ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

রাজনীতি

বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় সরকার : আমির খসরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ ডিসেম্বর ২০১৭,সোমবার, ১৭:০১


প্রিন্ট
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ফাইল ফটো)

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ফাইল ফটো)

ক্ষমতাসীন সরকারকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকারের সর্বশেষ বাধার জায়গা ছিল বিচার বিভাগ। সেটা তারা বুঝতে পেরে বিচার বিভাগকে একটা প্রকল্প হিসেবে নিয়েছে। প্রকল্পটা হচ্ছে পুরো বিচার বিভাগকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে হবে।

আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৃতীয় তলার কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘বিএনপির চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি’ শীর্ষক এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলন এ সভার আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে আইনের শাসন নাই, এখানে শাসকের আইন চলছে। অর্থাৎ শাসক যা বলছে সেটাই আইন। শাসক তার ইচ্ছে মত, সুবিধা মতো, আইন তৈরি করছে এবং প্রয়োগও করছে। এই অনির্বাচিত সরকার তাদের নিজেদের আইন প্রয়োগ করার জন্য সংবিধান পরিবর্তন করেছে। বিভিন্ন আইন করেছে অনির্বাচিত সংসদের মাধ্যমে। এবং প্রতিনিয়ত দেশবিরোধী আইনগুলো জনগণের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। আমি বলবো এটা সরকারের একটি প্রকল্প।

তিনি বেগম জিয়া ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা প্রসঙ্গে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং এস কে সিনহার বিদায়, এর মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে। এটা একটি পরিকল্পিত বিষয়। প্রধান বিচারপতি দেশে ন্যায় বিচার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য কাজ করছিলেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের যে চুক্তি হয়েছে তা কখনো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। এই চুক্তি করা হয়েছে জনগণকে ধোকা দেয়ার জন্য।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫