসারে মহাপ্লাবনের পর নূহ আ:-এর কিস্তি আরারাত পাহাড়ের পরিবর্তে বিশ্রামের জন্য এখানে ভেড়ে।
ঐতিহাসিক এ মসজিদ ইটের তৈরি। এতে রয়েছে দু’টি গম্বুজ এবং একটি মিনার। মিনারটির কাঠামো পেঁচানো ঘরানার। তার মানে এ কাঠামো ঘিরে সিঁড়িধার ওপরের দিকে উঠে গেছে। ইরাকের বিখ্যাত সামারা মসজিদের মিনারের সাথে এ মিনারের সাদৃশ্য দেখা যায়।
ইবনে তুলুন মসজিদ কয়েকবার পুনর্নির্মাণ করা হয়, যাতে আদি কাঠামো বা নকশা টিকিয়ে রাখা হয়। ১১৭৭ সালে প্রথমবারের মতো মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। আর সর্বশেষ এটি পুনর্নির্মাণ করা হয় ২০০৪ সালে।
তথ্যসূত্র : ওয়েবসাইট

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.