ঢাকা, রবিবার,১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

শিক্ষা

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেলেই ফিজিওথেরাপি কলেজের জমি উদ্ধার হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৩ ডিসেম্বর ২০১৭,রবিবার, ২০:১৮


প্রিন্ট

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেলেই ফিজিওথেরাপি কলেজের জমি উদ্ধার করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

মহাখালীতে সংক্রামকব্যাধি হাসপাতালের কাছেই একটি সরকারি জায়গায় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি কলেজের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়। কয়েক বছর অতিক্রান্ত হলেও অজ্ঞাত কারণে সেখানে এখনো কলেজ ভবন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।

তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক ফিজিওথেরাপি কলেজের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

গতকাল শনিবার আগারগাঁওয়ের এলজিইডি ভবনের অডিটরিয়ামে ফিজিওথেরাপির ৫০ বছর পুর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এতোদিনেও কেন কলেজ ভবনটি নির্মাণ করা যায়নি অবগত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষ্ময় প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, কেন যে কলেজ ভবনটি হলো না তার কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। তিনি ফিজিওথেরাপি সম্পর্কে বলেন, ফিজিওথেরাপি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা। স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি পেলেই কলেজের জমিতে গড়ে উঠা বস্তি উচ্ছেদ করতে এক মিনিটও দেরি করা হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. দলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়।

আরিফ খান জয় বলেন, খেলোয়াড়দের প্রধান চিকিৎসাই ফিজিওথেরাপি। তিনি ক্রীড়াঙ্গনে ফিজিওথেরাপি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করেন।

ডা. দলিলুর রহমান বলেন, ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে নিটোর বা পঙ্গু হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিতে স্নাতক ডিগ্রি চালু করা হয়। কিন্তু এতোদিনেও এ চিকিৎসার জন্য একটি পুর্ণাঙ্গ কলেজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, কলেজের জন্য নির্ধারিত জমিতে বিশাল বড় বস্তি গড়ে উঠেছে। এ বস্তি এখন রাজধানীর অন্যতম মাদক কেনা-বেচার স্থানে পরিণত হয়েছে। বস্তি থেকে প্রতি মাসে ভাড়া তুলে শাসক দলের সাথে সম্পৃক্ত স্থানীয় লোকজন।
সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি।

স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব ডা. ফরিদ উদ্দিন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫