ঢাকা, শুক্রবার,১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

ইউরোপ

ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রীর কম্পিউটারে কয়েক হাজার পর্ণো ছবি

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০২ ডিসেম্বর ২০১৭,শনিবার, ১১:০২


প্রিন্ট
ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রীর কম্পিউটারে কয়েক হাজার পর্ণো ছবি

ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রীর কম্পিউটারে কয়েক হাজার পর্ণো ছবি

ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেমিয়ান গ্রিনের বিরুদ্ধে পর্ণো ছবি রাখার অভিযোগ উঠেছে। ২০০৮ সালে এক অভিযানে তার সরকারি কম্পিউটারে কয়েক হাজার পর্ণো ছবি পাওয়া যায়। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাবেক এক গোয়েন্দা এই তথ্য জানিয়েছেন। এ নিয়ে নতুন করে সংকটে পড়লেন থেরেসা মে।

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাবেক গোয়েন্দা নেইল লুইস জানান, এত পরিমাণ পর্ণো ছবি দেখে আমি নিজেও হতবাক হয়েছিলাম। আর এটা যে গ্রিনের মাধ্যমেই কম্পিউটারে ঢুকেছিল তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

এই তথ্য থেরেসা মে এবং গ্রিণকে নতুন সমালোচনার মধ্যে ফেলছে। গত মাসেই সানডে টাইমসে এক প্রতিবেদনে গ্রিনের কম্পিউটারে পর্ণো ছবি পাওয়ার তথ্য জানানো হয়। কিন্তু গ্রিন তা অস্বীকার করেন। তার এই অস্বীকারে বিস্ময় প্রকাশ করে নেইল জানান, আমি নিজেই কম্পিউটার তল্লাশি করে এসব পর্ণো ছবি পেয়েছিলাম। 

সূত্র: সিএনএন

ট্রাম্প এবার পর্নো পত্রিকায়, তথ্য দিলেই কোটি ডলার

যারা ওয়াশিংটন পোষ্ট পড়েন না আজ তাদের অনেকেই সেটি নেড়েচেড়ে দেখছেন। বিজ্ঞাপনটিতে কোনো ছবি নেই। আছে বড় বড় অক্ষরে লেখা কিছু বার্তা।
বিজ্ঞাপনদাতা মাসিক পর্নোগ্রাফি ম্যাগাজিন হাসলারের প্রকাশক ল্যারি ফ্লিন্ট।

তিনি বলেছেন, দেরি হওয়ার আগেই ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরানো দরকার। আর তা করা সকল মার্কিন নাগরিকের দায়িত্ব। এর আগেও তিনি এমন বিজ্ঞাপন ছেপেছেন।

কিন্তু এবারের বিজ্ঞাপনটি ব্যতিক্রমধর্মী এই কারণে যে তাতে তিনি বিশাল অর্থের পুরস্কার ঘোষণা করেছেন।

বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কেউ যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে নোংরা কোনো তথ্য দিতে পারেন তাহলে তাকে এক কোটি ডলার পুরস্কার দেয়া হবে। সে এমন তথ্য হতে হবে যা প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অভিশংসনের মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য যথেষ্ট হবে। সেখানেই ক্ষান্ত হননি ল্যারি ফ্লিন্ট।

বিজ্ঞাপনে এমন তথ্য দেয়ার জন্য একটি হটলাইন ফোন নাম্বার এবং ইমেইল অ্যাড্রেসও দিয়েছেন তিনি। ল্যারি ফ্লিন্ট সর্বশেষ মার্কিন নির্বাচনের অপর প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের সমর্থক। বিজ্ঞাপনটিতে পাতাজুড়ে বলার চেষ্টা করা হয়েছে কী কারণে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করা উচিত।

কয়েকটি কারণেরর মধ্যে রয়েছে বিদেশি শক্তির সাথে হাত মেলানো, বর্ণবাদী গোষ্ঠীদের উস্কানি দিয়ে সংঘাতের সৃষ্টি করা, মিথ্যে কথা বলা, স্বজনপ্রীতি করা ইত্যাদি কয়েকটি অভিযোগ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা মেনে চলতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, চূড়ান্তভাবে এ চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটাবেন তিনি। বিশ্বের সব দেশ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মতামতকে উপেক্ষা করেই ট্রাম্প একতরফাভাবে এ ঘোষণা দিলেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫